সর্বশেষ

Sunday, June 14, 2026

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পুরো পর্ষদ বাতিল

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পুরো পর্ষদ বাতিল

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ দেশের বৃহত্তম শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদের (বোর্ড অব ডিরেক্টরস) সব সদস্যের নিয়োগ বাতিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ক্ষমতাবলে রোববার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আমানতকারীদের স্বার্থে ও জনস্বার্থে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৭(৩) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেনকে পর্ষদের যাবতীয় ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সূত্রঃ দৈনিক আমার দেশ।


১২ বছরের সোহাগী দিনে পানি পান করে ৪০ লিটার!

১২ বছরের সোহাগী দিনে পানি পান করে ৪০ লিটার!


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ সোহাগী বয়স ১২। যে বয়সে তার মাঠে দৌড়ানোর কথা, বন্ধুদের সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার কথা, সেই বয়সে সে নিজের শরীরটা নিয়েই যেন হাঁপিয়ে উঠেছে।

এই বয়সে তার ওজন ছাড়িয়েছে ৮০ কেজি। প্রতিদিন সে পানি পান করছে ৩৫ থেকে ৪০ লিটার।

অতিরিক্ত ওজন আর অস্বাভাবিক তৃষ্ণা যেন ধীরে ধীরে আটকে দিচ্ছে তার শৈশবের দরজা।

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের তাতারপুর গ্রামের ভ্যানচালক হাফিজুল ইসলামের ছোট মেয়ে সোহাগী।

চার ভাই-বোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট সে।

সোহাগীর মা হাসিনা বেগম জানান, জন্মের পর সবকিছু স্বাভাবিক ছিল।

কিন্তু ৮ মাস বয়সের পর থেকেই শুরু হয় অদ্ভুত পরিবর্তন। বুকের দুধ ছাড়ার পর থেকেই পানির প্রতি তৈরি হয় তার অস্বাভাবিক আকর্ষণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার তৃষ্ণা যেন বাড়তেই থাকে। এখন দিন-রাত মিলিয়ে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ লিটার পানি পান করে সোহাগী। 

অতিরিক্ত পানি আর ওজনের চাপে ফুলে উঠেছে শরীর। বেঁকে গেছে দুই পা। কিছুদূর হাঁটলেই হাঁপিয়ে ওঠে। গরমে কষ্ট বাড়ে আরও। বন্ধ হয়ে গেছে স্কুলে যাওয়া। সমবয়সীদের সঙ্গে খেলায়ও জায়গা হয় না তার।


সোহাগীর বাবা হাফিজুল ইসলাম বলেন, মেয়েকে সুস্থ করতে চেষ্টা করেছি অনেক। কিন্তু তাতে লাভ হচ্ছে না। স্থানীয় চিকিৎসক, হাতুড়ে ডাক্তার যার কাছে সম্ভব হয়েছে সোহাগীর চিকিৎসা করিয়েছি। কিন্তু সমাধান মেলেনি কোথাও। চিকিৎসকেরা বড় হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। কিন্তু টাকার জন্য এখনো সেটা সম্ভব হয়নি।


সোহাগীর দাদি হামিদা বলেন, স্বাভাবিক খাবার খেলেও অস্বাভাবিক পরিমাণ পানি পান করে সোহাগী। সামান্য হাঁটলেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। সময়ের সঙ্গে শরীর আরও ভারী হয়ে উঠছে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই ৪ থেকে ৫ মগ পানি লাগে সোহাগীর। এমন অবস্থায় চিকিৎসার জন্য সরকারি সহযোগিতা ছাড়া তার চিকিৎসা সম্ভব নয় আমাদের পক্ষে।


সোহাগীর বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলাম জানান, এটি গ্রোথ হরমোনজনিত সমস্যা কিংবা মস্তিষ্কের কোনো জটিলতার কারণে হতে পারে। এরই মধ্যে তার কিছু পরীক্ষা নওগাঁ সদর হাসপাতালে করানো হয়েছে। এবং আরও কিছু পরীক্ষার জন্য রাজশাহীতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। 

সূত্রঃ বাংলা নিউজ ২৪।

জামায়াতের তিন নেতার পদ স্থগিত

জামায়াতের তিন নেতার পদ স্থগিত


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ যশোরের মণিরামপুর উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আহসান হাবিব লিটনসহ তিন নেতার পদ স্থগিত করা হয়েছে। নদ খননের মাটি নিলামের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে সংঘর্ষ, হাট ইজারাসহ বিতর্কিত কর্মকাণ্ড এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (১৩ জুন) উপজেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সভাশেষে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পদস্থগিত হওয়া অন্য দুই নেতা হলেন- জেলা শুরা সদস্য মহিউল ইসলাম ও পৌর টিম সদস্য ফারুক হোসেন।

পদ স্থগিতের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এ নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। তবে, তিন নেতার বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও পদ স্থগিতের বিষয়টি নিয়ে জেলা ও উপজেলা জামায়াতের নেতারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ এপ্রিল মণিরামপুরে হরিহর নদ খনন থেকে উত্তোলিত মাটি বিক্রির অর্থ ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহসান হাবিব লিটন, মহিউল ইসলামসহ উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। ওই সময় উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়েও ভাঙচুর চালানো হয়। এ ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াত পৃথকভাবে মণিরামপুর থানায় মামলা করলেও পরে তা আপস করেন দল দুটির নেতারা।

ওই ঘটনার পর বিষয়টির কারণ অনুসন্ধানে তিন সদস্যের একটি তদন্তে কমিটি গঠন করে জেলা জামায়াত। যার প্রধান ছিলেন- জেলা কর্মপরিষদ সদস্য আরশাদুল আলম। সদস্য ছিলেন- জেলা সহকারী সেক্রেটারি মনিরুল ইসলাম এবং দলটির সহযোগী সংগঠন জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল মালেক।

তারা সরেজমিনে মণিরামপুরে গিয়ে সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার কারণ সম্পর্কে অবহিত হন। তদন্তে আহসান হাবিব লিটনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠে আসে। গত সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী গাজী এনামুল হক এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই লিটনের প্রশাসনিক প্রভাব খাটানো, গরুর হাট ইজারায় অংশগ্রহণের নামে অর্থ কামানোসহ তার নানা বিতর্কিত কাজের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে তদন্ত কমিটি।

এছাড়া ৩০ এপ্রিলের সংঘর্ষের ঘটনায় আহসান হাবিব লিটন, মহিউল ইসলাম এবং ফারুক হোসেনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণও মেলে। যার পরিপ্রেক্ষিতে জেলা জামায়াত এ তিন নেতার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়।

গত শুক্রবার উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘জরুরি দায়িত্বশীল বৈঠকে’ আহসান হাবিব লিটনকে দুই মাসের জন্য এবং মহিউল ইসলাম তিনমাস ও ফারুক হোসেনকে দুই মাসের জন্য দলীয় পদ স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়। সভায় ইউনিয়ন পর্যায়ের আমির ও সেক্রেটারিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উপস্থিত একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, উপজেলা আমির ফজলুল হক ওই সময় ঢাকায় দলীয় বৈঠকে অবস্থান করায় জেলার জামায়াতের সিদ্ধান্তের বিষয়টি উপজেলা সেক্রেটারি খলিলুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। বিষয়টি প্রথমদিকে চাপা থাকলেও এখন তা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।

এ বিষয়ে জানতে শাস্তিপ্রাপ্ত সহকারী সেক্রেটারি আহসান হাবিব লিটনকে মোবাইলে কল দিলে তিনি প্রথমে রিসিভ করেননি। এরপর কল করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

জানতে চাইলে উপজেলা জামায়াতের আমির ফজলুল হক বলেন, দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আমি সাংবাদিকদের কোনো কথা বলতে চাই না।

তবে, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও ঘটনার তদন্তে গঠিত কমিটির প্রধান আরশাদুল আলম স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, মণিরামপুরের তিন নেতার দুই ও তিন মাসের জন্য পদ স্থগিত করা হয়েছে। কী কারণে স্থগিত করা হয়েছে, তা তিনি বলেননি।

এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হয় জেলা জামায়াতের প্রচার সেক্রেটারি শাহাবুদ্দীন বিশ্বাসের সঙ্গে। তিনি  বলেন, দলের ভেতরে কারো বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের কোনো অভিযোগ উঠলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এটি দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ ব্যাপারে কোনো বক্তব্য দিতে চাই না।


সূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর।

Friday, June 12, 2026

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা নিখোঁজ

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা নিখোঁজ

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পশ্চিমের সাবেক সভাপতি জিসান আহম্মেদ প্রধান নিখোঁজ হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল মসজিদে এশার নামাজ আদায় করার পর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বর্তমান ছাত্র পরিবহন সম্পাদক মো. আসিফ আব্দুল্লাহ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরিবার জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার থেকেই তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। ইতোমধ্যে থানায় জানানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে দাউদকান্দি মডেল মসজিদে এশার নামাজ শেষ করার পর থেকেই জিসান আহম্মেদ প্রধানের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

অনলাইন মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপে গতকাল রাত ৮টা ২৯ মিনিটে তাকে সর্বশেষ সক্রিয় (অ্যাক্টিভ) দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকেই তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।


সূত্রঃ বার্তা বাজার।

জামায়াত ও আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে অর্ধশত গাছ কাটার অভিযোগ

জামায়াত ও আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে অর্ধশত গাছ কাটার অভিযোগ

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ রংপুরে জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগের দুই নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির প্রায় অর্ধশত গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম উপেক্ষা করে গাছগুলো গোপনে বিক্রি করার পাঁয়তারা করছেন তারা। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটি মিঠাপুকুর উপজেলার লতিবপুর ইউনিয়নের ঘটেছে। সেখানকার ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি সাফায়াত আলী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা বিপ্লব মিয়ার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গাছগুলো কেটে ওই ইউনিয়নের তিনতলা হাট ঈদগাহ মাঠে স্তূপ করে রাখা হয়েছে। কোনোপ্রকার নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই গাছগুলো গোপনে বিক্রি করার পাঁয়তারা চলছে।

এক গাছ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে গাছের দরদাম ঠিক করে অগ্রিম ১০ হাজার টাকা গ্রহণ করার তথ্য পাওয়া গেছে। বায়নার টাকা নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তুষার নামের একজন কাঠ ব্যবসায়ী।

জানা গেছে, উপজেলার লতিবপুর ইউনিয়নের তিনতালার হাট থেকে লতিবপুর গ্রামের সঙ্গে সংযুক্ত একটি কাঁচা রাস্তা রয়েছে। সেই রাস্তার দুই পাশে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় লাগানো সারি সারি ইউক্লিপটাস গাছ রয়েছে। সম্প্রতি ঝড়ে সেখানকার ৪-৫টি গাছ উপড়ে পড়ে যায়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঝড়ে উপড়ে পড়া গাছগুলো সরিয়ে নেওয়ার অযুহাতে আরও প্রায় ৫০টি গাছ কাটা হয়।

দেখা যায় রাস্তার পাশে থাকা মোটা গাছগুলোই কাটা হয়েছে। কিন্তু সামাজিক বনায়ন থেকে কোনো অনুমতি বা টেন্ডার হয়নি। এমনকি গাছগুলো রোপণকরা সমিতির নাম বা কোনো সদস্যের সঠিক নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। প্রকাশ্যে দিবালোকে রাস্তার গাছ কাটা হলেও দুই নেতার দাপটে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেন না।

লতিবপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মোস্তাফিজার রহমান বলেন, রাস্তার গাছ কাটার নিয়মনীতি আছে। গাছগুলো কাটতে হলে টেন্ডার এবং যথাযথ প্রক্রিয়া মানতে হবে। জামায়াতের পরিচয়ে কেউ অন্যায় করার সুযোগ নেই। তারপরও আমরা খোঁজ নিয়ে দেখবো।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লতিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) এক সদস্য বলেন, আমি গাছগুলো কাটার বিষয়ে জানতে পেরে তাদের অনুমতির বিষয়ে বলেছিলাম। কিন্তু তারা গুরুত্ব দেননি। বলছে, “গাছ যারা লাগিয়েছে তারাই কাটবে”। আমি তাদের বলেছি, গাছ যেই রোপণ করুক জমিটা কার, কিন্তু তারা বোঝেনি।

এ বিষয়ে লতিবপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি সাফায়েত আলীর বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঝড়ে পড়া গাছ কাটা হয়েছে বলে দাবি করেন। অন্যান্য গাছ কর্তন ও গাছ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তা এড়িয়ে যান।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা বিপ্লব মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে মিঠাপুকুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আশিক জামান বলেন, সরকারি রাস্তায় থাকা গাছ নিয়ম না মেনে কাটার সুযোগ নেই। কেউ রাস্তার গাছ কেটে থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সূত্রঃ বার্তা বাজার।

জলঢাকায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত।

জলঢাকায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত।

 

হাকিম বদিউজ্জামান জলঢাকা( নীলফামারী ) : নীলফামারীর জলঢাকায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে “Startup Science Project and Innovation Idea Showcasing-2026” অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ১০টায় আলহাজ্ব মোবারক হোসেন অনির্বাণ বিদ্যাতীর্থ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফি। সভাপতিত্ব করেন জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি।

 উপজেলা নির্বাহী অফিসার জলঢাকা 

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা তাদের বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প, উদ্ভাবনী ধারণা ও স্টার্টআপ মডেল উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আশরাফুজ্জামান মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জলঢাকা উপজেলা ,মাফরুহা আক্তার মাধ্যমিক সুপার ভাইজার জলঢাকা উপজেলা রোকনুজ্জামান চৌধুরী প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব মোবারক হোসেন অনির্বাণ বিদ্যাতীর্থ উচ্চ বিদ্যালয় এবং আমিনুর রহমান প্রধান শিক্ষক জলঢাকা মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক, প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী চিন্তাধারায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, তরুণদের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতাই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ এবং বাস্তবমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করতে এ ধরনের বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনভিত্তিক আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোঃ আব্দুল্লা

সিনিয়র শিক্ষক আলহাজ্ব মোবারক হোসেন অনির্বাণ বিদ্যাতীর্থ উচ্চ বিদ্যালয় 

পরে অতিথিবৃন্দ বিভিন্ন স্টল ও প্রকল্প পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উদ্ভাবনী কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুধীজনদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

Thursday, June 11, 2026

নীলফামারীতে জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের জনশক্তিদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

নীলফামারীতে জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের জনশক্তিদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

 

মাহমুদ আল হাছান তিস্তা নিউজ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীলফামারী জেলা প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের উদ্যোগে জনশক্তিদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) সকাল ১২.০০ ঘটিকায় নীলফামারী জেলা জামায়াত অফিসে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগীয় সেক্রেটারি এ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বশীলদের আরও দক্ষ, সচেতন ও সক্রিয় হতে হবে। ইসলামী আন্দোলনের আদর্শ, কর্মসূচি ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম গণমানুষের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরতে প্রচারকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি জনশক্তিদের পেশাদারিত্ব, দায়িত্বশীলতা এবং আধুনিক গণমাধ্যম ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন নীলফামারী জেলা প্রচার ও মিডিয়া বিভাগীয় সেক্রেটারি অধ্যাপক ছাদের হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুল কাদিম এবং প্রেস ক্লাব জলঢাকা-এর সভাপতি আলহাজ্ব কামারুজ্জামানসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও প্রচার-মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বশীলরা।

সভায় প্রচার ও মিডিয়া কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয় এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, নীলফামারী জেলা প্রচার ও মিডিয়া বিভাগ।