সর্বশেষ

Saturday, June 6, 2026

১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ জনগণের দোরগোড়ায় উন্নত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্যসেবা খাতকে শক্তিশালীকরণে দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে (৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ এবং পরিদর্শন কার্যক্রমে সহযোগিতা করার নির্দেশনা জারি করেছে।

অধিদপ্তরের প্রশাসন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী আদেশে সই করেন।

আদেশে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরাধীন সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।


আদেশে উল্লেখ করা হয়, উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং রোগীদের জন্য অধিকতর সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে দেশের অনেক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যা সংখ্যা সীমিত হওয়ায় রোগীদের চিকিৎসাসেবা গ্রহণে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।

শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে উপজেলা পর্যায়েই অধিকসংখ্যক রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ পাবেন এবং জেলা সদর হাসপাতালের ওপর চাপও কমবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত পরিদর্শন দল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসমূহ পরিদর্শন করবে। এসব পরিদর্শনের মাধ্যমে অবকাঠামোগত সক্ষমতা, বিদ্যমান ভবন, সম্প্রসারণের সম্ভাবনা, প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং অতিরিক্ত শয্যা স্থাপনের উপযোগিতা যাচাই করা হবে।


নির্দেশনায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের (ইউএইচএফপিও) পরিদর্শন দলের সঙ্গে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য বলা হয়েছে।

তেলাপোকা পার্টির প্রধানের নেতৃত্বে প্রথম বিক্ষোভ, জনতার ঢল

তেলাপোকা পার্টির প্রধানের নেতৃত্বে প্রথম বিক্ষোভ, জনতার ঢল

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ককরোচ বা তেলাপোকা জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে শনিবার (৬ জুন) সকালে ভারতে ফিরে এসে দিল্লির জন্তর মন্তরে একটি বৃহৎ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন। দলটি প্রকাশ্যে আসার পর এটিই তাদের প্রথম বিক্ষোভ-সমাবেশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়, কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণী অংশ নিয়েছেন।

এ সময়  বিভিন্ন পরীক্ষা ও নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে অভিজিৎ দিপকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানান। এছাড়াও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে উপস্থাপন করা হয় ৫ দফা দাবি।

সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে দিপকে বলেন, ‘বন্ধুরা, এটি দীর্ঘ লড়াই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবির আন্দোলন শুরু করার এক মাস হয়ে গেছে। কিন্তু তারা পদক্ষেপ নেয়ার পরিবর্তে আমাদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা এবং পোস্ট মুছে ফেলার মতো কাজে ব্যস্ত ছিল। আপনারা পোস্ট মুছে ফেলতে পারেন, কিন্তু আমাদের অস্তিত্ব মুছে ফেলতে পারবেন না।’

দলটির পাঁচ দফা দাবিতে যা আছে

যথাযথ প্রশিক্ষণের পর শিক্ষাক্ষেত্রে ডিজিটালায়ন: দিল্লিতে উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়নরত তিন শিক্ষার্থীর বাবা ৫০ বছর বয়সী রাধেশ্যাম কৈথাল বলেন, ‘ব্যাংকিং থেকে শিক্ষা—সবকিছু ডিজিটাল করা হচ্ছে। কিন্তু অনিয়ম কি বন্ধ করা যাচ্ছে? উত্তর হলো না। ব্যাংক জালিয়াতি চলছে, এখন শিক্ষাক্ষেত্রেও ডিজিটাল ব্যবস্থার নেতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে। আমি ডিজিটালায়নের বিরোধী নই, তবে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও সঠিক মূল্যায়নের পর এটি চালু করা উচিত।’

মণিপুরে শিক্ষাব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত করা: বর্তমানে নয়ডায় কর্মরত এবং দুই বছর আগে মণিপুর ছেড়ে আসা ৩২ বছর বয়সী সমাজউদ্যোক্তা উইনসন বলেন, ‘তিন বছর ধরে মণিপুরে অস্থিরতা চলছে। আমার রাজ্যে স্কুল-কলেজসহ কোনো কিছুই স্বাভাবিকভাবে চলছে না। শিক্ষার্থীরা চরম মানসিক চাপে রয়েছে।’

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করা: দিল্লিতে বসবাসকারী জয়পুরের বাসিন্দা ৩৪ বছর বয়সী গায়ত্রী সিং বলেন, ‘আমার এক আত্মীয় পরিবার থেকে দূরে কোটায় একটি ছোট্ট ঘরে থেকে নিট পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সে ভেবেছিল কম র‌্যাংকের কলেজে সুযোগ পেলেও ভর্তি হবে। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা সবকিছু নষ্ট করে দিয়েছে। তিন বছরের বেশি সময় ধরে সে প্রস্তুতি নিয়েছে। এখন তাকে আবার পরীক্ষায় অংশ নিতে কীভাবে উৎসাহ দেব, বুঝতে পারছি না।’

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বাস্তব সমস্যাগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়া: দিল্লির ১৮ বছর বয়সী রোনক কুমার বলেন, ‘আমি অনলাইনে দলটিকে অনুসরণ করছিলাম, কিন্তু বিক্ষোভে আসব কি না নিশ্চিত ছিলাম না। সকাল ১০টায় অফিসে যাওয়ার পথে হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলে এখানে চলে আসি। দলের ভবিষ্যৎ কী হবে জানি না, তবে অন্তত তারা এমন বিষয় নিয়ে কথা বলছে, যা শিক্ষার্থী ও অভিভাবক—সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা: মনোবিজ্ঞানী সুগন্ধা বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আন্দোলনকে মাঠে নামাতে পেরেছে সিজেপি। এর অর্থ হলো তারা এমন বিষয় নিয়ে কথা বলছে, যার সঙ্গে মানুষ নিজেদের সম্পৃক্ত মনে করছে। অনেক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে, লাখো শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপে রয়েছে, অথচ কোনো জবাবদিহি নেই।’

তরুণদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

বিক্ষোভে শত শত মানুষ অংশ নেন, যাদের বেশিরভাগই তরুণ। অনেককে ককরোচের মুখোশ পরে এবং হাতে ফুল নিয়ে উপস্থিত হতে দেখা যায়। অভিভাবকদের সঙ্গে কয়েকজন স্কুলশিক্ষার্থীও কর্মসূচিতে অংশ নেয়। সমাবেশে স্কুল ও কলেজ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তরুণ পেশাজীবীদেরও উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল।

বিক্ষোভস্থলে সিজেপি নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস, সিবিএসইর অন-স্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতিতে অনিয়মের অভিযোগ এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-সংক্রান্ত ত্রুটির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হয়। সমাবেশে ‘ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে’, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করুন’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেয়া হয়।

Friday, June 5, 2026

হঠাৎ ‘উঠে দাঁড়াল’ ঝড়ে উপড়ে পড়া গাছ, এলাকায় চাঞ্চল্য

হঠাৎ ‘উঠে দাঁড়াল’ ঝড়ে উপড়ে পড়া গাছ, এলাকায় চাঞ্চল্য

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঝড়ে পড়ে যাওয়া একটি গাছের ডালপালা কাটার পর সেটি আবার দাঁড়িয়ে গেছে বলে দাবি করছেন এলাকার লোকজন। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় রীতিমতো চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই ইটকে অলৌকিক ঘটনা বলছেন। আবার এখানে অস্বাভাবিক কিছুই ঘটেনি বলে দাবি করছেন অনেকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় মাস আগে এক প্রচণ্ড ঝড়ে মুন্সীবাড়ির পুকুরপাড়ে থাকা বড় আকারের একটি গাছ শিকড়সহ উপড়ে মাটিতে পড়ে যায়। পরে গাছটি বিক্রি করা হলে কাঠুরিয়া গাছের ডালপালা ও বিভিন্ন অংশ কেটে ফেলেন। 


স্থানীয়রা জানান, কাটার কাজ চলাকালীন সময়েই হঠাৎ গাছটির অবশিষ্ট অংশ আবার আগের স্থানে দাঁড়িয়ে যায়। 


বৃহস্পতিবার(৪ জুন) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় ১৫ ফুট উচ্চতার ডালপালাবিহীন গাছের একটি অংশ কিছুটা সামনের দিকে হেলে দাঁড়িয়ে রয়েছে। গাছটির গোড়ার অংশ ও শিকড়ের অংশ এখনও দৃশ্যমান। কেটে ফেলা অংশগুলো পাশে পড়ে রয়েছে। গাছে লাল কাপড় বাঁধা হয়েছে। চারপাশে নিশানা টানানো।

এদিকে গাছটিকে ঘিরে এখন রীতিমতো চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের ওই গাছটি দেখতে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভিড় করছেন।


স্থানীয় বাসিন্দা আবুল বাশার মুন্সী বলেন, প্রচণ্ড ঝড়ে গাছটি পড়ে গিয়েছিল। পরে বিক্রি করে দেওয়া হয়। কাটার পর আবার দাঁড়িয়ে যায়। এটি আল্লাহর কুদরত ছাড়া অন্য কিছু নয়।


এ বিষয়ে গাছের মালিক মাহবুব মুন্সী বলেন, কীভাবে এমন হয়েছে তা আল্লাহই ভালো জানেন। প্রতিদিন বহু মানুষ গাছটি দেখতে আসছেন। কেউ মানত করছেন, কেউ শিকড় নিয়ে যাচ্ছেন।


তবে কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া বলেন, ‘গাছটি ঝড়ে শিকড়সহ উল্টে পড়েছিল। ডালপালা কাটার পর ভারসাম্যের কারণে আবার দাঁড়িয়ে যায়। গোড়ার কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলে পড়ে যাবে। এখানে জিন-ভূতের কিছু নেই। তবে মানুষ কৌতূহলবশত ভিড় করছে।’


এদিকে ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তবে গাছটি কীভাবে পুনরায় দাঁড়িয়ে গেল, তার কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এখনো সামনে আসেনি। স্থানীয়দের কাছে এটি এখন বিস্ময় ও কৌতূহলের এক কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে জলঢাকায় ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন।

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে জলঢাকায় ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন।

 

হাকিম বদিউজ্জামান জলঢাকা (নীলফামারী) :“একটি গাছ একটি প্রাণ, গাছ লাগাই পরিবেশ বাঁচাই” এবং “জাগবে তরুণ, গড়বে দেশ, বাংলাদেশ বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে জলঢাকায় আগামী ৫ বছরে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন ২০২৬) নীলফামারীর জলঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। “তারুণ্যের জলঢাকা ইশতেহার-৭ : গ্রীন জলঢাকা, গ্রেট ফিউচার” বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তারুণ্যের জলঢাকা।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও তরুণ স্বেচ্ছাসেবীরা উপস্থিত থেকে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই সরবরাহ করে না, বরং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তারা আরও জানান, আগামী পাঁচ বছরে জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়কের পাশে, খাস জমি ও জনসাধারণের অংশগ্রহণে ৫০ হাজার ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হবে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব জলঢাকা গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয় এবং প্রতীকীভাবে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়।

Thursday, June 4, 2026

জলঢাকার শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা ছাইয়াতুন নেছাকে  সম্মাননা দিলো,ফিরোজ সাঁই সংগঠন

জলঢাকার শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা ছাইয়াতুন নেছাকে সম্মাননা দিলো,ফিরোজ সাঁই সংগঠন

 


হাকিম বদিউজ্জামান জলঢাকা(নীলফামারী) : নীলফামারীর  জলঢাকা উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় পূর্ব কাঁঠালি ডাঙ্গাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ছাইয়াতুন নেছাকে সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যা ৬ টার দিকে নীলফামারী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ফিরোজ সাঁই স্মৃতি সংসদ আয়োজিত “ঈদ আনন্দ গানে গানে” অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে কিংবদন্তি গীতিকার, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী হরলাল রায় ও মহেশ চন্দ্র রায় সম্মাননা-২০২৬ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিকর্মী ও সমাজসেবক  আবু সালেহ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেতার কণ্ঠশিল্পী শিশির কুমার রায়। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাওয়াইয়া সম্রাট আব্বাস উদ্দিন আহমদ-এর শ্যালক কন্যা নীনা মাশরাফি। অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক ছিলেন কণ্ঠশিল্পী ও সমাজসেবক অ্যাডভোকেট মালা জেসমিন।

বক্তারা বেগম ছাইয়াতুন নেছার শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তার কর্মনিষ্ঠা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। পরে তাকে সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

কিশোরগঞ্জে ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের মরদেহ উদ্ধার, ছেলে পলাতক

কিশোরগঞ্জে ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের মরদেহ উদ্ধার, ছেলে পলাতক

মাহমুদ আল হাছান তিস্তা নিউজ ঃ নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় গর্ভধারিণী মাকে নৃশংসভাবে হত্যার পর শোবার ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখার এক লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার (৩ জুন) মধ্যরাতে উপজেলার উত্তর বড়ভিটা ময়দানপাড়া গ্রাম থেকে ষাটোর্ধ্ব মা মারুফা বেগমের গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ঘাতক ছেলে জুয়েল মিয়া (৪০) পলাতক থাকলেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী ও সন্তানকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (১ জুন) থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ছিলেন মারুফা বেগম। তিনি ওই গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর স্ত্রী। নিহতের ছোট ছেলে লাভিন মিয়া ঢাকা থেকে ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে মাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বুধবার বিকেলে লাভিনের স্ত্রী ঘরের তোষক ঠিক করতে গিয়ে সেখানে জমাট বাঁধা রক্তের দাগ দেখতে পান। এরপর সন্দেহবশত বড় ভাই জুয়েলের শোবার ঘরে গিয়ে দেখা যায়, মেঝের একপাশের মাটি কাঁচা এবং সেখানে ফাটল ধরা।

খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাতভর অভিযান চালায়। রাত ১২টার দিকে জুয়েলের ঘরের মেঝে খুঁড়লে নিখোঁজ মায়ের নিথর দেহ বেরিয়ে আসে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অন্তত দুদিন আগে মাথায় ভারী বস্তু বা হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে মাকে খুন করে জুয়েল। এরপর আলামত লোপাটে মরদেহটি নিজের ঘরের মেঝেতেই পুঁতে রাখে সে এবং স্বাভাবিকভাবে ওই ঘরেই রাত্রিযাপন করে।


কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লুৎফর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের মাথায় গভীর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ছেলে জুয়েলই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বৃহস্পতিবার সকালে নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।


তিনি আরও জানান, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত জুয়েল পলাতক রয়েছে। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী হাসি বেগম (৩৫) ও ছেলে গোলাম রাব্বীকে (১৮) পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ছেলে লাভিন মিয়া বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।


Wednesday, June 3, 2026

বিদ্যুতের দাম বাড়াল সরকার

বিদ্যুতের দাম বাড়াল সরকার

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ দেশে পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে সরকার। বুধবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা মূল্যহার ঘোষণা করে। ঘোষণা অনুযায়ী পাইকারি পর্যায়ে প্রায় ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে ১৬.৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়িয়ে করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এতে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯.৮৫ শতাংশ বেড়েছে ও গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ এপ্রিল দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছিল।