সর্বশেষ

Saturday, March 21, 2026

উৎসবমুখর বিরোধীদলীয় নেতার মিন্টুরোডের বাসভবন

উৎসবমুখর বিরোধীদলীয় নেতার মিন্টুরোডের বাসভবন


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার বিকেলে ২৯ মিন্টুরোডে বিরোধীদলের সরকারি বাসভবনে এই শুভেচ্ছাবিনিময় করেন তিনি। এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, পেশাজীবী সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে সেখানে বেশ উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় উপলক্ষে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনটিতে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা দুটি প্যান্ডেল স্থাপন সহ আকর্ষণীয় সাজসজ্জা করা হয়। তবে বাসভবন চত্ত্বরে লাল কার্পেটে ঢাকা খোলা স্থানে দাঁড়িয়ে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান সবার সঙ্গে একে একে কুশল বিনিময় করেন। সেখানে আগত অতিথিদের জন্য নানা পদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। একইসঙ্গে প্যান্ডেলের মঞ্চে দেশের বিশিষ্ট ইসলামী শিল্পীদের অংশগ্রহণে নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা চলে। অনেকে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে কুশলবিনিময়ের পাশাপাশি তারসঙ্গে ছবিও তোলেন।

এ সময় জামায়াত আমিরের সঙ্গে দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, নায়েবে আমির এটিএম আজহার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আব্দুল হালিম, এহসানুল মাহবুবু জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এমপি, অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন, দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, ড. ফখরুদ্দিন মানিক, শ্রকিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল আতিকুর রহমান সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে একইস্থানে ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা-বিনিময় করেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা.শফিকুর রহমান।

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নতুন সিস্টেম, এক জাহাজ থেকেই আয় ২০ লাখ ডলার

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নতুন সিস্টেম, এক জাহাজ থেকেই আয় ২০ লাখ ডলার

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ  দখলদার ইসরাইল ও সাম্রাজ্যবাদ যুক্তরাষ্ট্রের চোখে চোখ রেখে লড়াই করছে ইরান। এরই মধ্যে বিশ্বের জ্বালানি করিডোর হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ দিয়ে পুরো যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে দেশটি। এখন এই প্রণালিতে নতুন পদ্ধতি চালুর পর আয় বেড়েছে ইরানের। এমনকি এক জাহাজ থেকেই টোল পেয়েছে ২০ লাখ ডলার।

এখন থেকে হরমুজ প্রণালিতে যাতায়াত করতে এখন থেকে তেহরানের পূর্বানুমতি নিতে হবে। দিতে হবে নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি-ও। এজন্য নতুন পদ্ধতি চালু করছে ইরান। হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ যাতায়াতের জন্য ভেটিং বা যাচাইকরণ ব্যবস্থা তৈরি করছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

ইরান সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিতে একটি নির্বাচিত অবরোধ দিয়েছে, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু দেশের জাহাজকে এই কৌশলগত জলপথ দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

সামুদ্রিক সংবাদ ও বিশ্লেষণ সংস্থা 'লয়েডস লিস্ট' বুধবার (১৮ মার্চ) জানিয়েছে, ভারত, পাকিস্তান, ইরাক, মালয়েশিয়া, চীনসহ বেশ কয়েকটি দেশ ইরানের আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে যাতায়াতের জন্য তেহরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করছে।

লয়েডস জানিয়েছে, ইরানের আইআরজিসি একটি নতুন যাচাইকরণ এবং নিবন্ধন ব্যবস্থা তৈরি করছে বলে জানা গেছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) পর্যন্ত অন্তত ৯টি জাহাজ ইরানের লারাক দ্বীপের পাশ দিয়ে একটি করিডোর ব্যবহার করে যাতায়াত করেছে। 


জানা গেছে, একটি ট্যাঙ্কার যাতায়াতের অধিকার পেতে প্রায় ২০ লাখ মার্কিন ডলার দিয়েছে।


আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সামুদ্রিক আইন বিশেষজ্ঞ অ্যালেক্স মিলস বলেন, এই নতুন নিবন্ধন ব্যবস্থা একটি স্বল্পমেয়াদী সমাধান হতে পারে, তবে বীমা খাতের কারণে এটি বাধার মুখে পড়তে পারে।


তিনি আরও বলেন, ইরানি জলসীমা ব্যবহার করা, ইরানি বন্দরে ভেড়া এবং সমস্ত পণ্যের গন্তব্য ঘোষণা করার শর্তে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার এই প্রস্তাব বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। এটি ইরানি জলসীমায় প্রবেশের সময় জাহাজের অবস্থান গোপন রাখার দীর্ঘদিনের পদ্ধতির সম্পূর্ণ বিপরীত এবং চলমান সংঘাতের মধ্যে জাহাজগুলোর জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করে।

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করার ক্ষমতাই নাই মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের!

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করার ক্ষমতাই নাই মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের!


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ চলতি বছরের ১৯ মার্চ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় ঘটে যাওয়া এক নাটকীয় ঘটনা বিশ্বজুড়ে সামরিক বিশেষজ্ঞদের নজর কেড়েছে। মার্কিন বিমানবাহিনীর গর্ব এবং বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত যুদ্ধবিমান এফ-৩৫এ লাইটনিং-টু ইরানি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কবলে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালীন এই ঘটনাটি তথাকথিত স্টিলথ (অদৃশ্য) প্রযুক্তির অভেদ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। পেন্টাগন নিশ্চিত করেছে, বিমানটি জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়েছে, তবে চালক অক্ষত রয়েছেন।

ইরানি রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। যেখানে দেখা যায়, একটি ইনফ্রারেড সেন্সর দিয়ে লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হচ্ছে। ভিডিওতে দেখা যায়, অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তির এই যুদ্ধবিমানটি কোনো ধরণের প্রতিরক্ষামূলক কৌশল বা ডজ না নিয়েই উড়ছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিমানটির স্বয়ংক্রিয় সতর্কবার্তা ব্যবস্থা (সেন্সরগুলো) আগত বিপদ শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ঘটনাকে সামরিক পরিভাষায় একটি সফল স্যামবুশ বা সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল অ্যামবুশ হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক সেবাস্টিয়ান রোবলিন মনে করেন, এফ-৩৫ মূলত রাডারকে ফাঁকি দেওয়ার জন্য তৈরি করা হলেও অপটিক্যাল বা ইনফ্রারেড সেন্সরের কাছে এটি পুরোপুরি অদৃশ্য নয়। বিশেষ করে যখন স্বল্প পাল্লার লক্ষ্যভেদে বিমানটিকে নিচু দিয়ে উড়তে হয়, তখন মাটির কাছাকাছি থাকা মোবাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলোর জন্য এটি সহজ লক্ষ্যবস্তু হয়ে দাঁড়ায়। ইরানের মজিদ বা রা’আদ-১ এর মতো সিস্টেমগুলো মূলত তাপ বা দৃশ্যমান ইমেজিং ব্যবহার করে কাজ করে, যা বিমানের রাডার ওয়ার্নিং রিসিভারকে সংকেত পাঠায় না।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো এফ-৩৫ এর এন/এএকিউ-৩৭ ডিস্ট্রিবিউটেড অ্যাপারচার সিস্টেমের (ডিএএস) কার্যকারিতা। এই সিস্টেমে থাকা ছয়টি ইনফ্রারেড ক্যামেরা ৩৬০ ডিগ্রি সুরক্ষা দেওয়ার কথা থাকলেও কেন সেটি ফ্লেয়ার বা ডেকয় ব্যবহার করতে পাইলটকে সতর্ক করেনি, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। কারিগরি ত্রুটি নাকি ইরানের উন্নত জ্যামিং প্রযুক্তির ক্যারিশমা, তা নিয়ে মার্কিন সামরিক মহলে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এটি প্রমাণ করে যে প্রযুক্তির উৎকর্ষের সাথে সাথে তাকে পরাস্ত করার কৌশলও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন এবং ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে গুঁড়িয়ে দিতে কয়েক দফা জোরালো হামলা চালিয়েছে। তবে ইরান তাদের বিশাল অস্ত্রাগারকে সুকৌশলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখে এখনো লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। বিশাল ভৌগোলিক আয়তন এবং পাহাড়ি ভূখণ্ডকে কাজে লাগিয়ে ইরানি কমান্ডাররা তাদের মোবাইল লঞ্চারগুলোকে লুকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছেন। বিশেষ করে পশ্চিমা ও সোভিয়েত প্রযুক্তির সংমিশ্রণে তৈরি তাদের দেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এখন স্টিলথ বিমানের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই হামলার রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক গুরুত্বও অপরিসীম। মার্কিন বিমানবাহিনী গত কয়েক দশকে আকাশযুদ্ধে কোনো মনুষ্যবাহী বিমান হারায়নি বললেই চলে। এমন পরিস্থিতিতে একটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ইরানি সেনাদের মনোবল যেমন বাড়িয়ে দেবে, তেমনি মার্কিন মিশন পরিকল্পনাকারীদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করবে। ভবিষ্যতে স্বল্প পাল্লার বোমা বা জেডিএএম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মার্কিন পাইলটদের এখন অনেক বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, যা অভিযানের গতি কমিয়ে দিতে পারে।

তবে একটি ইতিবাচক দিক হলো এফ-৩৫ এর স্থায়িত্ব। সাধারণত ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে যেকোনো যুদ্ধবিমান আকাশেই ধ্বংস হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু এই বিমানটি ক্ষেপণাস্ত্রের স্প্লিন্টার বা শার্পনেলের আঘাতে চালনাশক্তি আংশিক হারালেও নিরাপদে অবতরণ করতে পেরেছে। এটি বিমানের কাঠামোগত সক্ষমতা এবং পাইলটের দক্ষতারই পরিচয় দেয়। পেন্টাগন এই ক্ষতিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখলেও সামরিক ইতিহাসে এটি একটি বিশেষ মাইলফলক হয়ে থাকবে।

তবে ওই মার্কিন যুদ্ধবিমানটি আদৌ নিরাপদে অবতরণ করতে পেরেছে কিনা, সে নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেক সমর বিশ্লেষক।

অনেকেই এখন বলছেন, স্টিলথ বা অদৃশ্য হওয়ার ক্ষমতা মানেই অপরাজেয় হওয়া নয়। আধুনিক যুদ্ধে কোনো প্রযুক্তিই শতভাগ অভেদ্যতার নিশ্চয়তা দিতে পারে না। ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের এই সাম্প্রতিক সংঘাত আকাশযুদ্ধের রণকৌশলকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করছে।

Thursday, March 19, 2026

তিস্তা নদীতে অবৈধ পাথর উত্তোলন, সংঘর্ষে আহত ২০

তিস্তা নদীতে অবৈধ পাথর উত্তোলন, সংঘর্ষে আহত ২০


মাহমুদ আল হাছান তিস্তা নিউজ: নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় তিস্তা নদীতে অবৈধ পাথর উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সাংবাদিক ও পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।


বুধবার (১৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের একতা বাজার ও তেলিবাজার সংলগ্ন তিস্তা নদীর চরে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিস্তা নদীতে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র বোমা মেশিন ব্যবহার করে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করে আসছিল। এ অবস্থায় টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন নদী থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা দেন।
বুধবার সকালে ওই চক্রটি আবারও পাথর উত্তোলন শুরু করলে খবর পেয়ে চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন কয়েকজন গ্রাম পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এ সময় পাথর উত্তোলনকারী চক্রের সদস্যরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে চেয়ারম্যানসহ উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়।


খবর পেয়ে থানা পুলিশ ও স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা তাদের ওপরও হামলা চালায়। এতে অন্তত তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হন এবং পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন টেপাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন। এছাড়া স্থানীয় ইউনিয়ন জামায়াত নেতা আফসার আলী, আনোয়ার হোসেন, লোকমান, পুলিশ সদস্য রবিউল ইসলাম ও ঠাকুরদাস, ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি আরেফিন এবং ক্যামেরাম্যান আবু রায়হানসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়।

হামলার সময় ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের ক্যামেরা ও একটি স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া উত্তেজিত পাথর উত্তোলনকারীরা পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে।

আহতদের ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গুরুতর আহত চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
চাঁদপুরে ৬ মুসল্লিকে নিয়ে ঈদের নামাজ আদায়

চাঁদপুরে ৬ মুসল্লিকে নিয়ে ঈদের নামাজ আদায়


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ৬ মুসুল্লিসহ হাজীগঞ্জের সাদ্রায় ঈদ-উল-ফিতরের জামাত করলেন মাওলানা আবু বক্কর ছিদ্দিক। তিনি সাদ্রা দরবার শরীফের প্রয়াত পীর মাওলান ইছহাক সাদ্রাবীর মেজো ছেলে।

কয়েক যুগ ধরে হাজীগঞ্জ উপজেলা বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের সাদ্রা দরবার শরীফের পীরের অনুসারী ৪০টি গ্রাম সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে একদিন আগে ঈদ করেন। তার মৃত্যুর পর গতবছর থেকে উনার বংশধরদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা গেছে। এতে করে বর্তমান পীর মুফতি আরিফ বিল্লাহ সাদ্রাবীর ও তার চাচা জাকারিয়া আল মাদানী সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে একদিন আগে পৃথক পৃথক জামাতের মাধ্যমে ঈদ করেন।

তার অপর চাচা মাওলানা আবু বকর ছিদ্দিক গত বছর থেকে দুইদিন আগে ঈদের জামাত করে আসছেন। তারই ধারাবাহিকতায় এবারো তিনি ৬ মুসুল্লি নিয়ে তার নিজ বাড়ির আঙিনায় ঈদু-উল-ফিতরের জামাত আদায় করলেন। জামায়াতে তিনি নিজেই ইমামতি করেন।


তিনি জানান বিশ্বের যেকোনো দেশে চাঁদ দেখা গেলে এবং ঈদ উদযাপন হলে সে সাথে ঈদ করা জায়েজ। গতকাল আফগানিস্তানে চাঁদ দেখা গেছে এবং আজ সেখানে ঈদ-উল-ফিতর উদযাপিত হয়েছে। আমরা তাদের সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করছি।

সূত্রঃ দৈনিক আমার দেশ।

পদধারী বড় নেতাদের চেয়ে বেশি জনপ্রিয়তায়ই কাল হয়েছে আমার

পদধারী বড় নেতাদের চেয়ে বেশি জনপ্রিয়তায়ই কাল হয়েছে আমার

 

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা 
তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা মনে করেন, বিএনপির বড় নেতাদের চেয়ে তার বেশি জনপ্রিয়তাই ‘কাল’ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। 

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টকশোতে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কার প্রসঙ্গে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রুমিন ফারহানার ভাষ্য, অসুস্থতা ও কারাবরণের কারণে খালেদা জিয়া যখন রাজনীতি থেকে ক্রমে দূরে সরতে থাকেন, তখন থেকেই তার প্রতি কারও কারও বিরূপ মনোভাব তৈরি হয়। ‘যারা আমার ওপর নাখোশ ছিল, তারা আমাকে হিংসা করত। মূলত পদধারী বড় নেতাদের চেয়ে আমার জনপ্রিয়তা বেশি হওয়ায় আমি টার্গেটে পরিণত হই। 

টকশোতে রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ‘যেদিন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া মারা যান, সেদিনই বিএনপি আমাকে বহিষ্কার করল।সকাল ৬টায় দেশনেত্রী তিনি মারা যান, আর আমাকে বিকাল ৪টায় বহিষ্কার করা হয়।দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে আমাকে বহিষ্কার করা হয়।মূলত বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় এই বহিষ্কারাদেশ। অথচ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের তখনও ১০-১৫ দিন সময় বাকি ছিল, সেটুকুও অপেক্ষা করা হয়নি।’
বহিষ্কারের পর মানসিকভাবে ‘হালকা’ অনুভব করছেন জানিয়ে এই নেত্রী বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে একটি ব্যর্থ দলকে ডিফেন্ড করার যে চাপ ছিল, তা থেকে মুক্তি পেয়েছি। বিভিন্ন নির্বাচনের সময় টকশোতে উপস্থাপকরা মুচকি হেসে প্রশ্ন করতেন—এবার কী করবেন? এই চাপ বহন করা সহজ ছিল না,’ যোগ করেন তিনি।  
তিনি আরও অভিযোগ করেন, শুধু প্রতিপক্ষই নয়, দলের ভেতরের নেতাকর্মীদের একটি অংশও তাকে নানাভাবে হেনস্তা করেছে। ‘অনলাইনে বড় নেতাদের খুশি করতে কিছু লোক আমাকে তাচ্ছিল্য ও অপমান করত। আওয়ামী লীগের লোকজনের পাশাপাশি বিএনপির ভেতরের অনলাইন গ্রুপের আক্রমণেরও শিকার হয়েছি,’ বলেন তিনি।

সবশেষে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এই দল থেকে বের হয়ে আজ আমি যেন সেই চাপ ও হেনস্তা থেকে মুক্তি পেয়েছি।’

প্রসঙ্গত, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থেকে গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর মারা যান। ওইদিনই দলের স্থায়ী কমিটির সভায় রুমিন ফারহানাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে দলের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন।

যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী

যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ আপাতত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গুলশান অ্যাভেনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানে নিজের বাসায় থাকবেন। সরকারি বাসভবন যমুনায় উঠছেন না।

তারেক রহমান গুলশানের নিজের যে ছোট বাসাটি তাতে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। সেজন্য তারেক রহমান দেশে ফেরার পর এই বাসায় উঠেছেন। সেই ভাবে বাসাটি সাজানো-গুছানো হয়েছে।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, ঈদে সকাল ৮টায় জাতীয় ঈদগাহে আসবেন প্রধানমন্ত্রী। ঈদের নামাজ আদায় করে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সকাল ১০টা থেকে যমুনায় শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী।

১৭ বছরের নির্বাসন ভেঙে গেল বছরের ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে ঢাকায় ফিরে গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে সপরিবারে ওঠেন তারেক রহমান, এর পর থেকে সেখানেই বাস করছেন। পাশেই ‘ফিরোজা’ নামের বাড়িটিতে থাকতেন তার মা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

১৯৬ নম্বর বাড়িটি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পরে তার সহধর্মিনী খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভা।

গত বছর এ বাড়ির দলিলপত্র বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে হস্তান্তর করেন গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম রিজু।