সর্বশেষ

Thursday, March 26, 2026

নীলফামারীতে জামায়াত এমপির স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান বর্জন

নীলফামারীতে জামায়াত এমপির স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান বর্জন


মাহমুদ আল হাছান তিস্তা নিউজ ঃ নীলফামারীর ডোমারে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জামায়াত এমপির নাম ঘোষণা না করাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এক পর্যায়ে অনুষ্ঠান বর্জন করেন নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আব্দুস সাত্তার। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে ডোমার হাইস্কুল মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন স্থানীয় বিএনপি নেতা। তিনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রধান অতিথি ও জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুস সাত্তারের নাম ঘোষণা করেননি। এ সময় সংসদ সদস্য অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করার সময় বিএনপির একাংশ তাকে লক্ষ্য করে রাজাকার ও স্বাধীনতাবিরোধী স্লোগান দিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে পুলিশের কঠোর হস্তক্ষেপে দুই পক্ষ শান্ত হয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও অনুষ্ঠানের সঞ্চালক মাসুদ বিন আমিন সুমন বলেন, উপজেলা প্রশাসনের স্ক্রিপ্টে প্রধান অতিথির নাম আলাদা করে ছিল না।

ডোমার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নিয়াজ মেহেদী জানান, উভয় পক্ষের মধ্যে এক ধরনের ভুল বোঝাবুঝির কারণে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই ছিল।

এদিকে জামায়াত এমপির দাবি, জাতীয় দিবসের এই আয়োজনে দলীয় নেতাকর্মীদের পরিবর্তে সরকারি কর্মকর্তাদের দিয়ে সঞ্চালনা করা উচিত ছিল। ভবিষ্যতে এমন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। 

জলঢাকায় পল্লী বিদ্যুৎ এর সরকারি খুঁটি (পোল) বিক্রির অভিযোগ কালোবাজারে

জলঢাকায় পল্লী বিদ্যুৎ এর সরকারি খুঁটি (পোল) বিক্রির অভিযোগ কালোবাজারে

 

হাকিম বদিউজ্জামান, জলঢাকা (নীলফামারী): নীলফামারীর  জলঢাকায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ দিন দিন বেড়েই চলেছে। অভিযোগ রয়েছে, অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে সরকারি বিদ্যুতের পোল  বিক্রি করা হচ্ছে এবং সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, একাধিকবার অভিযোগ দায়ের করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। বরং কর্মকর্তাদের নীরবতা এসব অনিয়মকে আরও উৎসাহিত করছে বলে তারা মনে করছেন।

বালাগ্রাম ইউনিয়নের  ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মন্থেরডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা মো. সাইদুল ইসলাম জানান, নতুন নির্মিত বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করেছেন। তার বাড়ি থেকে নিকটস্থ বিদ্যুতের খুঁটির (পোল)দূরত্ব ১৪০ ফুট হওয়ায় তাকে জানানো হয়, ১৩০ ফুটের বেশি দূরত্ব হলে নতুন একটি পোল স্থাপন করতে হবে এবং সেটি নিজ খরচে কিনতে হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, পল্লী বিদ্যুতের তালিকাভুক্ত ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত লাইনম্যান মো. জিয়াউর রহমান জিয়া তাকে একটি পোল দেওয়ার কথা বলে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন এবং অগ্রিম ৫ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। পাশাপাশি ওয়্যারিংয়ের জন্য আরও ৬ হাজার টাকা দাবি করে ৩ হাজার টাকা অগ্রিম নেন।

সাইদুল ইসলামের অভিযোগ, টাকা নেওয়ার পর বিষয়টি প্রকাশ না করার জন্য তাকে চাপ দেওয়া হয় এবং প্রকাশ করলে সরকারি নির্ধারিত ২৮,৫০০ টাকা ফি দিতে হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।

এ ধরনের অভিযোগ শুধু বালাগ্রাম ইউনিয়নেই সীমাবদ্ধ নয়; উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকেও একই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে জলঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম মেহেদী মাসুদের সঙ্গে ২৫/০৩/২৬ বুধবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি অসুস্থতার কথা জানিয়ে বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরে জানাবেন।”

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে সাধারণ মানুষ হয়রানি থেকে মুক্তি পায়।

জিয়াউর রহমানের নাম উচ্চারণ না করায় বিএনপির অনুষ্ঠান বর্জন

জিয়াউর রহমানের নাম উচ্চারণ না করায় বিএনপির অনুষ্ঠান বর্জন


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উচ্চারণ না করাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠান বর্জন করেছে উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠন। 

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, উপজেলা কৃষি সম্প্রাসারণ কর্মকর্তা তিলোত্তমা রায় তমার উপস্থাপনা ও কুচকাওয়াজ পূর্বে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদ ফাতেমার স্বাগত বক্তব্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম একবারের জন্য উচ্চারণ করেননি। এ কারণে প্রতিবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠান বয়কট করেন উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এ সময় মিছিল করে সমাবেশস্থল থেকে বেরিয়ে যান বিএনপি নেতাকর্মীরা। পরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েকজনের মাধ্যমে ইউএনও নাহিদ ফাতেমা ক্ষমা চেয়ে পুনরায় বক্তব্য প্রদান করার শর্তে বিএনপির নেতাকর্মীদের অনুষ্ঠানে ফিরিয়ে আনা হয়।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার ক্ষমতা থাকার পরেও উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামটি একবারের জন্য উচ্চারণ করার প্রয়োজন মনে করেননি। তার প্রতিবাদে আমরা অনুষ্ঠান বর্জন করে বেরিয়ে এসেছিলাম। পরে ইউএনও ক্ষমা চেয়ে পূর্বের বক্তব্য প্রত্যাহার করে পুনরায় বক্তব্য প্রদান করার শর্তে আমাদের অনুষ্ঠানে ফিরিয়ে নিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা এমন ঘাপটি মেরে বসে থাকা আওয়ামী লীগের দোসরমুক্ত বিজয়নগর উপজেলা প্রশাসন চাই। এ বিষয়ে ইউএনও নাহিদ ফাতেমার সঙ্গে একাধিকবার মোবাইলে যোগাযোগ করে বক্তব্য নিতে চেষ্টা করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে গীতা পাঠ করতে জামায়াত এমপির ‘না’, শোনেননি ইউএনও

স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে গীতা পাঠ করতে জামায়াত এমপির ‘না’, শোনেননি ইউএনও

অধ্যাপক মুজিবুর রহমান 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের এমপি ও কেন্দ্রীয় জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে গীতা পাঠ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খানকে মোবাইল ফোনে তিনি এ নির্দেশনা দেন। 

ইউএনও আজ বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এমপির এমন নির্দেশনা না মেনেই মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের পাশাপাশি গীতা পাঠও করানো হয়।

ইউএনও সাংবাদিকদের জানান, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালনের অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র কোরআন তিলাওয়াত করতে হবে, গীতা পাঠ করানো যাবে না। কয়েকদিন আগে মোবাইল ফোনে ইউএনওকে কেন্দ্রীয় জামায়াতের নায়েবে আমির ও এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমন নির্দেশনা দেন। এরপর গতকাল ২৫ মার্চ সকালে গণহত্যা দিবস পালন উপলক্ষে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আলমগীর হোসেনসহ বিএনপির নেতারা।

এসময় উপজেলা জামায়াত আমিরকে উদ্দেশ করে ইউএনও নাঈমা খান বলেন, ‘এমপি স্যার তো গীতা পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। তাহলে আমরা কী করব?’ এমন প্রশ্নের জবাবে উপজেলা জামায়াতের আমির ইউএনওকে বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় নিয়মে যেটা আছে সেটাই করবেন।’ 

এরপর আজ বৃহস্পতিবার তানোরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে কোরআন তিলাওয়াতের পাশাপাশি গীতা পাঠও করা হয়।

জানতে চাইলে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘ইউএনও সাহেবকে এভাবে বলেননি এমপি সাহেব।

তিনি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গীতা পাঠ করা যাবে না বলেছিলেন। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে গীতা পাঠ করতে নিষেধ করেছিলেন এটি সঠিক নয়।’

এ বিষয়ে এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের বক্তব্য নিতে তার ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে একাধিক বার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাঈমা খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘এমপি স্যার মোবাইল করে মহান স্বাধীনতা দিবসে গীতা পাঠ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেন কয়েকদিন আগে। কিন্তু রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান রাষ্ট্রীয় নিয়মে পালন করতে হবে।

এ কারণে কোরআন তিলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান করা হয়েছে।’


সূত্রঃ দৈনিক কালের কণ্ঠ।

থানায় ঢুকে ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের মারধর, ৮ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা

থানায় ঢুকে ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের মারধর, ৮ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পৌর মালিকানাধীন দোকানের তালা খুলে না দেওয়ায় ওসিসহ-এসআইসহ ৮ পুলিশ সদস্যকে মারধর করেছে যুব জামায়াত নেতারা। এ ঘটনায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৫ মার্চ) রাত ১০টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় এ ঘটনা ঘটে। পরে উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন বাদী হয়ে পলাশবাড়ি থানায় ৮ জামায়াত নেতাসহ অজ্ঞানামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

পলাশবাড়ী-গোবিন্দগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রশিদুল বারী সাংবাদিকদের জানান, যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় প্রবেশ করেন। তারা থানার ওসি সারোয়ারে আলমকে বিবাদমান একটি দোকান তালাবদ্ধ করতে বলেন। তিনি রাজি না হলে পলাশ ও তার লোকজন পুলিশের ওপর চড়াও হন। পরে মারধর করেন। এতে আহত হন ওসিসহ ও এসআইসহ ৮ পুলিশ সদস্য।

পুলিশ সুপার বলেন, পৌরসভার মালিকানাধীন কালিবাড়ি বাজারে একটি দোকানের তালা লাগানোকে কেন্দ্র করে বিক্ষুদ্ধ যুব জামায়াত নেতারা পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ওসি সরোয়ারে আলম, এসআই রুহুল আমীনসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে মারধর করেন।

খবর পেয়ে পলাশবাড়ী থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি শান্ত হয়। বিষয়টি শুনে পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের আমির আবু বক্কর সিদ্দিক থানায় এসে পৌঁছান।

আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে দলীয় কেউ জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনারা মামলা করতে পারেন। পলাশবাড়ি থানার ওসি সরোয়ার আলম জানান, অভিযুক্ত ৮ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে এসআই রুহুল আমিন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। শীঘ্রই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Wednesday, March 25, 2026

শত্রুতার জেরে মরিচ ক্ষেতে বিষ প্রয়োগ ও গাছ কেটে নষ্টের অভিযোগ

শত্রুতার জেরে মরিচ ক্ষেতে বিষ প্রয়োগ ও গাছ কেটে নষ্টের অভিযোগ


বদিউজ্জামান জলঢাকা (নীলফামারী) : নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে রশিদপুর পাটোয়ারি পাড়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মরিচ ক্ষেত নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আব্দুর জব্বার বুধবার (২৫ মার্চ) দুপুরে জলঢাকা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুর প্রায় ১টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে প্রতিপক্ষ ফয়জুল ও তার সহযোগীরা ৩২ শতক জমির মরিচ গাছ কেটে ও উপড়ে ফেলে সম্পূর্ণ নষ্ট করে দেয়।তারা আরও জানায় এই ঘটনার একদিন আগে জমিতে বিষ প্রয়োগ করে তারা।

এতে প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী আব্দুর জব্বার। তিনি জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

এ বিষয়ে তিনি দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাজমুল আলম বলেন, ভুক্তভোগীর  অভিযোগ আমরা পেয়েছি । বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
যশোর ও খুলনা দখলে বাংলাদেশি হিন্দুদের সাহায্য চান বিজেপি নেতা

যশোর ও খুলনা দখলে বাংলাদেশি হিন্দুদের সাহায্য চান বিজেপি নেতা

শমীক ভট্টাচার্য 

তিস্তা ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক ঃ বাংলাদেশের যশোর ও খুলনা অঞ্চলকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত করার হুমকি দিয়েছেন ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এ জন্য তিনি বাংলাদেশি হিন্দুদের সহায়তা চেয়েছেন।

বুধবার কলকাতায় বিজেপির এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই হুমকি দেন। এ সময় তার পাশে ছিলেন মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক সময়কার সহযোগী বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমরা পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ করতে দেব না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তার বি-টিম হুমায়ুন কবীররা যত‌ই চেষ্টা করুক, বাবরি মসজিদ আমরা বানাতে দেব না।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশি হিন্দুরা বাংলাদেশ ভেঙে জমি নিয়ে ভারতে আসুন। যশোর, খুলনাকে ভারতে শামিল করুন।

সূত্রঃ দৈনিক আমার দেশ।