সর্বশেষ

Tuesday, March 10, 2026

তিতুমীর কলেজে নীলফামারী জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

তিতুমীর কলেজে নীলফামারী জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

 


হাকিম বদিউজ্জামান জলঢাকা নীলফামারী ঃ  সরকারি তিতুমীর কলেজ ঢাকায় অধ্যয়নরত নীলফামারী জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন নীলফামারী জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ–এর নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন কমিটির নেতৃত্বে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আল মুরাদ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মেহেদী হাসান হিমেল।

নবনির্বাচিত সভাপতি আল মুরাদ বলেন, “আমরা চাই দলমত নির্বিশেষে জেলার সকল শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের একাডেমিক ও ক্যারিয়ার গঠনের পথ দেখাতে। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে নীলফামারী জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদকে একটি পরিবার হিসেবে গড়ে তুলব এবং শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকব, ইনশাআল্লাহ।”

সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, “বাংলাদেশের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত প্রাণের জেলা নীলফামারী দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। আমি চাই অর্থনীতির পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও এ জেলার মানুষের অবস্থান প্রথম সারিতে দৃশ্যমান হোক। সেই লক্ষ্যেই তিতুমীর কলেজে অধ্যয়নরত নীলফামারী থেকে আগত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় যেন সহজ হয়—সে জন্য আমরা কাজ করব। আমরা একে অপরের প্রতি সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব রাখব এবং শিক্ষার্থীদের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়াবো।”

তিনি আরও বলেন, “সকল প্রকার রাজনৈতিক সম্পর্কের ঊর্ধ্বে গিয়ে আমরা ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই। এর মাধ্যমে আমাদের মধ্যে শক্ত ঐক্য তৈরি হবে, যা তিতুমীর কলেজে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

এদিকে সংগঠনের সদ্য সাবেক সভাপতি ও বর্তমান উপদেষ্টা সোয়াইব খান বলেন, “নীলফামারী জেলার প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন ঢাকার বুকে এই সংগঠনের মাধ্যমে একটি পরিবার খুঁজে পায়—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সবার মধ্যে ঐক্য, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করতেই নতুন কমিটি দায়িত্বশীলভাবে কাজ করবে।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নতুন নেতৃত্বে সংগঠনটি শিক্ষা, মানবিকতা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আরও উচ্চতায় পৌঁছাবে।

নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, নীলফামারী জেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য জোরদার করে সংগঠনটি ভবিষ্যতে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

নেতানিয়াহু কি সত্যিই মারা গেছেন?

নেতানিয়াহু কি সত্যিই মারা গেছেন?

নেতানিয়াহু 

 তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ঘিরে মৃত্যু বা আহত হওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। মূলত গত কয়েক দিন ধরে নেতানিয়াহুকে জনসমক্ষে বা কোনো ভিডিও বার্তায় দেখা না যাওয়ায় এই গুঞ্জন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির হিব্রু ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েক দিনে নেতানিয়াহুর প্রকাশ্য উপস্থিতি না থাকায় এ জল্পনা আরো জোরালো হয়েছে।

নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত চ্যানেলে শেষ ভিডিও প্রকাশের পর প্রায় তিন দিন পার হয়ে গেছে এবং তার সর্বশেষ ছবি প্রকাশের পর প্রায় চার দিন হয়ে গেছে। এর পর থেকে তার নামে যেসব বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, সেগুলো কেবল লিখিত আকারে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে নিয়মিতই নেতানিয়াহুর ভিডিও প্রকাশ করা হতো। কখনো প্রতিদিন একটি, আবার কখনো দুই থেকে তিনটি ভিডিওও প্রকাশ পেত।

কিন্তু গত তিন দিনে কোনো ভিডিও প্রকাশ না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

এদিকে কয়েকটি সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, ৮ মার্চ নেতানিয়াহুর বাসভবনের নিরাপত্তা বলয় আরো জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে সম্ভাব্য আত্মঘাতী ড্রোন হামলা ঠেকাতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং ট্রাম্পের বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফের আজকের নির্ধারিত ইসরায়েল সফর বাতিল হওয়ার ঘটনাও এ জল্পনার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে।

এ ছাড়া ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর সঙ্গে নেতানিয়াহুর এক ফোনালাপের বিষয়ে এলিসি প্যালেস একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও সেখানে কথোপকথনের নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি; কেবল ওই আলোচনার লিখিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে।

তবে এসব তথ্যের ভিত্তিতে যে জল্পনা ছড়িয়েছে, তা এখনো কোনো সরকারি সূত্রে নিশ্চিত করা হয়নি।

রাঙামাটিতে এনসিপি থে‌কে একসঙ্গে ৮৭ জ‌নের পদত্যাগ

রাঙামাটিতে এনসিপি থে‌কে একসঙ্গে ৮৭ জ‌নের পদত্যাগ


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাঙামাটি জেলার যুগ্ম সদস্যসচিব উজ্জ্বল চাকমার পদত্যাগের ৫ দিন পর জুরাছড়িতে দলটির উপজেলা কমিটির আহ্বায়কসহ ৮৭ জন পদত্যাগ করেছেন।

সোমবার (৯ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটি জেলা কমিটির সদস্য ও জুরাছড়ি উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক অসিম চাকমা।

সোমবার এক বিশেষ সভায় উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক অসিম চাকমাসহ পূর্ণাঙ্গ কমিটির সব সদস্য গণপদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। পরে এ সংক্রান্ত পদত্যাগপত্র রাঙামাটি জেলা কমিটির কাছে পাঠানো হয়।

উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক দেবাশীষ চাকমা বলেন, ১ জানুয়ারি রাঙামাটি জেলা কমিটি জুরাছড়ি উপজেলার ৮৭ সদস্যের কমিটি ছয় মাসের জন্য অনুমোদন দেয়। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তারা সম্মিলিতভাবে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।


পদত্যাগী নেতারা জানান, জুলাই আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে তারা দলে যোগ দিয়েছিলেন। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বড় একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করার মাধ্যমে এনসিপি তার স্বকীয়তা ও আদর্শ থেকে সরে এসেছে বলে তাদের মনে হয়েছে।

দলটির বর্তমান অবস্থানের সঙ্গে তাদের আদর্শিক অবস্থান মিলছে না। এ কারণে সব সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

অসিম চাকমা বলেন, এই পরিস্থিতিতে আমাদের পক্ষে সেই আদর্শকে লালন করা আর সম্ভব হচ্ছে না। তাই আজ থেকে আমি এনসিপির রাঙামাটি জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জুরাছড়ি উপজেলা আহ্বায়কসহ সব সাংগঠনিক পদ থেকে পদত্যাগ করেছি।

কোনো রাজনৈতিক দলের চাপের কারণে পদত্যাগ করা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তারা কোনো রাজনৈতিক দলের চাপে পদত্যাগ করেননি।


এনসিপির রাঙামাটি জেলা শাখার আহ্বায়ক বিপিন জ্যোতি চাকমা জুরাছড়ি উপজেলা কমিটির গণপদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সাংগঠনিক পদত্যাগপত্র আমাদের কাছে পৌঁছেছে।


এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক মনজিলা সুলতানা ঝুমা জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয় কয়েকজন নেতাকর্মীর মাধ্যমে পদত্যাগের খবর পেয়েছেন। তবে সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী যে কমিটি থেকে অনুমোদন দেওয়া হয়, সেই কমিটির কাছে লিখিতভাবে পদত্যাগপত্র পাঠাতে হয়।

তারা নিয়ম মেনে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন কি না, তা জানা নেই তার।


সূত্রঃ দৈনিক কালের কণ্ঠ।

যুদ্ধবিরতির জন্য চীন-রাশিয়া ও ফ্রান্সের আবেদন, যে শর্ত দিল ইরান

যুদ্ধবিরতির জন্য চীন-রাশিয়া ও ফ্রান্সের আবেদন, যে শর্ত দিল ইরান


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরাইলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে চীন, রাশিয়া ও ফ্রান্স। দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি বলেছেন, যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে ইরানের প্রথম শর্ত হলো— তাদের বিরুদ্ধে আর কোনো আগ্রাসন চালানো যাবে না।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের ওপর যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এরপর ইরান পালটা হামলা হিসেবে ইসরাইলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে।

এতে করে যুদ্ধটি পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ মঙ্গলবার ফ্লোরিডায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে খুব শিগগিরই যুদ্ধ বন্ধ হবে। যুদ্ধ কয়েকদিনের মধ্যেও থেমে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান র‍্যাপিডান এনার্জি গ্রুপের পরিসংখ্যান বলছে, চলমান এই সংঘাতের ফলে বিশ্বের আনুমানিক ২০ শতাংশ তেল সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। ১৯৫৬-৫৭ সালের সুয়েজ খাল সংকটের সময়ের রেকর্ডের তুলনায় এটি প্রায় দ্বিগুণ।

ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) একজন মুখপাত্র রোববার জানিয়েছেন, তেহরান এই অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটি ও ‘কৌশলগত স্বার্থের’ ওপর হামলা চালাতে তাদের সামরিক সক্ষমতার ৬০ শতাংশ ব্যবহার করছে।

সূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর।

Monday, March 9, 2026

জামায়াত নেতা তাহেরের আসনের ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ

জামায়াত নেতা তাহেরের আসনের ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ

ডাঃ সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের 


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কুমিল্লা ১১ আসনের জয়ী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ডা.সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের আসনের ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিট ও অন্যান্য নির্বাচনি সরঞ্জামাদি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

সোমবার (৯ মার্চ) কারচুপির অভিযোগের মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন কুমিল্লা ১১ আসনের মো. কামরুল হুদা।

এছাড়াও  ময়মনসিংহ ২ এবং সিরাজগঞ্জ ৪ আসনের ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিট ও অন্যান্য নির্বাচনি সরঞ্জামাদি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

ময়মনসিংহ ২ আসনের মোতাহের হোসেন তালুকদার ও সিরাজগঞ্জ ৪ আসনের এম. আকবর আলী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। 

প্রসঙ্গত, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ২০ এর অধিক প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। শুনানির জন্য আবেদনগুলো গ্রহণ করে ওইসব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন।

হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় এই বেঞ্চে অন্যান্য দেওয়ানি এখতিয়ারের সঙ্গে দেখা যায়, ‘২০০১ ইং সনের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ ইং সনের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ মোতাবেক ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র; যেসব বিষয় এই বেঞ্চে স্থানান্তরিত হইবে এবং উপরোল্লিখিত বিষয়াদি সংক্রান্ত রুল, আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করিবেন।’

সৌদিতে মিসাইল হামলায় কিশোরগঞ্জের জামায়াতের কর্মী নিহত

সৌদিতে মিসাইল হামলায় কিশোরগঞ্জের জামায়াতের কর্মী নিহত

বাচ্চু মিয়া 


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ সৌদি আরবে ইরানের মিসাইল হামলায় কিশোরগঞ্জের এক প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। 

রোববার (৮ মার্চ) ইফতারের আগ মুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে মিসাইল বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনি নিহত হন।


নিহত নাম বাচ্চু মিয়া (৩৫) কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ফেকামারা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রইস উদ্দিনের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বাচ্চু মিয়া দুই কন্যা সন্তানের জনক। তাদের মধ্যে একজন কন্যা মানসিক প্রতিবন্ধী। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


স্থানীয় সূত্র জানায়, বাচ্চু মিয়া সৌদি আরব শাখা জামায়াতে ইসলামীর একজন কর্মী ছিলেন। দেশে থাকাকালেও তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। কটিয়াদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মোজাম্মেল হক জোয়ারদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে কটিয়াদী উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে মক্কা প্রবাসী ইমরান হুসাইন বলেন, যে এলাকায় মিসাইল হামলার ঘটনা ঘটেছে সেখানে একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। ঘটনার পর নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করে যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে: ট্রাম্প

নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করে যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে: ট্রাম্প


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ কখন শেষ হবে, সেই সিদ্ধান্ত তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই নেবেন। 

রোববার (৮ মার্চ) এক সংক্ষিপ্ত টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন বলে ‘টাইমস অব ইসরায়েল’-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। 


মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্টভাবে বলেছেন, এই যুদ্ধ সমাপ্তির বিষয়টি একটি ‘যৌথ’ সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে এবং তিনি ও নেতানিয়াহু এই বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। ট্রাম্পের মতে, পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সঠিক সময়েই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।


সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এক চাঞ্চল্যকর দাবি করে বলেন, তিনি এবং নেতানিয়াহু যদি নেতৃত্বে না থাকতেন, তবে ইরান এতক্ষণে ইসরায়েলকে ধ্বংস করে দিত। তিনি বলেন, ‘ইরান ইসরায়েল এবং এর চারপাশের সবকিছু ধ্বংস করতে চেয়েছিল। 

আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি এবং এমন একটি দেশকে ধ্বংস করেছি যারা ইসরায়েলকে মানচিত্র থেকে মুছে দিতে চেয়েছিল।’ ট্রাম্পের এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত ঐক্য কতটা সুগভীর। তিনি মনে করেন, তাঁদের যৌথ পদক্ষেপের কারণেই ইরান এখন অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে।


ইরান যুদ্ধের সমাপ্তি কি কেবল ট্রাম্পের একক সিদ্ধান্তে হবে নাকি নেতানিয়াহুরও সেখানে সমান ভূমিকা থাকবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি এটি অনেকটা যৌথ সিদ্ধান্তের মতোই হবে। আমরা এ নিয়ে আলোচনা করছি। তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সব ধরনের বাস্তবতা বিবেচনায় রাখা হবে।’ 


যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো কারণে আক্রমণ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে ইসরায়েল এককভাবে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে কি না—এমন সম্ভাবনা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ট্রাম্প। তবে তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে যোগ করেছেন, এ ধরনের কোনো পরিস্থিতির প্রয়োজন পড়বে বলে তিনি মনে করেন না।


বিশ্লেষকরা ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ইসরায়েলের ওপর ওয়াশিংটনের প্রভাব এবং একই সঙ্গে নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন। ট্রাম্প বারবার উল্লেখ করেছেন, বর্তমান সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ইরানের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে। 


এই যুদ্ধ ঠিক কোন পর্যায়ে গিয়ে থামবে এবং এর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ কী হবে, তা নিয়ে এখন বিশ্বজুড়ে জল্পনা চলছে। তবে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যকার এই ‘যৌথ সিদ্ধান্ত’ মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।