সর্বশেষ

Thursday, January 8, 2026

জকসুতে বিজয়ীদের জামায়াত আমিরের অভিনন্দন

জকসুতে বিজয়ীদের জামায়াত আমিরের অভিনন্দন


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (জকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের বিজয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া এক পোস্টে তিনি জকসু নেতাদের শুভেচ্ছা জানান।

এর আগে বুধবার জকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফল অনুযায়ী, মোট ২১টি পদের মধ্যে ১৬টিতেই জয় পেয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল।

৩৮টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে দেখা যায়, সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে শিবির সমর্থিত প্রার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৯৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, ছাত্রদল সমর্থিত ও ছাত্রঅধিকার পরিষদের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি একেএম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট।

জকসুতে যে ৫ পদে হারল শিবির

জকসুতে যে ৫ পদে হারল শিবির


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল। ২১টি পদের মধ্যে ভিপি, জিএস, এজিএসসহ ১৬টি পদে জয়ী হয়েছেন এই প্যানেলের প্রার্থীরা।

অন্যদিকে, ছাত্রদল ও ছাত্র অধিকার পরিষদ সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেল সম্পাদকীয় তিন পদে ও কার্যনির্বাহী সদস্যসহ মোট চার পদে জয়লাভ করেছে। এছাড়া কার্যনির্বাহী পদে স্বতন্ত্রভাবে জয়ী হয়েছেন জাহিদ হাসান।

বুধবার মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সহসভাপতি (ভিপি) পদে শিবির সমর্থিত প্রার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম ৫ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত ও ছাত্র অধিকার পরিষদের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি এ কে এম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন শিবিরের আব্দুল আলিম আরিফ; তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭৫ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২ হাজার ২০৩ ভোট।

এছাড়া সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে শিবিরের মাসুদ রানা ৫ হাজার ২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, যেখানে ছাত্রদলের আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৪৪ ভোট।

নির্বাচনে ৪টি পদে জয় পেয়েছে ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেল। সম্পাদকীয় তিনটি পদ হলো—সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক: তাকরিম মিয়া (৫,৩৮৫ ভোট), পরিবহন সম্পাদক: মাহিদ হোসেন (৪,০২৩ ভোট), পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক: মো. রিয়াসাল রাকিব (৪,৬৯৮ ভোট)।

এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য পদের সাতটির মধ্যে পাঁচটিতে জিতেছে শিবির এবং একটিতে জিতেছে ছাত্রদল। আরেকটিতে জয়লাভ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী।

ছাত্রদল থেকে নির্বাচিত সদস্য হলেন—মোহাম্মদ সাদমান আমিন (৩,৩০৭ ভোট)। কার্যনির্বাহী সদস্য পদে অন্যজন জাহিদ হাসান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছেন।

দেশে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

দেশে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ দেশে আজ বৃহস্পতিবার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ‍্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড।

গতকাল বুধবার এক নোটিশে এ ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রাখা হবে বলে জানিয়েছে তারা।

নোটিশে বলা হয়, আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে আমাদের ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সব এলপি গ্যাস বিপণন ও সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এছাড়া সব কোম্পানি প্ল্যান্ট থেকে গ্যাস উত্তোলন কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

এর আগে বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের দাবি তুলে ধরে এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি মানা না হলে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের হুমকি দেয় তারা। এরপর সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেন তারা।

সকালে সমিতির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) থেকে নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য সমন্বয় করতে হবে। প্রশাসন দিয়ে পরিবেশকদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধ করতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ থাকবে।

প্রার্থী নিয়ে জটিলতায় জামায়াত ও সমমনা জোট

প্রার্থী নিয়ে জটিলতায় জামায়াত ও সমমনা জোট


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ৮০ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলের কারণে বিপাকে পড়েছে জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন সহ সমমনা ১১ দলীয় জোট। বিলম্বিত হচ্ছে এই জোটের আসন সমঝোতা। আছে নানা গুঞ্জনও। তবে জোট নেতারা জানিয়েছেন, টানাপড়েন থাকলেও আসন সমঝোতা ঠিকমতো এগোচ্ছে। দুই/একদিনের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে। গতরাতে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের নেতাদের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে আসন চূড়ান্ত হওয়ার কথা। 

নেতারা দাবি করেছেন, জোটে কোনো সমস্যা নেই। জটিলতা আছে এটা কাটানোর চেষ্টা হচ্ছে। এই জোটের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ সকল গুঞ্জন ও অনিশ্চয়তাকে নাকচ করে বলেন, প্রাথমিক অবস্থায় কিছু সমস্যা ছিল। এখন সকল অনিশ্চয়তা ও টানাপড়েন কেটে গেছে। ঐক্যবদ্ধ নির্বাচনের ব্যাপারে সবাই একমত। নির্বাচনের এই আগ মুহূর্তে ঐক্যের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই কারও। 

রাজি হয় মওলানা মামুনুল হকের দল। জামায়াত দলটিকে ১৩টির বেশি আসন ছাড়তে রাজি হয়নি। নতুন আলোচনায় দলটি বলছে, ছেড়ে দেয়া আসনের কোনোটিতে যদি আপিলে দলীয় প্রার্থিতার মনোনয়নপত্র বৈধ হয়, তাহলে অন্য আসন দিতে হবে। দলটি এমন আসন চাচ্ছে, যা আগের আলোচনায় জামায়াতের ভাগে পড়েছিল বলে জানা যায়। 


এদিকে আপিলে দলীয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ না হলে জামায়াত নিজের ভাগের ঢাকা-২ আসন ইসলামী আন্দোলনকে ছাড়তে চায়। এর বিনিময়ে ইসলামী আন্দোলনকে আগে ছেড়ে দেয়া আসন থেকে একটি কমাতে চায়। এতে রাজি নয় চরমোনাই পীরের দল। 

মনোনয়নপত্র বাতিলে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে স্বীকার করে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব ইউনুস আহমেদ বলেন, দলীয় প্রার্থীদের কোথায় কার প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে, তা দেখতে হচ্ছে। এ কারণে আসন সমঝোতায় বিলম্ব হচ্ছে। যদিও আপিল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে, কিন্তু প্রার্থীরা মাঠে আছেন। তাই সমঝোতায় বিলম্ব হলেও নির্বাচনে অসুবিধা হবে না। 


প্রশাসনের ভেতরে এখনো ফ্যাসিবাদী সরকারের দোসররা সক্রিয়, এমনকি তাদের প্রভাবে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ। 

কক্সবাজার-২ আসনে (মহেশখালী ও কুতুবদিয়া) জামায়াতের প্রার্থী হামিদুর রহমান আযাদ শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমার হলফনামায় ঋণখেলাপি, ট্যাক্স ফাঁকি বা রাষ্ট্রীয় কোনো আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ নেই। তারপরও ২০১৩ সালের আদালত অবমাননার একটি মামলাকে সামনে এনে মনোনয়ন বাতিল করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বৈষম্যমূলক। 


তিনি আইনি ব্যাখ্যায় বলেন, যে মামলাটি দেখিয়ে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে, তা ফৌজদারি অপরাধ নয়। এটি ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে একটি বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে করা আদালত অবমাননার মামলা, যা কোনো ক্রিমিনাল কেসের সংজ্ঞায় পড়ে না।

দলীয় প্রার্থীদের মনোয়নপত্র বাতিলের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ। সোমবার দলের আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অভিমত প্রকাশ করা হয় যে, দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ এখনো সৃষ্টি হয়নি। প্রশাসনের মধ্যে কিছু সরকারি কর্মকর্তা একটি বিশেষ দলের পক্ষে কাজ করছে বলে অভিযোগ আসছে। অনুরূপ অভিমত ব্যক্ত করা হয়েছে ইসলামী আন্দোলনের তরফেও।

সূত্রঃ দৈনিক মানবজমিন।

দৈনিক আমার দেশের সাথে যা বললেন জকসুর নতুন জিএস

দৈনিক আমার দেশের সাথে যা বললেন জকসুর নতুন জিএস

জকসু জিএস আব্দুল আলিম আরিফ 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ শিক্ষার্থীদের সুখ-দুঃখের সাথি হয়ে নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষার মাধ্যমে আদর্শ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) তৈরির চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আব্দুল আলিম আরিফ।

বুধবার দিবাগত রাতে আমার দেশকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

জিএস আরিফ বলেন, নির্বাচন নিয়ে মোটাদাগে কোনো অভিযোগ নেই। ক্যাম্পাসের মধ্যে মোটামুটি ভালোভাবেই ভোট সম্পন্ন হয়েছে। তবে ক্যাম্পাসের বাইরে কিছু বিষয়ের কারণে আমরা উদ্বিগ্ন ছিলাম। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের হয়রানি এবং পথচারী ব্যবসায়ীদের জামায়াত-শিবির ফ্রেমিং করে যেই ধরনের ন্যক্কারজনক কাজ হয়েছে, তা নিন্দনীয়।

ভোটগ্রহণ ও গণনা নিয়ে কোনো অভিযোগ আছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভোটগ্রহণ সুন্দরভাবে হলেও গণনার ক্ষেত্রে প্রশাসনকে আরো সতর্ক হতে হতো। কিছু মিস ম্যানেজমেন্টের কারণে ভোট গণনা বিলম্বিত হয়েছে। প্রথমবারের মতো জকসু নির্বাচন হওয়াতে আমরা বিষয়টিকে স্রেফ প্রস্তুতির অভাব হিসেবেই দেখতে চাই।

শিক্ষার্থীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতির বিষয়ে আরিফ বলেন, অবশ্যই আমি আমার দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখব। বিশেষ করে অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেল যেই ২১ দফা ইশতেহার দিয়েছিল, সেই আলোকে কাজ করার চেষ্টা করব। সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে চাই একাডেমিক এক্সিলেন্স এবং আবাসন সংকট সমাধানে। পাশাপাশি দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ যেন দ্রুত এগিয়ে নেওয়া যায়, সেই বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি থাকবে আমার।

অন্যান্য প্যানেলের প্রার্থীদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দিন শেষে আমরা সবাই জবিয়ান। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থেই জকসু নির্বাচন হওয়ার প্রয়োজনীয়তা ছিল। এই নির্বাচনে যারা প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন, তারা সবাই বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে সম্মুখ সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। নির্বাচনে হার-জিত থাকবে। তবে আমরা সবাই মিলেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে এক এবং অভিন্ন। আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কাজ করে যাব।

এসময় আমার দেশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আরিফ। তিনি বলেন, তারা এই নির্বাচন সফল করার জন্য সর্বোচ্চ কাজ করেছেন। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ তাদের জন্যই সম্ভব হয়েছে। তারা আমাকে বিজয়ী করে যেই দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি তাদের প্রতি সেই জন্য কৃতজ্ঞ। একই সাথে তাদের চাওয়া-পাওয়া পূরণে সচেষ্ট থাকব। তাদের সুখ-দুঃখের সাথি হয়ে সামনের দিনগুলোতে একটি আদর্শ ক্যাম্পাস তৈরিতে কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ।

জকসু নির্বাচন: শিবির-সমর্থিত প্যানেলের বড় জয়

জকসু নির্বাচন: শিবির-সমর্থিত প্যানেলের বড় জয়

জকসুতে শিবির সমর্থিত প্যানেলের বড় জয় 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ চারটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পর এবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনেও ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছে।

জকসু নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে এই প্যানেলের প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম ৫ হাজার ৫৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল ও ছাত্র অধিকার পরিষদ সমর্থিত প্রার্থী একেএম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট। ফলে ভিপি পদে রিয়াজুল ইসলাম ৮৭০ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের মোট ৩৯টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

ঘোষিত ফলাফলে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদেও ছাত্রশিবির–সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। ফলে জকসুতে এই প্যানেলের প্রভাব ও সংখ্যাগরিষ্ঠতা স্পষ্ট হয়েছে।


নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ভোটগ্রহণ ও গণনা প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কারিগরি জটিলতা ও দীর্ঘ বিরতির পরও সব পক্ষের উপস্থিতিতে ওএমআর মেশিন ও হাতে গণনার সমন্বয়ে ফলাফল নির্ধারণ করা হয়।

Wednesday, January 7, 2026

জলঢাকায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে জামায়াত প্রার্থীর উঠান বৈঠক

জলঢাকায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে জামায়াত প্রার্থীর উঠান বৈঠক


মাহমুদ আল হাছান তিস্তা নিউজ :আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে উঠান বৈঠক করেছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭ টায় উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের গাবরোল বাবু পাড়া এলাকায় এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

 প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন - মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন,“আমি নির্বাচিত হই বা না হই-মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাবো। টাকা, ধুতি বা লুঙ্গির বিনিময়ে ভোট দিয়ে নিজেকে বিক্রি করবেন না। নিঃস্বার্থভাবে ভালোমানুষকে চিনে ভোট দিন।”


তিনি আরও বলেন,

“জনগণের সেবা করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। যুব সমাজের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নৈতিক সমাজ গঠনে কাজ করবো। মন্দির ও মসজিদের বাজেট সুষ্ঠুভাবে প্রদান করা হবে এবং প্রতিটি হিসাব স্বচ্ছভাবে জনগণের সামনে উপস্থাপন করা হবে।”


রমেশ চন্দ্র রায় মাস্টারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন মাওলানা ছামিদুল হক।

উপস্থিত ছিলেন কৈমারী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মাওলানা আব্দুল আজিজ, শ্রী অমূল্য চন্দ্র রায়, গাডিয়া সাধুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উঠান বৈঠক ও গণসংযোগকে ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। এসময় অনেকেই দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন।