সর্বশেষ

Friday, January 16, 2026

যে ২০ আসন পেলো মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

যে ২০ আসন পেলো মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জেটের আসন সমঝোতায় ২৫৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা হয়েছে। জোটের অংশ হিসেবে মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০ আসনে প্রার্থী দেবে।

খেলাফত মজলিস যে আসনগুলো পেয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- সিরাজগঞ্জ-৩, ময়মনসিংহ-২, নেত্রকোনা-১, কিশোরগঞ্জ-৩, মানিকগঞ্জ-৩, ঢাকা-১৩, গাজীপুর-৩, নরসিংদী-৩, ফরিদপুর-২, গোপালগঞ্জ-২, মাদারীপুর-২, শরীয়তপুর-১, সুনামগঞ্জ-৩, মৌলভীবাজার-৪, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫, চাঁদপুর-১, চট্টগ্রাম-৫, রাঙামাটি, কিশোরগঞ্জ-১ এবং ফরিদপুর-৪। দলীয় সূত্র জানায়, এসব আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নিজস্ব প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছে।

Thursday, January 15, 2026

সংবাদ সম্মেলন নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাল ইসলামী আন্দোলন

সংবাদ সম্মেলন নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাল ইসলামী আন্দোলন


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা হতে পারে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে। এ উপলক্ষে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে আসছে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ফজলুল করিম মারুফ।

এ ছাড়া রাত সোয়া ৮টায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ইসলামী আন্দোলন জানায়, নির্বাচনি সমঝোতা বিষয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে, রাত সাড়ে ৮টার পর রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ১১ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়েছে।

সংসদ নির্বাচনে ১৭৯ আসনে লড়বে জামায়াত

সংসদ নির্বাচনে ১৭৯ আসনে লড়বে জামায়াত


মাহমুদ আল হাছান তিস্তা নিউজ ঃ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় নির্বাচনি সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা হয়েছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী লড়বে ১৭৯টি আসনে।

বৃহস্পতিবার রাত ৮টার পর রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা করা হয়।

এর আগে নির্বাচনি সমঝোতা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সকালে বৈঠকে বসেন জামায়াতসহ ১০টি দলের শীর্ষ নেতারা। অবশ্য এতে ইসলামী আন্দোলনের কেউ যোগ দেননি। রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রুদ্ধদ্বার ওই বৈঠকে আসন সমঝোতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা ঘোষণা, কোন দল কত আসন পেল

১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা ঘোষণা, কোন দল কত আসন পেল


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৫০টি আসনে সমঝোতার কথা জানানো হয়।

আজ বৃহস্পতিবার রাতে আসন সমঝোতা ঘোষণা করেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

তিনি বলেন, আসন সমঝোতায় জামায়াত ১৭৯টি, এনসিপি ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি, এলডিপি ৭টি, এবি পার্টি ৩টি, বিডিপি ২টি ও নেজামে ইসলাম ২টি আসনে নির্বাচন করবে।

আর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাগপা ও খেলাফত আন্দোলনের আসনের বিষয়টি এখনও নির্ধারণ করা যায়নি বলে জানান জামায়াতের নায়েবে আমির।

১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত, ইসলামী আন্দোলন পাচ্ছে কতটি?

১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত, ইসলামী আন্দোলন পাচ্ছে কতটি?

 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১০ দলের রুদ্ধদ্বার সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জামায়াতসহ ১০টি দলের মধ্যে ২৫০ আসনে সমঝোতা হয়েছে। আর সভায় অংশ না নেওয়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য রাখা হয়েছে ৫০টি আসন। 

সভা সূত্রে জানা যায়, সভায় এই জোটের নাম রাখা হয়েছে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক‍্য’।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত ৮টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ২৫০ আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। আর ইসলামী আন্দোলনকে শেষ পর্যন্ত এই সমঝোতায় রাখতে আলোচনার জন্য ১০ দলের পক্ষ থেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মামুনুল হককে।

সভায় কোন দলকে কতটি আসনে ছাড় দেওয়া হবে, বৈঠকে সেটি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের শেষ পর্যায়ে খেলাফত মজলিসের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মোহাম্মদ মুনতাসির আলী জামায়াত কার্যালয়ের বাইরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজ রাত ৮টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ২৫০ আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে। ৫০ আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে ইসলামী আন্দোলনের জন্য। তারা না এলে পরবর্তী সময় বাকি আসনেও প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।’

দুপুরে চলমান বৈঠক থেকে বেরিয়ে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান সাংবাদিকদের জানান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হককে। তিনি চরমোনাই পীরের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মামুনুল হক বলেন, ‘১০ দলের উপস্থিতিতে বৈঠক শেষ হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতের সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।’ তিনি ইসলামী আন্দোলনকে সঙ্গে নিয়েই আসন ঘোষণা করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ১১ দলীয় জোটের রাজনৈতিক গুরুত্ব আছে।

এই জোট নিয়ে আকাঙ্ক্ষার জায়গা আছে, এটা জনগণ বুঝে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উত্তরণ হবে, এটা সবার প্রত্যাশা। যেসব মতভিন্নতা হয়েছে অল্প সময়ের মধ্যে সেগুলো কেটে যাবে। শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করা হবে এই জোট যেন অটুট থাকে। কারও মতানৈক্য থাকলেও জোট প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ৩০০ আসনে কোনো দলীয় প্রার্থী হবে না, সবাই জোটের প্রার্থী হবে। সবাই সবাইকে সহযোগিতা করবে।

সভায় জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ইউসুফ সাদিক হক্কানী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান প্রমুখ অংশ নিয়েছেন।

এই বৈঠকে অংশ না নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ইসলামী আন্দোলনের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘বৈঠকের বিষয়ে তারা সকাল ১০টার দিকে জানতে পেরেছেন। সে কারণে প্রস্তুতি নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি, তবে জামায়াতের সঙ্গে তাদের আলোচনা চলমান। এখনো আলোচনার দরজা বন্ধ হয়নি। আলাদা হয়ে যাওয়ারও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

বৈঠকে ১০ দলীয় নেতারা, আসেনি চরমোনাইয়ের দল

বৈঠকে ১০ দলীয় নেতারা, আসেনি চরমোনাইয়ের দল


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দল নিয়ে প্রক্রিয়াধীন সমঝোতা এখন ১০ দলীয় রূপ নিচ্ছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও আসন সমঝোতা নিয়ে বৈঠক করছেন ১০ দলের শীর্ষ নেতারা।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার পর রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। এতে যোগ দেয়নি চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

সূত্রমতে, বৈঠকে উপস্থিত আছেন— জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহসভাপতি রাশেদ প্রধান এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), নেজামে ইসলাম পার্টি ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) নেতারা।

এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়েরসহ ১০ দলের অন্যান্য নেতা বৈঠকে উপস্থিত আছেন। এই বৈঠক থেকে নির্বাচনি সমঝোতার বিষয়ে ঘোষণা দিতে সংবাদ সম্মেলনের করার সিদ্ধান্ত হবে বলে জানা গেছে।

ভেঙেই গেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট

ভেঙেই গেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ শেষ পর্যন্ত ভেঙেই গেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট। জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিক দল চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন জামায়াত জোটে থাকছে না। আজই আনুষ্ঠানিকভাবে এটা জানিয়ে দেয়ার কথা রয়েছে।

গত এক সপ্তাহ ধরে জোট শরীকদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনার পর ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে কমপক্ষে ৮০ আসন না ছাড়া হলে তাদের পক্ষে জোটে থাকা সম্ভব নয়। এ পরিস্থিতিতে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন ছাড়া জোটের অন্য শরীকরা আলাদা ভাবে বৈঠক করেন। সেখান থেকে খেলাফত মজলিসের একাংশের আমীর মাওনালা মামুনুল হক আবারো চরমোনাইয়ের পীরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আসন বন্টন নিয়ে মধ্যস্থতার চেষ্টা করে তিনি ব্যর্থ হন। গভীর রাতে জামায়াতের একজন নেতাকে পুরো পরিস্থিতি অবহিত করেন মাওলানা মামুনুল হক।

জোটের একাধিক শরিক ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, চরমোনাইয়ের পীরের দল ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বার্তা দেয়া হয়েছে জোটে থাকা সম্ভব হচ্ছে না।

চরমোনাইয়ের পীরের দল জোটে না থাকলেও অন্য সব দল জোটে থাকছে বলে নিশ্চিত করেছেন শরীক দলের একাধিক নেতা। অর্থাৎ ১১ দলীয় জোট এখন ১০ দলীয় জোট হতে যাচ্ছে। জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিমের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান—আজ দুপুরের মধ্যে জোটের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসবেন। এরপর গতকাল স্থগিত হওয়া সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

খেলাফত মজলিসের একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, জোটের অন্য শরিকরা ঐক্যবদ্ধ থাকার ব্যাপারে একমত হয়েছেন।

তিনি আরো জানান—নতুন করে কিছু আসনে বিন্যাস হতে পারে, তবে তাতে কোনো সমস্যা হবে না।

জোটের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, জোটে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির যোগদানের পর থেকে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে চাপ বাড়তে থাকে। এনসিপির জোটে যোগদানকে স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এরপর দলটি দাবি করে—১৪৩টি আসনে তাদের বিজয়ী হওয়ার মতো সমর্থন আছে। এনসিপি ও জামায়াতের প্রভাবশালী নেতাদের আসন দাবি করে দলটি।


প্রথমে ইসলামী আন্দোলনের জন্য ৪০ আসন ছাড়া হয়, পরে ৪৫টিতে গিয়ে দাঁড়ায়। এর সঙ্গে ৬ থেকে ৭টি আসন উন্মুক্ত রাখার প্রস্তাব দেয়া হয়। কিন্তু ইসলামী আন্দোলন ৮০ আসনের জন্য ছিল অনঢ়। জোটে অন্য শরিকরা চরমোনাইয়ের পীরকে বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। অপরদিকে ৮০ আসন ছাড়ার কোনো সুযোগ ছিল না জামায়াতের। কারণ এতে সম্ভাবনাময় আসনগুলো শুধু হাতছাড়া হবে না, একটি দলকে বিপুল সংখ্যক আসন ছাড়লে অন্যদলগুলোর পক্ষ থেকে আরো বেশি আসন দাবি করা হতো। এ পরিস্থিতিতে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সেটা সফল হয়নি।


চরমোনাইয়ের পীরের ইসলামী আন্দোলনের ২৬৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এসব আসনে এখন তারা হাতপাখা প্রতীক নিয়ে আলাদা নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে।


জোট ভাঙার খবর কয়েকদিন থেকে চাউর হলেও বুধবার ব্যাপকভাবে এটা ছড়িয়ে পড়ে। জামায়াত জোট বিকাল ৪টায় প্রেস কনফারেন্স ডাকলেও শেষ পর্যন্ত চরমোনাইর পীরের সঙ্গে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত না হওয়ায় তিনি প্রেস কনফারেন্সে যোগ দিতে অপারগতা জানান। ফলে প্রেস কনফারেন্সই স্থগিত হয়ে যায়। রাতে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসান মাহবুব জুবায়ের জোটে সমস্যার কথা স্বীকার করলেও এটা কেটে যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। কিন্তু কাল সারাদিন ও রাতেও চেষ্টা চালিয়ে সমঝোতায় পৌঁছা যায়নি। শেষ পর্যন্ত আজ সকালে জোট ভাঙার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।