সর্বশেষ

Thursday, March 19, 2026

তিস্তা নদীতে অবৈধ পাথর উত্তোলন, সংঘর্ষে আহত ২০

তিস্তা নদীতে অবৈধ পাথর উত্তোলন, সংঘর্ষে আহত ২০


মাহমুদ আল হাছান তিস্তা নিউজ: নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় তিস্তা নদীতে অবৈধ পাথর উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সাংবাদিক ও পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।


বুধবার (১৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের একতা বাজার ও তেলিবাজার সংলগ্ন তিস্তা নদীর চরে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিস্তা নদীতে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র বোমা মেশিন ব্যবহার করে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করে আসছিল। এ অবস্থায় টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন নদী থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা দেন।
বুধবার সকালে ওই চক্রটি আবারও পাথর উত্তোলন শুরু করলে খবর পেয়ে চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন কয়েকজন গ্রাম পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এ সময় পাথর উত্তোলনকারী চক্রের সদস্যরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে চেয়ারম্যানসহ উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়।


খবর পেয়ে থানা পুলিশ ও স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা তাদের ওপরও হামলা চালায়। এতে অন্তত তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হন এবং পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন টেপাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন। এছাড়া স্থানীয় ইউনিয়ন জামায়াত নেতা আফসার আলী, আনোয়ার হোসেন, লোকমান, পুলিশ সদস্য রবিউল ইসলাম ও ঠাকুরদাস, ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি আরেফিন এবং ক্যামেরাম্যান আবু রায়হানসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়।

হামলার সময় ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের ক্যামেরা ও একটি স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া উত্তেজিত পাথর উত্তোলনকারীরা পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে।

আহতদের ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গুরুতর আহত চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
চাঁদপুরে ৬ মুসল্লিকে নিয়ে ঈদের নামাজ আদায়

চাঁদপুরে ৬ মুসল্লিকে নিয়ে ঈদের নামাজ আদায়


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ৬ মুসুল্লিসহ হাজীগঞ্জের সাদ্রায় ঈদ-উল-ফিতরের জামাত করলেন মাওলানা আবু বক্কর ছিদ্দিক। তিনি সাদ্রা দরবার শরীফের প্রয়াত পীর মাওলান ইছহাক সাদ্রাবীর মেজো ছেলে।

কয়েক যুগ ধরে হাজীগঞ্জ উপজেলা বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের সাদ্রা দরবার শরীফের পীরের অনুসারী ৪০টি গ্রাম সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে একদিন আগে ঈদ করেন। তার মৃত্যুর পর গতবছর থেকে উনার বংশধরদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা গেছে। এতে করে বর্তমান পীর মুফতি আরিফ বিল্লাহ সাদ্রাবীর ও তার চাচা জাকারিয়া আল মাদানী সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে একদিন আগে পৃথক পৃথক জামাতের মাধ্যমে ঈদ করেন।

তার অপর চাচা মাওলানা আবু বকর ছিদ্দিক গত বছর থেকে দুইদিন আগে ঈদের জামাত করে আসছেন। তারই ধারাবাহিকতায় এবারো তিনি ৬ মুসুল্লি নিয়ে তার নিজ বাড়ির আঙিনায় ঈদু-উল-ফিতরের জামাত আদায় করলেন। জামায়াতে তিনি নিজেই ইমামতি করেন।


তিনি জানান বিশ্বের যেকোনো দেশে চাঁদ দেখা গেলে এবং ঈদ উদযাপন হলে সে সাথে ঈদ করা জায়েজ। গতকাল আফগানিস্তানে চাঁদ দেখা গেছে এবং আজ সেখানে ঈদ-উল-ফিতর উদযাপিত হয়েছে। আমরা তাদের সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করছি।

সূত্রঃ দৈনিক আমার দেশ।

পদধারী বড় নেতাদের চেয়ে বেশি জনপ্রিয়তায়ই কাল হয়েছে আমার

পদধারী বড় নেতাদের চেয়ে বেশি জনপ্রিয়তায়ই কাল হয়েছে আমার

 

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা 
তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা মনে করেন, বিএনপির বড় নেতাদের চেয়ে তার বেশি জনপ্রিয়তাই ‘কাল’ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। 

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টকশোতে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কার প্রসঙ্গে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রুমিন ফারহানার ভাষ্য, অসুস্থতা ও কারাবরণের কারণে খালেদা জিয়া যখন রাজনীতি থেকে ক্রমে দূরে সরতে থাকেন, তখন থেকেই তার প্রতি কারও কারও বিরূপ মনোভাব তৈরি হয়। ‘যারা আমার ওপর নাখোশ ছিল, তারা আমাকে হিংসা করত। মূলত পদধারী বড় নেতাদের চেয়ে আমার জনপ্রিয়তা বেশি হওয়ায় আমি টার্গেটে পরিণত হই। 

টকশোতে রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ‘যেদিন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া মারা যান, সেদিনই বিএনপি আমাকে বহিষ্কার করল।সকাল ৬টায় দেশনেত্রী তিনি মারা যান, আর আমাকে বিকাল ৪টায় বহিষ্কার করা হয়।দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে আমাকে বহিষ্কার করা হয়।মূলত বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় এই বহিষ্কারাদেশ। অথচ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের তখনও ১০-১৫ দিন সময় বাকি ছিল, সেটুকুও অপেক্ষা করা হয়নি।’
বহিষ্কারের পর মানসিকভাবে ‘হালকা’ অনুভব করছেন জানিয়ে এই নেত্রী বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে একটি ব্যর্থ দলকে ডিফেন্ড করার যে চাপ ছিল, তা থেকে মুক্তি পেয়েছি। বিভিন্ন নির্বাচনের সময় টকশোতে উপস্থাপকরা মুচকি হেসে প্রশ্ন করতেন—এবার কী করবেন? এই চাপ বহন করা সহজ ছিল না,’ যোগ করেন তিনি।  
তিনি আরও অভিযোগ করেন, শুধু প্রতিপক্ষই নয়, দলের ভেতরের নেতাকর্মীদের একটি অংশও তাকে নানাভাবে হেনস্তা করেছে। ‘অনলাইনে বড় নেতাদের খুশি করতে কিছু লোক আমাকে তাচ্ছিল্য ও অপমান করত। আওয়ামী লীগের লোকজনের পাশাপাশি বিএনপির ভেতরের অনলাইন গ্রুপের আক্রমণেরও শিকার হয়েছি,’ বলেন তিনি।

সবশেষে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এই দল থেকে বের হয়ে আজ আমি যেন সেই চাপ ও হেনস্তা থেকে মুক্তি পেয়েছি।’

প্রসঙ্গত, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থেকে গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর মারা যান। ওইদিনই দলের স্থায়ী কমিটির সভায় রুমিন ফারহানাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে দলের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন।

যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী

যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ আপাতত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গুলশান অ্যাভেনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানে নিজের বাসায় থাকবেন। সরকারি বাসভবন যমুনায় উঠছেন না।

তারেক রহমান গুলশানের নিজের যে ছোট বাসাটি তাতে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। সেজন্য তারেক রহমান দেশে ফেরার পর এই বাসায় উঠেছেন। সেই ভাবে বাসাটি সাজানো-গুছানো হয়েছে।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, ঈদে সকাল ৮টায় জাতীয় ঈদগাহে আসবেন প্রধানমন্ত্রী। ঈদের নামাজ আদায় করে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সকাল ১০টা থেকে যমুনায় শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী।

১৭ বছরের নির্বাসন ভেঙে গেল বছরের ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে ঢাকায় ফিরে গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে সপরিবারে ওঠেন তারেক রহমান, এর পর থেকে সেখানেই বাস করছেন। পাশেই ‘ফিরোজা’ নামের বাড়িটিতে থাকতেন তার মা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

১৯৬ নম্বর বাড়িটি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পরে তার সহধর্মিনী খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভা।

গত বছর এ বাড়ির দলিলপত্র বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে হস্তান্তর করেন গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম রিজু।

জলঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অনুদান পেল  ৫০০ পরিবার

জলঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অনুদান পেল ৫০০ পরিবার


মাহমুদ আল হাছান তিস্তা নিউজ ঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ত্রাণ তহবিলের অনুদান পেল নীলফামারী - ৩ (জলঢাকা) আসনের ৫০০ পরিবার। উপজেলার ৫০০টি অসহায় পরিবারকে নগদ ২ হাজার টাকা করে মোট ১০ লক্ষ টাকা সহায়তা প্রদান করা হয়। 

আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ অনুদান বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কার্যক্রম উদ্বোধন করেন  নীলফামারী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী।

মাওলানা সালাফী বলেন, ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং অসহায় মানুষের কষ্ট লাঘবে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে সারাদেশের ন্যায় নীলফামারী -৩ আসনেও এ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি সমাজের বিত্তবানদেরও মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এমপির নিকট থেকে অনুদান পেয়ে উচ্ছসিত গোলনা ইউনিয়নের মজনুর রহমান বলেন - "কোনো এমপি এভাবে কখনও সরাসরি টাকা দিয়েছে কি-না আমি জানি না। টাকা পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত।" তিনি এমপির জন্যে প্রাণভরে দোয়া করেন। কৈমারী ইউনিয়ন থেকে আগত শৈলেন চন্দ্র টাকা পেয়ে অভিভূত। তিনি বলেন, আগে কখনও এভাবে টাকা পাই নাই। একইরকম অনুভূতি ব্যাক্ত করেছেন বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত সুবিধাভোগি নারী পুরুষগণ। ঈদের আগে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ সহায়তা পেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন উপকারভোগীরা।

তারা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ঈদের আগে এ সহায়তা তাদের পরিবারের জন্য স্বস্তি বয়ে এনেছে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল আলম, জেলা জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি প্রভাষক সাদের হোসেন, উপজেলা আমির মোখলেছুর রহমান, নায়েবে আমির ও প্রেসক্লাব সভাপতি কামরুজ্জামান এবং খুটামারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রকিবুল ইসলামসহ প্রমুখ।

Wednesday, March 18, 2026

জলঢাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

জলঢাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত


মাহমুদ আল হাছান তিস্তা নিউজ ঃ নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকদের সম্মানে এক মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জলঢাকা উপজেলা শাখা। বুধবার ১৮ মার্চ সন্ধ্যায় উপজেলার দলীয় কার্যালয়, আল ফালাহ মসজিদের দ্বিতীয় তলায় এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মোখলেছুর রহমান মাস্টার। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফি। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম, জেলা কর্মপরিষদ ও সুরা সদস্য প্রভাষক সাদের হোসেন, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও জলঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব কামারুজ্জামান, উপজেলা সেক্রেটারি মোয়াম্মার আল হাসান এবং পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক রিংকু প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় জলঢাকা প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ জার্নালিস্ট ইউনিয়ন জলঢাকা শাখা, রিপোর্টার্স ক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা, উন্নয়ন সম্ভাবনা এবং গণমাধ্যমের দায়িত্ব নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সাংবাদিকরা জাতির দর্পণ। সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অবহেলা ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়গুলো গণমাধ্যমে তুলে ধরার মাধ্যমে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, একটি সমাজ বা এলাকার উন্নয়ন তখনই সম্ভব হয় যখন সেখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। আর এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাংবাদিকরা যদি নিরপেক্ষভাবে সত্য তুলে ধরেন, তাহলে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকল মহল সচেতন হয়ে ওঠে এবং সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়।
সভায় বক্তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সুসম্পর্ক বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, রাজনৈতিক সংগঠন ও গণমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সহজ হয়। এজন্য নিয়মিত মতবিনিময় ও আলোচনা সভার আয়োজন প্রয়োজন বলে মত দেন বক্তারা।

Tuesday, March 17, 2026

জলঢাকায় বিজেইউজে'র পরিচিতি সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

জলঢাকায় বিজেইউজে'র পরিচিতি সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

 

হাকিম বদিউজ্জামান বুলেট জলঢাকা ঃ  বাংলাদেশ জার্নালিস্ট ইউনিয়ন জলঢাকা-বিজেইউজে'র পরিচিত সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে, নীলফামারীর জলঢাকা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে। আজ ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) বিকাল ৫'০০ টায় অনুষ্ঠিত পরিচিত সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিজেইউজে'র প্রধান উপদেষ্টা ও নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য  মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,জলঢাকা থানার অফিসার ইন-চার্জ  নাজমুল আলম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জলঢাকা উপজেলার আমির  মোখলেছুর রহমান মাস্টার, নায়েবে আমির ও জলঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি  আলহাজ্ব কামারুজ্জামান, জলঢাকা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জনাব মোয়াম্মার আল হাছান, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফয়সাল মুরাদ,জলঢাকা প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি জনাব শাহজাহান কবির লেলিন, জামায়াত নেতা জনাব ওমর ফারুক। অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক সহ গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ অংশগ্রহন করেন। সংগঠনটির সভাপতি মাহমুদ আল হাছান এর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মোঃ তুহিনুর রহমানের সঞ্চালনায় 

ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় সংসদ সদস্য বলেন, সাংবাদিকগণ সমাজের দর্পন, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। তারা সমাজ রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে চলমান অসঙ্গতি ও অনিয়ম চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালব করেন। তিনি সাংবাদিকগনকে হলুদ সাংবাদিকতা পরিহার করে দেশ ও জাতির কল্যানে ইতিবাচক তথ্য প্রচার ও গঠনমুলক ভুমিকা পালনের আহ্বান জানান।