তিস্তা নিউজ

সংবাদ শিরোনাম
লোডিং...
Menu

সর্বশেষ

Thursday, January 15, 2026

বৈঠকে ১০ দলীয় নেতারা, আসেনি চরমোনাইয়ের দল

বৈঠকে ১০ দলীয় নেতারা, আসেনি চরমোনাইয়ের দল


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দল নিয়ে প্রক্রিয়াধীন সমঝোতা এখন ১০ দলীয় রূপ নিচ্ছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও আসন সমঝোতা নিয়ে বৈঠক করছেন ১০ দলের শীর্ষ নেতারা।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার পর রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। এতে যোগ দেয়নি চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

সূত্রমতে, বৈঠকে উপস্থিত আছেন— জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহসভাপতি রাশেদ প্রধান এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), নেজামে ইসলাম পার্টি ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) নেতারা।

এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়েরসহ ১০ দলের অন্যান্য নেতা বৈঠকে উপস্থিত আছেন। এই বৈঠক থেকে নির্বাচনি সমঝোতার বিষয়ে ঘোষণা দিতে সংবাদ সম্মেলনের করার সিদ্ধান্ত হবে বলে জানা গেছে।

ভেঙেই গেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট

ভেঙেই গেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ শেষ পর্যন্ত ভেঙেই গেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট। জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিক দল চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন জামায়াত জোটে থাকছে না। আজই আনুষ্ঠানিকভাবে এটা জানিয়ে দেয়ার কথা রয়েছে।

গত এক সপ্তাহ ধরে জোট শরীকদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনার পর ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে কমপক্ষে ৮০ আসন না ছাড়া হলে তাদের পক্ষে জোটে থাকা সম্ভব নয়। এ পরিস্থিতিতে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন ছাড়া জোটের অন্য শরীকরা আলাদা ভাবে বৈঠক করেন। সেখান থেকে খেলাফত মজলিসের একাংশের আমীর মাওনালা মামুনুল হক আবারো চরমোনাইয়ের পীরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আসন বন্টন নিয়ে মধ্যস্থতার চেষ্টা করে তিনি ব্যর্থ হন। গভীর রাতে জামায়াতের একজন নেতাকে পুরো পরিস্থিতি অবহিত করেন মাওলানা মামুনুল হক।

জোটের একাধিক শরিক ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, চরমোনাইয়ের পীরের দল ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বার্তা দেয়া হয়েছে জোটে থাকা সম্ভব হচ্ছে না।

চরমোনাইয়ের পীরের দল জোটে না থাকলেও অন্য সব দল জোটে থাকছে বলে নিশ্চিত করেছেন শরীক দলের একাধিক নেতা। অর্থাৎ ১১ দলীয় জোট এখন ১০ দলীয় জোট হতে যাচ্ছে। জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিমের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান—আজ দুপুরের মধ্যে জোটের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসবেন। এরপর গতকাল স্থগিত হওয়া সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

খেলাফত মজলিসের একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, জোটের অন্য শরিকরা ঐক্যবদ্ধ থাকার ব্যাপারে একমত হয়েছেন।

তিনি আরো জানান—নতুন করে কিছু আসনে বিন্যাস হতে পারে, তবে তাতে কোনো সমস্যা হবে না।

জোটের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, জোটে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির যোগদানের পর থেকে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে চাপ বাড়তে থাকে। এনসিপির জোটে যোগদানকে স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এরপর দলটি দাবি করে—১৪৩টি আসনে তাদের বিজয়ী হওয়ার মতো সমর্থন আছে। এনসিপি ও জামায়াতের প্রভাবশালী নেতাদের আসন দাবি করে দলটি।


প্রথমে ইসলামী আন্দোলনের জন্য ৪০ আসন ছাড়া হয়, পরে ৪৫টিতে গিয়ে দাঁড়ায়। এর সঙ্গে ৬ থেকে ৭টি আসন উন্মুক্ত রাখার প্রস্তাব দেয়া হয়। কিন্তু ইসলামী আন্দোলন ৮০ আসনের জন্য ছিল অনঢ়। জোটে অন্য শরিকরা চরমোনাইয়ের পীরকে বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। অপরদিকে ৮০ আসন ছাড়ার কোনো সুযোগ ছিল না জামায়াতের। কারণ এতে সম্ভাবনাময় আসনগুলো শুধু হাতছাড়া হবে না, একটি দলকে বিপুল সংখ্যক আসন ছাড়লে অন্যদলগুলোর পক্ষ থেকে আরো বেশি আসন দাবি করা হতো। এ পরিস্থিতিতে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সেটা সফল হয়নি।


চরমোনাইয়ের পীরের ইসলামী আন্দোলনের ২৬৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এসব আসনে এখন তারা হাতপাখা প্রতীক নিয়ে আলাদা নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে।


জোট ভাঙার খবর কয়েকদিন থেকে চাউর হলেও বুধবার ব্যাপকভাবে এটা ছড়িয়ে পড়ে। জামায়াত জোট বিকাল ৪টায় প্রেস কনফারেন্স ডাকলেও শেষ পর্যন্ত চরমোনাইর পীরের সঙ্গে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত না হওয়ায় তিনি প্রেস কনফারেন্সে যোগ দিতে অপারগতা জানান। ফলে প্রেস কনফারেন্সই স্থগিত হয়ে যায়। রাতে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসান মাহবুব জুবায়ের জোটে সমস্যার কথা স্বীকার করলেও এটা কেটে যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। কিন্তু কাল সারাদিন ও রাতেও চেষ্টা চালিয়ে সমঝোতায় পৌঁছা যায়নি। শেষ পর্যন্ত আজ সকালে জোট ভাঙার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।

জোটে ভাঙনের শঙ্কায় জামায়াত-চরমোনাই, বিকল্প ভাবনায়

জোটে ভাঙনের শঙ্কায় জামায়াত-চরমোনাই, বিকল্প ভাবনায়

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ আসন বণ্টনের দ্বন্দ্বে জোট ভাঙলে বিকল্প নির্বাচনী কৌশল কী হবে– তা খুঁজছে জামায়াতে ইসলামী ও চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন। জামায়াত সূত্র জানিয়েছে, ইসলামী আন্দোলন বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় এনসিপি এবং মাওলানা মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ অন্য দলগুলোকে নিয়ে জোট রক্ষার চেষ্টা চলছে। ইসলামী আন্দোলন আভাস দিয়েছে, জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত এবং জোটের অপর তিন ধর্মভিত্তিক দলকে নিয়ে নতুন জোট হতে পারে।

তবে সব দলই প্রকাশ্যে বলছে, জোট ভাঙবে না। আসন সমঝোতার আলোচনা চলছে। শিগগির তা সম্পন্ন হবে। কিন্তু এ বক্তব্য দলগুলো এক মাস ধরেই দিচ্ছে। ভোটের আর এক মাসেরও কম সময় থাকলেও নিজেদের মধ্যে আসন সমঝোতা করতে পারেনি জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলনসহ ১১ দলের নির্বাচনী জোট। 


জোটের প্রার্থী তালিকা ঘোষণায় গতকাল বুধবার জামায়াত সংবাদ সম্মেলন ডেকেও তা স্থগিত করে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন ও মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের বর্জনের হুঁশিয়ারিতে। 


১১ দল সূত্র জানিয়েছে, ইসলামী আন্দোলনকে সর্বোচ্চ ৪৫টি আসন ছাড়তে রাজি রয়েছে জামায়াত। পাঁচটি আসন উন্মুক্ত রাখার প্রস্তাব দিয়েছে। সেখানে দাঁড়িপাল্লা ও হাতপাখা উভয় প্রতীকের প্রার্থী থাকবে। তবে একসময়ে ১৫০ আসন দাবি করা ইসলামী আন্দোলন এখন কমপক্ষে ৬৫টি আসন চায়। আসন সমঝোতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা সংবাদ সম্মেলনে না যাওয়ার বার্তা দেয় জামায়াতকে। 

মামুনুল হকের খেলাফতকে ১৬টি আসন ছাড়তে রাজি হয়েছে জামায়াত। এই দলকেও কয়েকটি আসন উন্মুক্ত রাখার প্রস্তাব করেছে। তবে ২৫ আসনের কমে রাজি নন মামুনুল হক। তিনি ইসলামী আন্দোলনকে নিয়েই জোটে থাকতে চান। তিনিও দলটির সঙ্গে জামায়াতের সমঝোতার আগে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার বিপক্ষে। মামুনুল হক গতকাল দুপুরে এ বার্তা দেওয়ার পর জামায়াত সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করে।


নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে চাঁদ খোসাল মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে চাঁদ খোসাল মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

মাহমুদ আল হাছান তিস্তা নিউজ ঃনীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের ভেড়ভেড়ি গ্রামে তিন গম্বুজবিশিষ্ট ঐতিহাসিক চাঁদ খোসার মসজিদ।

 মুঘল আমলের অনন্য নিদর্শন চাঁদ খোসাল মসজিদের দান বাক্সে গত ৬ মাসে জমা পড়েছে ৮ লাখ ৯৪ হাজার ৭৬০ টাকা। 

ওই মসজিদ কমিটির সভাপতি ইউএনও তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া ও সেক্রোটারি থানার ওসি লুৎফর রহমানের উপস্থিতিতে মঙ্গলবার দান বাক্স খুলে টাকা গণনা করা হয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- মসজিদের ক্যাশিয়ার মজনুর রহমান, সদস্য রুহুল আমিন, আজিজুল ইসলাম, নাছরুল ইসলাম ও জগদীশ চন্দ্র প্রমুখ।

জানা গেছে, প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের মুসল্লিসহ অন্য ধর্মের লোকজন টাকাসহ বিভিন্ন জিনিস মান্নত করেন। মান্নতের টাকা ও জিনিসপত্র নিয়ে ২০১৪ সালে মসজিদ কমিটির মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেওয়ায় তৎকালীন ইউএনও সিদ্দিকুর রহমান মসজিদটির দেখভালের দায়িত্ব নেন। তিনি নিজেই সভাপতি ও থানার ওসিকে সেক্রেটারি করে মসজিদের নামে অ্যাকাউন্ট খুলে দানবক্সের টাকা ব্যাংকে রাখার পদ্ধতি চালু করেন।

মসজিদের ক্যাশিয়ার মজনুর রহমান জানান, দান বাক্স থেকে পাওয়া আগের ৯০ লাখ টাকা ব্যাংকে গচ্ছিত রয়েছে। মুসল্লিদের জায়গা সংকটের কারণে একই স্থানে মসজিদ নির্মাণে ৫ তলার স্টিমেট করা হয়েছে। তবে চিটাগুড়, চুন-সুরকি ও পোড়ামাটি দিয়ে নির্মিত আগের তিন গম্বুজবিশিষ্ট স্থাপত্যশৈলী অক্ষুণ্ণ রেখে নতুন মসজিদ নির্মাণ করা হবে।

Wednesday, January 14, 2026

যে কারণে স্থগিত হলো ১১ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলন

যে কারণে স্থগিত হলো ১১ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলন

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের নির্বাচনী আসন সমঝোতা নিয়ে পূর্বঘোষিত সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার বেলা সোয়া ২টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জামায়াতের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।’সংবাদ সম্মেলন স্থগিতের বিষয়ে জানতে চাইলে ১১ দলের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অনিবার্য কারণে সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। এখনো কিছু প্রস্তুতি বাকি রয়েছে। পরবর্তী সময়ে সংবাদ সম্মেলনের তারিখ জানানো হবে।’এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জামায়াত সাংবাদিকদের এক আমন্ত্রণপত্র পাঠায়। সেখানে বলা হয়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের আসন সমঝোতা বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা প্রদানের লক্ষ্যে আজ বিকাল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইডিইবি) মুক্তিযোদ্ধা হলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এতে ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছাড়াও ১১ দলীয় জোটে রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি), এবি পার্টি ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)।

দুপুরে জরুরি বৈঠকে বসছে ইসলামী আন্দোলন

দুপুরে জরুরি বৈঠকে বসছে ইসলামী আন্দোলন


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ শেষ মুহূর্তে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট ছাড়ার পথে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে জরুরি বৈঠকে বসছে দলটি। বুধবার বাদ জোহর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের (মজলিসে আমেলা) এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে একই দিন বিকেল সাড়ে ৪টায় জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা দিতে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে। রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযোদ্ধা হলে (২য় তলা) এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

আন্দোলনরত ১১ দলের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। এতে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন যোগ দেবে কি না, সে বিষয়ে দুপুরের বৈঠকে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমদ বলেন, গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাত পর্যন্ত আমাদের দলের মজলিসে শুরার বৈঠক হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন রকম মতামত এসেছে। সেই মতামতগুলো বিশ্লেষণ করা হবে। এই আলোচনার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত ১১ দলীয় সমঝোতায় থাকা-না থাকার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও তিনি জানান।

বিএনপির সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের কোনো যোগাযোগ হয়েছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যক্ষ ইউনুস আহমদ বলেন, না, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়নি। তবে আরো ইসলামি দল আছে, তাদের ভূমিকা কী হয় দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


বিজিবি সদস্যের সামনে গর্জিত কণ্ঠে দেশের গান গাইলেন ছোট্ট বালক

বিজিবি সদস্যের সামনে গর্জিত কণ্ঠে দেশের গান গাইলেন ছোট্ট বালক

 
ভাইরাল বালক আরকান হোসেন 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় বিজিবি সদস্যদের সামনে মুহিব খানের “ইঞ্চি ইঞ্চি মাটি” দেশের গানটি খালি গলায় গেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে ছোট্ট শিশু আরকান সরকার।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আরকানের গাওয়া গানের ভিডিও ফেসবুকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই সেটি ভাইরাল হয়ে যায়।

জানা গেছে, খালি গলায় গান গাওয়া শিশু আরকান সরকারের বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায়। সে ওই উপজেলার মুশুলী ইউনিয়নের নবীয়াবাদ গ্রামের আকরাম হোসেনের ছেলে। আরকান একজন নাশিদ শিল্পী। সে গত এক বছর ধরে সংগীত চর্চা করে আসছে।

আরকানের বাবা আকরাম হোসেন বলেন, সোমবার (১২ জানুয়ারি) ভোরে আমি ও আমার স্ত্রী ছেলে আরকানকে নিয়ে কলমাকান্দার পাঁচগাঁও এলাকার চন্দ্রডিঙা জায়গাটি দেখতে যাই। কিন্তু সেখানে প্রবেশ নিষেধ থাকায় আমরা পাঁচগাঁও বিজিবি টহল ক্যাম্পের সামনে কিছুক্ষণ অবস্থান করি। এ সময় আমার ছেলে আরকান গানটি করে। তখন আমি তা ভিডিও করি। এ সময় বিজিবি সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা পাঁচগাঁও বিজিবি ক্যাম্পের সামনে সকাল সাড়ে ১১টায় যায়। সেখানে গিয়ে জানতে পারি চন্দ্রডিঙা এলাকায় যাওয়া নিষেধ। তাই বিজিবি টহল ক্যাম্পের সামনেই অবস্থানকালে আরকান দেশের গানটি করে। পরে সেখান থেকে আমরা দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুরে সাদা মাটির পাহাড় দেখতে যাই। সেখানেও আরকানের গাওয়া কয়েকটি গান ভিডিও রেকর্ড শেষে বাড়ি ফিরে আসি।

আকরাম হোসেন বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, আমার ছেলের গাওয়া এই গানটি যে এত দ্রুত দেশ বিদেশে ছড়িয়ে পড়বে এবং ভাইরাল হবে- সেটা কল্পনাও করিনি। তিনি তার শিশু ছেলে আরকানের জন্য দেশবাসীর দোয়া কামনা করেন।