জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন স্থানীয় বিএনপি নেতা। তিনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রধান অতিথি ও জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুস সাত্তারের নাম ঘোষণা করেননি। এ সময় সংসদ সদস্য অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করার সময় বিএনপির একাংশ তাকে লক্ষ্য করে রাজাকার ও স্বাধীনতাবিরোধী স্লোগান দিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে পুলিশের কঠোর হস্তক্ষেপে দুই পক্ষ শান্ত হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও অনুষ্ঠানের সঞ্চালক মাসুদ বিন আমিন সুমন বলেন, উপজেলা প্রশাসনের স্ক্রিপ্টে প্রধান অতিথির নাম আলাদা করে ছিল না।
ডোমার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নিয়াজ মেহেদী জানান, উভয় পক্ষের মধ্যে এক ধরনের ভুল বোঝাবুঝির কারণে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই ছিল।
এদিকে জামায়াত এমপির দাবি, জাতীয় দিবসের এই আয়োজনে দলীয় নেতাকর্মীদের পরিবর্তে সরকারি কর্মকর্তাদের দিয়ে সঞ্চালনা করা উচিত ছিল। ভবিষ্যতে এমন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।


