সর্বশেষ

Friday, January 9, 2026

বর্তমান বাংলাদেশে কোন রাজাকার নেই: জামায়াত নেতা মেজর আখতারুজ্জামান

বর্তমান বাংলাদেশে কোন রাজাকার নেই: জামায়াত নেতা মেজর আখতারুজ্জামান


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ পূর্বপুরুষদের কৃতকর্মের জন্য পরবর্তী প্রজন্মকে দায়ী করা যায় না, এ কথা ধর্মগ্রন্থেও উল্লেখ রয়েছে- এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীতে সদ্য যোগদানকারী ও মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান। তিনি দাবি করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে নাটোর সদর উপজেলার বড় হরিশপুর এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রোকন সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় আখতারুজ্জামান বলেন, রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস ছিল পাকিস্তানিবাহিনীর সহযোগী সংগঠন এবং তারা আত্মসমর্পণের পর পাকিস্তানে ফিরে গেছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে বাংলাদেশে কোনো রাজাকার নেই।

তিনি আরও বলেন, আমাদের শত্রু ছিল পাকিস্তানিবাহিনী, জামায়াতে ইসলামী নয়। জামায়াতে ইসলামীতে কেউ মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী বা স্বাধীনতা বিরোধী নেই। আমরা কেউ স্বাধীনতাবিরোধী নই। এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে।

রোকন সমাবেশে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. মীর নুরুল ইসলাম, নাটোর-২ সদর আসনের জামায়াত প্রার্থী ইউনুস আলীসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পাবনা ১ ও পাবনা ২ আসনের নির্বাচন স্থগিত

পাবনা ১ ও পাবনা ২ আসনের নির্বাচন স্থগিত


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ সীমানা জটিলতায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশে পাবনা-১ ও ২ আসনে নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) এই তথ্য জানা গেছে। 

বিষয়টি নিশ্চিত করে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, আপিল বিভাগের আদেশেই এই সিন্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

Thursday, January 8, 2026

জামায়াতে যোগ দেওয়া মেজর আখতারের ছেলে খেলাফত মজলিস ভাই স্বতন্ত্র প্রার্থী

জামায়াতে যোগ দেওয়া মেজর আখতারের ছেলে খেলাফত মজলিস ভাই স্বতন্ত্র প্রার্থী

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ জামায়াতে ইসলামীতে সদ্য যোগদানকারী বিএনপি নেতা পরপর দুবারের সাবেক এমপি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জনের বড় ছেলে মো. শাহরিয়ার জামান বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ও ছোট ভাই সাবেক এমপি মো. আনিসুজ্জামান খোকন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর পর আলোচনায় উঠে এসেছে এ পরিবারটি।


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া) আসনে বাবা মেজর আখতারুজ্জামান জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম মোড়লের জন্য তার সমর্থকদের নিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। অপরদিকে তার বড় ছেলে মো. শাহরিয়ার জামান বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী ও ছোট ভাই মো. আনিসুজ্জামান খোকন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোটে অংশগ্রহণ করায় নির্বাচনি আসনটির সর্বমহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।


বাবা, ছেলে ও ভাই একই নির্বাচনি আসনে ত্রিমুখী অবস্থানে থেকে ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক অবস্থান সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পরিবারের তিন সদস্য তিনটি ভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করছেন—যা স্থানীয় রাজনীতিতে বিরল ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


বিএনপির থেকে সাবেক দুবারের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর তার এই দলবদল কিশোরগঞ্জ-২ আসনের রাজনীতিতে নতুনমাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।


অন্যদিকে রঞ্জনের ছোট ভাই সাবেক সংসদ সদস্য মো. আনিসুজ্জামান খোকন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনি মাঠে রয়েছেন। স্থানীয় পর্যায়ে তার রয়েছে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পৃক্ততা। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তার অংশগ্রহণ ভোটের সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এছাড়া আখতারুজ্জামান রঞ্জনের ছেলে মো. শাহরিয়ার জামান বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন।


একই পরিবারের সদস্যদের ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক পথ বেছে নেওয়ার বিষয়টি এলাকায় রাজনৈতিক কৌতূহল ও ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। ভোটাররা বিষয়টিকে দেখছেন ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে, কেউ এটিকে রাজনৈতিক স্বাধীনতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ একে পারিবারিক বিভাজনের প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করছেন।


স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিসুজ্জামান খোকন জানান, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় আমি ময়মনসিংহ-১৯ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলাম। পরবর্তীতে আমি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাই। তবে দীর্ঘ ৪০ বছরেও আমেরিকার নাগরিকত্ব গ্রহণ করিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-২ ও ঢাকা ১৭ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেব নির্বাচন করছি। আমার বড় ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামান রঞ্জন আমার ১২ বছর পরে বিএনপিতে এসে পরপর দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। আমি নিজে যুদ্ধ করেছি, প্রকৃত ইতিহাস আমি জানি।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. শাহরিয়ার জামান জানান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে আমি কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছি। নতুন প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। দল যে সিদ্ধান্ত নিবে আমি সেইটা মেনে নেব। বড় চাচা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করবে। চাচা দীর্ঘদিন রাজনীতির সঙ্গে জড়িত; তিনি নির্বাচন করতেই পারেন। একই পরিবারের দুইজন প্রার্থী সেইটাকে সমস্যা হিসাবে দেখছি না। ভোটাররা যাকে রায় দেবে সেটা মেনে নেব।

বিএনপি থেকে জামায়াতে যোগদানকৃত আখতারুজ্জামান রঞ্জন জানান, গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে যে কেউ নির্বাচন করতে পারে। সে হিসাবে আমার ছেলে ও ভাই নির্বাচন করছে এটি দোষের কিছু নাই। জামায়াতের সঙ্গে সেহেতু বাংলাদেশ খেলাফতে মসজিদ জোট হচ্ছে ছেলে হয়তো নির্বাচন প্রত্যাহার করবে। ভাইয়ের বিষয় বলতে পারি না গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচন করতে পারে।

জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠন, দায়িত্বে যারা

জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠন, দায়িত্বে যারা


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মা’ছুমকে আহ্বায়ক এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমকে সদস্যসচিব করে এ কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটি গঠনের পর এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলাল, মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, মোবারক হোসাইন, মো. আব্দুর রব, আ ফ ম আব্দুস সাত্তার, অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, প্রফেসর ডা. নজরুল ইসলাম, প্রফেসর ডা. এ কে এম ওয়ালিউল্লাহ, সাবেক অতিরিক্ত সচিব খন্দকার রাশেদুল হক, সাবেক সিনিয়র সচিব মু. সফিউল্লাহ, সাবেক সচিব আব্দুল কাইয়ুম, সাবেক সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) গোলাম মোস্তফা, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সফিকুল ইসলাম, মেজর (অব.) মুহাম্মদ ইউনুস আলী, জাহিদুর রহমান, অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম, রাজিবুর রহমান পলাশ, ইঞ্জিনিয়ার ড. জুবায়ের আহমদ, ড. হাফিজুর রহমান, অধ্যাপক সাইফুল্লাহ মানছুর, ড. মোস্তফা মনোয়ার, মঞ্জুরুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

জকসুতে বিজয়ীদের জামায়াত আমিরের অভিনন্দন

জকসুতে বিজয়ীদের জামায়াত আমিরের অভিনন্দন


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (জকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের বিজয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া এক পোস্টে তিনি জকসু নেতাদের শুভেচ্ছা জানান।

এর আগে বুধবার জকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফল অনুযায়ী, মোট ২১টি পদের মধ্যে ১৬টিতেই জয় পেয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল।

৩৮টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে দেখা যায়, সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে শিবির সমর্থিত প্রার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৯৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, ছাত্রদল সমর্থিত ও ছাত্রঅধিকার পরিষদের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি একেএম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট।

জকসুতে যে ৫ পদে হারল শিবির

জকসুতে যে ৫ পদে হারল শিবির


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল। ২১টি পদের মধ্যে ভিপি, জিএস, এজিএসসহ ১৬টি পদে জয়ী হয়েছেন এই প্যানেলের প্রার্থীরা।

অন্যদিকে, ছাত্রদল ও ছাত্র অধিকার পরিষদ সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেল সম্পাদকীয় তিন পদে ও কার্যনির্বাহী সদস্যসহ মোট চার পদে জয়লাভ করেছে। এছাড়া কার্যনির্বাহী পদে স্বতন্ত্রভাবে জয়ী হয়েছেন জাহিদ হাসান।

বুধবার মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সহসভাপতি (ভিপি) পদে শিবির সমর্থিত প্রার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম ৫ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত ও ছাত্র অধিকার পরিষদের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি এ কে এম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন শিবিরের আব্দুল আলিম আরিফ; তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭৫ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২ হাজার ২০৩ ভোট।

এছাড়া সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে শিবিরের মাসুদ রানা ৫ হাজার ২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, যেখানে ছাত্রদলের আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৪৪ ভোট।

নির্বাচনে ৪টি পদে জয় পেয়েছে ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেল। সম্পাদকীয় তিনটি পদ হলো—সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক: তাকরিম মিয়া (৫,৩৮৫ ভোট), পরিবহন সম্পাদক: মাহিদ হোসেন (৪,০২৩ ভোট), পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক: মো. রিয়াসাল রাকিব (৪,৬৯৮ ভোট)।

এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য পদের সাতটির মধ্যে পাঁচটিতে জিতেছে শিবির এবং একটিতে জিতেছে ছাত্রদল। আরেকটিতে জয়লাভ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী।

ছাত্রদল থেকে নির্বাচিত সদস্য হলেন—মোহাম্মদ সাদমান আমিন (৩,৩০৭ ভোট)। কার্যনির্বাহী সদস্য পদে অন্যজন জাহিদ হাসান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছেন।

দেশে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

দেশে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ দেশে আজ বৃহস্পতিবার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ‍্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড।

গতকাল বুধবার এক নোটিশে এ ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রাখা হবে বলে জানিয়েছে তারা।

নোটিশে বলা হয়, আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে আমাদের ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সব এলপি গ্যাস বিপণন ও সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এছাড়া সব কোম্পানি প্ল্যান্ট থেকে গ্যাস উত্তোলন কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

এর আগে বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের দাবি তুলে ধরে এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি মানা না হলে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের হুমকি দেয় তারা। এরপর সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেন তারা।

সকালে সমিতির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) থেকে নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য সমন্বয় করতে হবে। প্রশাসন দিয়ে পরিবেশকদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধ করতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ থাকবে।