সর্বশেষ

Sunday, November 30, 2025

নীলফামারীকে মাদক নিয়ন্ত্রনে ‘মডেল’ করার উদ্যোগ নবাগত পুলিশ সুপারের

নীলফামারীকে মাদক নিয়ন্ত্রনে ‘মডেল’ করার উদ্যোগ নবাগত পুলিশ সুপারের


মাহমুদ আল হাছান তিস্তা নিউজ ঃ নীলফামারীকে মডেল হিসেবে গড়তে সকলের সহযোগীতা চেয়েছেন নবাগত পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম। মাদক নিয়ন্ত্রণে এই মডেল বাস্তবায়নে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রবিবার বিকেলে (৩০নভেম্বর) পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এই উদ্যোগের কথা জানান শেখ জাহিদুল ইসলাম। পুলিশ সুপার বলেন, সরকার যে দায়িত্ব দিয়েছে তা যথাযথ ভাবে পালনে আমি বদ্ধপরিকর।

বিশেষ করে আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নে নীলফামারী জেলা পুলিশের প্রতিটি কর্মী ব্রত। নীলফামারী প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আতিয়ার রহমান, সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, সিনিয়র সাংবাদিক হাসান রাব্বী প্রধান ও মীর মাহমুদুল হাসান আস্তাক প্রমুখ বক্তব্য দেন। নবাগত পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, জেলার আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সবস্তরের মানুষকে নিয়ে আমি কাজ করতে চাই। সকলে সহযোগীতা করলে এটা সম্ভব।

বলেন, মাদক নির্মূল নয় নিয়ন্ত্রণ করাই চ্যালেঞ্জ। এটি বাস্তবায়নে নীলফামারীর একটি গ্রামকে মডেল হিসেবে নেয়া হবে এবং উদ্যোগ বাস্তবায়নে দ্রæত কার্যক্রম শুরু হবে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ মোহসিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম এন্ড অপস) এবিএম ফয়জুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(নীলফামারী সার্কেল) ফারুক আহমেদ, নীলফামারী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) এম আর সাঈদ উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত পুলিশ সুপার হিসেবে নীলফামারীতে শনিবার যোগদান করেন শেখ জাহিদুল ইসলাম পিপিএম। এরআগে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

রংপুর-নীলফামারী রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ

রংপুর-নীলফামারী রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ নীলফামারীর এক বাস শ্রমিক নেতাকে মারধরের প্রতিবাদে রংপুর বাস মিনিবাস মালিক সমিতির অধীনে থাকা নীলফামারীর সব রুটের বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নীলফামারী জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম এ ঘোষণা দেন।

রোববার (৩০ নভেম্বর) সকাল থেকে রংপুর থেকে নীলফামারী-সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ-জলঢাকা-ডিমলা-ডোমার রুটে সব বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে ঢাকাগামী এবং অন্যান্য জেলা সমিতির (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়) বাস চলাচল স্বাভাবিক আছে।

জানা গেছে, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুরা বাস শ্রমিক ইউনিয়ন উপকমিটির দপ্তর সম্পাদক সফিকুল ইসলামের সঙ্গে বাস শ্রমিকদের পাওনা নিয়ে আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধের জেরে রংপুর বাস মিনিবাস মালিক সমিতির কয়েকজন নেতাকর্মী তাকে লাঞ্ছিত করেন। পরে বিষয়টি নীলফামারী জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের অবহিত করা হয়। এ ঘটনার সঠিক বিচার না হওয়া পর্যন্ত রংপুর জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির অধীনে চলাচলকারী সব বাস বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় নীলফামারী জেলা শ্রমিক ইউনিয়ন। ফলে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় নীলফামারী ও আশপাশের রুটে যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন।

শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা জানান, মালিক সমিতির পক্ষ থেকে শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে তারা দাবি করেছেন।

নীলফামারী জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমাদের শ্রমিক নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সঠিক বিচার না হওয়া পর্যন্ত রংপুর বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সব বাস নীলফামারী জেলা দিয়ে চলতে দেব না।


জলঢাকায় বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল

জলঢাকায় বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল


বদিউজ্জামান জলঢাকা নীলফামারীঃ নীলফামারীর জলঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে  তিন তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী ও গণতন্ত্রের আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায়  দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আদ শনিবার(২৯ নভেম্বার) সন্ধ্যা ৭টায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠান ঘিরে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল জলঢাকা পৌরসভা
দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।এতে জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা,পৌর যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও  ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ অংশ নেন। শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ পূর্ণ হয়ে যায় নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন   পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তারুল ইসলাম রিয়াদ,সঞ্চালন  করেন পৌর যুবদলের সদস্য আবু তোরাব ইমন।এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের  আলমগীর হোসেন পৌর ছাত্রদলের সদস্য রিপন ইসলামসহ অনেকে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তারা বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে তার ভূমিকা এবং বাংলাদেশের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় তার দৃঢ় অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।
স্থানীয় মসজিদের ইমামের নেতৃত্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ,দীর্ঘায়ু,সুস্বাস্থ্য,দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।  

Saturday, November 29, 2025

তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা, সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষমতা তার হাতে নেই

তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা, সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষমতা তার হাতে নেই


মাহমুদ আল-হাছান, তিস্তা নিউজঃ  সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য সঙ্কট ও ঘনঘন হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়ার প্রেক্ষিতে তাঁর একমাত্র সন্তান তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসা ও মায়ের সঙ্কটকালে তাঁর পাশে থাকার বিষয়ে বিভিন্ন কথা উঠতে থাকার প্রেক্ষিতে আজ তারেক রহমান ফেসবুকে একটি আবেগঘন স্টাটাস দিয়েছেন। স্টাটাসে তিনি মায়ের শারিরিক অবস্থা নিয়ে তাঁর গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠার কথা জানান। একজন সন্তান হিসেবে এ সময় তাঁর মায়ের পাশে থাকা খুব প্রয়েজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি তাঁর স্টাটাসে উল্লেখ করেন, তিনি দেশে ফিরতে চাইলেও তাঁর দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষমতা তার হাতে নেই। এই সিদ্ধান্ত গ্রহনকে কে বা কারা প্রভাবিত করছে সেটা প্রকাশ করতেও তিনি অপারগ বলে তার স্টাটাসে তিনি উল্লেখ করেন।

জনাব তারেক রহমানের এই স্ট্যাটাস নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে বলার চেষ্টা করছেন যে, তারেক রহমান ভিনদেশের কোনো গোয়েন্দা সংস্থার নিরাপত্তা বেষ্টনিতে আটকে আছেন। মায়ের অসুস্থতার মতো গুরুতর প্রয়োজনে তার দেশে ফিরে আসা আটকানোর ক্ষমতা ছোট্ট কোনো ক্ষমতাধরের পক্ষে সম্ভব নয় বলে তারা মত প্রকাশ করেন।মানুষের এই ধারনা সত্যি হলে এটি একটি ভয়াবহ ব্যাপার বলে অনেকে মনে করছেন। এটি পরবর্তিতেও বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্যে মারাত্মক হুমকি হতে পারে বলে মানুষ মনে করছে। অনেকে বলছেন, মায়ের অসুস্থতার তাঁর কাছে আসার ক্ষেত্রে কোনো বাঁধাই বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।

কেউ কেউ আবার তারেক রহমানের বক্তব্যের সমর্থনে বলার চেষ্টা করছেন যে, একজন ভবিষ্যত দেশ নায়ককে অনেক দিক ভেবে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। নিশ্চয়ই এমন কোনো বিষয় আছে যা তাঁকে এমন কঠিন সময়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত গ্রহনকে।বিলম্বিত করছে। বাধা কেটে গেলেই তিনি দেশে ফিরবেন বলে তারা উল্লেখ করেন।

মায়ের অসুস্থতায়,দেশে ফেরা নিয়ে যে বার্তা দিলেন তারেক রহমান

মায়ের অসুস্থতায়,দেশে ফেরা নিয়ে যে বার্তা দিলেন তারেক রহমান

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য দোয়া চেয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার সকাল পৌনে ৯টায় নিজের ভেরিফায়েড স্ট্যাটাসে তারেক রহমান বলেন, ‘এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। স্পর্শকাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত।

’ তারেক রহমান আরো বলেন, ‘রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তার রোগমুক্তির জন্য দলমত নির্বিশেষে দেশের সব স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যাহত রেখেছেন। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা তার রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসার সর্বত সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

দেশ বিদেশের চিকিৎসকদল বরাবরের মতো তাদের উচ্চ মানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিকতা সেবা প্রদান অব্যাহত রেখেছেন। বন্ধুপ্রতিম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সব প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করা হয়েছে।’

বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সবার প্রতি দোয়া অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানিয়ে তারেক রহমান লিখেছেন, ‘সর্বজন শ্রদ্ধেয়া বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সবার আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।’


Friday, November 28, 2025

অন্য ধর্মের লোকেরাও জামায়াতের হয়ে এমপি পদে লড়বেন: জামায়াত আমীর

অন্য ধর্মের লোকেরাও জামায়াতের হয়ে এমপি পদে লড়বেন: জামায়াত আমীর

তিস্তা নিউজ ডেস্কঃ  আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্য ধর্মের লোকেরাও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর হয়ে সংসদ সদস্য (এমপি) পদে লড়বেন বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। 

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ভাষানটেকে আয়োজিত এক গণসমাবেশে এমনটাই জানান তিনি। 

জামায়াত আমির বলেছেন, দেশের আপামর জনগণ পুরোনো বস্তাপচা রাজনীতি আর চায় না। পরিবর্তনের কথা বলে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে নিজের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে দেবে না। যে সরকারের মদদপুষ্ট হয়ে কেউ চাঁদাবাজি করার দুঃসাহস দেখাবে না। সমাজের সর্বস্তরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। নারী-পুরুষ সবাই সম্মানের সঙ্গে শান্তিতে এ সমাজে বসবাস করে উন্নয়নের গর্বিত অংশীদার হয়ে ভূমিকা রাখবে। 

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ যাদের কর্মসূচি সমর্থন করবে, যাদের ওপর আস্থা রেখে তাদের বাছাই করে নেবে- আমরা তাদের অভিনন্দন জানানোর জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। যদি জনগণ আমাদের বেছে নেয়, তবে আমরা সব রাজনৈতিক দল ও শক্তিকে আহ্বান জানাব আপনারাও আমাদের সমর্থন দেবেন, অভিনন্দন জানাবেন এবং আপনাদের সঙ্গে নিয়েই আমরা দেশ গড়ব ইনশাআল্লাহ। 

নির্বাচিত হলে কাউকে বাদ না দিয়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়বে জামায়াত- এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সুযোগ পেলে আমাদের সরকার পরিচালনার ভিত্তি হবে, মহান আল্লাহতালাকে ভয় করা। আল্লাহকে যারা ভয় করবে, জনগণের সব আমানত তার কাছে নিরাপদ। জনগণকে তাদের অধিকার চেয়ে নিতে হবে না, সরকার তাদের অধিকার ঘরে পৌঁছে দিতে বাধ্য থাকবে। এটি আমাদের মদিনা কেন্দ্রিক শাসনের গর্বিত ইতিহাস। আমরা দল-মত নির্বিশেষে সব মানুষের জন্য সেই ইতিহাস রচনা করতে চাই।

জামায়াত আমির বলেন, অনেকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করে। তারা বলে- জামায়াত যেহেতু ইসলামী দল, সেই কারণে অন্য দলের লোকেরা তাদের হাতে নিরাপদ না। আমি মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করে চ্যালেঞ্জ দিলাম- ৫৪ বছরের স্বাধীন বাংলাদেশে জামায়াতের কোনো নেতা কোনো অন্য ধর্মের লোকের ওপর জুলুম করেছে, ইজ্জতের ওপর হাত দিয়েছে, সম্পদ লুণ্ঠন করেছে, সাহস থাকলে আমাদের তা বলে দিন। আমরা সেই দুষ্ট লোক তৈরি করি না। আল্লাহ যদি আমাদের দেশ পরিচালনার তৌফিক দেন, তারা বাংলাদেশে নিরাপদ থাকবে এবং আগামী নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর হয়েও তাদের কেউ কেউ সংসদ সদস্য (এমপি) হবেন। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কখনো দেশ ছেড়ে পালায় না। আন্দোলন করেছি, জীবন দিয়েছি, কিন্তু আমরা দেশ ছেড়ে পালাইনি। কারণ আমরা এই দেশকে, দেশের মানুষকে ভালোবাসি।


সূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর।

‘নিরপেক্ষ’ ৬৩৯ ওসির সন্ধানে পুলিশ সদর দপ্তর

‘নিরপেক্ষ’ ৬৩৯ ওসির সন্ধানে পুলিশ সদর দপ্তর

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সারা দেশের ৬৩৯টি থানায় সৎ, নিরপেক্ষ, দক্ষ ও প্রশাসনিকভাবে যোগ্য ওসি নিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ সদর দপ্তর। এজন্য রেঞ্জ ডিআইজিদের কাছে যোগ্য পুলিশ পরিদর্শকদের তালিকা পাঠানোর নির্দেশ দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

গত ১৬ নভেম্বর অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) একে এম আওলাদ হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিটি পুলিশের আটটি রেঞ্জের ডিআইজিদের কাছে পাঠানো হয়। একজন রেঞ্জ ডিআইজি চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে থানার ওসির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি থানায় সৎ, নিরপেক্ষ ও প্রশাসনিক কাজে দক্ষ কর্মকর্তাদের একটি তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-২ শাখায় পাঠাতে অনুরোধ করা হলো। চিঠির অনুলিপি ডিএমপি কমিশনার, অতিরিক্ত আইজিপি (এসবি) ও অ্যাডিশনাল আইজিপির (সিআইডি) কাছে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন, ২০১৮ সালের রাতের ভোটের নির্বাচন ও ২০২৪ সালের ডামি নির্বাচনে থানাগুলোতে যেসব ওসি দায়িত্ব পালন করেছে, ত্রয়োদশ নির্বাচনে তাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে না। কেউ যাতে কোনোভাবে লবিং করে নির্বাচনে দায়িত্বে আসতে না পারেন সেদিকেও নজর রাখছে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।


সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট ওসিদের বিরুদ্ধে আইজিপি কমপ্লেইন সেলে কোনো অভিযোগ আছে কি না তা যাচাই করা হচ্ছে। কারো বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্ত, বিভাগীয় মামলা বা শাস্তিমূলক কোনো রেকর্ড থাকলে তা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচিত ওসিদের নিজ জেলায় দায়িত্ব না দেওয়ার নীতিও কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে। এছাড়াও কোনো রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সূত্র আরো জানায়, সংশ্লিষ্ট ওসিদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। সংকটকালীন মুহূর্তে তারা কোন কোন এলাকায় দায়িত্ব পালন করেছেন তা দেখা হচ্ছে। রেঞ্জ ডিআইজিরা এ, বি ও সি ক্যাটাগরিতে ওসিদের নামের তালিকা ভাগ করেছেন। এ ক্যাটাগরির কোনো ওসির বিরুদ্ধেও নেতিবাচক তথ্য পাওয়া গেলে তাহলে তাদের নির্বাচনকালীন দায়িত্ব দেওয়া হবে না।

এদিকে ওসি মূল্যায়নে অনেকের বিষয়ে সঠিক তথ্য না-ও উঠে আসতে পারে। কারণ, কোনো জেলার ওসির সঙ্গে সঙ্গে রেঞ্জ ডিআইজির সুসম্পর্ক থাকলে তার মূল্যায়ন যথাযথ না-ও হতে পারে। আবার রেঞ্জ ডিআইজি তার ইচ্ছামত তালিকা দিতে পারে। এমন বিষয়টিও আমলে রেখেছে পুলিশ সদর দপ্তর। এজন্য কনফিডেনশিয়াল শাখাকে মাঠপর্যায়ে গোপনে তথ্য যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হবে।