সর্বশেষ

Monday, January 26, 2026

ডাকসু থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত সর্বমিত্র চাকমার

ডাকসু থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত সর্বমিত্র চাকমার

সর্বমিত্র চাকমা 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সর্বমিত্র চাকমা। আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী-২ নামে ঢাবি শিক্ষার্থীদের ফেসবুক গ্রুপে দেওয়া পোস্টে এমন তথ্য জানিয়েছেন সর্বমিত্র নিজেই। এসময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও জিমনেসিয়ামে শিক্ষার্থীদের কান ধরে ওঠবস করানোর জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন।

পোস্টে সর্বমিত্র লেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের মাঠটি শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য। দীর্ঘদিন ধরে বহিরাগতদের অবাধ অনুপ্রবেশ একটি গুরুতর নিরাপত্তা সংকটে রূপ নিয়েছে। বহিরাগত ব্যক্তিদের দ্বারা প্রায় নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার ঘটনা ঘটে , মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও সাইকেল চুরির মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনা শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলছে না, বরং একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও নিরাপদ পরিবেশকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

তিনি বলেন, উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই পরিস্থিতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা বারবার প্রশাসনকে অবগত করলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়নি, নিরাপত্তা জোরদার করা হয়নি, এমনকি বহিরাগতদের প্রবেশ রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়নি। প্রশাসনের এই দীর্ঘস্থায়ী নীরবতা ও অসহযোগিতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

তার অভিযোগ, বহিরাগতরা নিয়মিতভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বিপরীত পাশের দেয়াল টপকে প্রবেশ করে। তাদের একাধিকবার নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা তা অগ্রাহ্য করেছে। নিষেধ করতে গেলে তারা উল্টো স্টাফদের লক্ষ্য করে ঢিল ছুঁড়ে পালিয়ে যায়—যা একটি চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির ইঙ্গিত বহন করে। এমন বাস্তবতায় শিক্ষার্থীরা বারবার অভিযোগ জানালেও কার্যকর সমাধান না আসায় ক্ষোভ ও আতঙ্ক ক্রমেই বাড়তে থাকে।

প্রশাসনিক ব্যর্থতা উল্লেখ করে সর্বমিত্র বলেন, এই প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আমি বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকানোর উদ্দেশ্যে তাদের কান ধরে উঠবস করাতে বাধ্য হই। এটি কোনোভাবেই আমার প্রত্যাশিত বা কাম্য আচরণ ছিল না। আমি স্বীকার করছি—এভাবে কাউকে শাস্তি দেওয়া আমার উচিত হয়নি এবং এই ঘটনার জন্য আমি নিঃশর্তভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

সর্বশেষ পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একই সাথে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য পদ হতে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ সিদ্ধান্ত আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত , কারো প্রতি ক্ষুব্ধ বা অভিমানবশত নয়। আমি মনে করি, শিক্ষার্থীরা যে প্রত্যাশা নিয়ে আমাকে প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নিয়েছেন , আমি সে প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হইনি। প্রশাসনের অসহযোগিতা এবং ব্যর্থতার দায় মাথায় নিয়ে, আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

Sunday, January 25, 2026

লালমনিরহাটে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০

লালমনিরহাটে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০


গোলাম আজম(হাতিবান্ধা)প্রতিনিধি ঃ  
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় নির্বাচনি প্রচার ও গণসংযোগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুই দলই একে অপরকে দায়ী করেছে।

রোববার বিকেলে হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেডিকেল মোড় সংলগ্ন কসাইটারী এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোয়ারুল ইসলাম রাজু।


অপরদিকে একই আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান রাজীব প্রধান।


রোববার বিকেলে ওই এলাকায় দুই প্রার্থীর সমর্থকদের পৃথক গণসংযোগ চলাকালে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।


ঘটনার বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু বলেন, “এখন পর্যন্ত কী বিষয় নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে তা আমি নিশ্চিত নই। আহতের সংখ্যাও বলতে পারছি না। ঘটনাস্থল থেকে তথ্য সংগ্রহ করলে বিস্তারিত জানা যাবে।”


এদিকে সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে বিএনপি প্রার্থী হাসান রাজীব প্রধানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, “নির্বাচনি প্রচারের সময় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিষয়টি যেহেতু নির্বাচন আচরণবিধির আওতাভুক্ত, তাই আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে বিএনপি প্রার্থী হাসান রাজীব প্রধানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, “নির্বাচনি প্রচারের সময় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিষয়টি যেহেতু নির্বাচন আচরণবিধির আওতাভুক্ত, তাই আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভারত থেকে ৮ ট্রাকে দেশে এলো ১২৫ টন বিস্ফোরক, জানা গেল কারণ

ভারত থেকে ৮ ট্রাকে দেশে এলো ১২৫ টন বিস্ফোরক, জানা গেল কারণ


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ এবার ভারত থেকে আটটি ট্রাক বোঝাই করে ১২৫ মেট্রিক টন বিস্ফোরক দ্রব্য ঢুকেছে দেশে। গতকাল শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর হয়ে ৮টি ট্রাকে করে এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক বেনাপোল স্থলবন্দরে প্রবেশ করে।

জানা গেছে, দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের খনি থেকে পাথর উত্তোলন ও খনন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিস্ফোরক দ্রব্যের এই বিশাল চালানটি আমদানি করেছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড। চালানটি সরবরাহ করেছে ভারতের ‘সুপার সিভা শক্তি কেমিক্যাল প্রাইভেট লিমিটেড’। বিস্ফোরক আমদানির বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় বন্দর এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এদিকে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, বিস্ফোরক দ্রব্যের চালানটি সরকারি নিয়ম ও অনুমোদনের আওতায় আনা হয়েছে। বন্দর এলাকায় সার্বক্ষণিক পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি রয়েছে। নিরাপত্তার কোনও ঘাটতি নেই এবং সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।

এদিকে বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) শামিম হোসেন রেজা জানান, বিস্ফোরক বোঝাই ভারতীয় ট্রাকগুলো বর্তমানে বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে পুলিশি পাহারায় রাখা হয়েছে। কাস্টমস হাউসে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করার পর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। প্রক্রিয়া শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কঠোর নিরাপত্তায় এই চালানটি দিনাজপুরের মধ্যপাড়া খনি প্রকল্পে পাঠানো হবে।

জলঢাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে, হিরোইন ,ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক।

জলঢাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে, হিরোইন ,ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক।

যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক মাদক কারবারি 
হাকিম বদিউজ্জামান জলঢাকা: নীলফামারীর জলঢাকায়  যৌথ বাহিনীর অভিযানে হিরোইন,ইয়াবাসহ রবিউল (৩৪) ও কিবু (৪২) দুই জন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। ২৪ জানুয়ারি (শনিবার) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে পরিচালিত অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৪৮ পুরিয়া হেরোইন, ১২ পিস ইয়াবা, নগদ  ১০ হাজার ১শত ৪০ টাকা, ৩টি মোবাইল ফোন এবং মাদক বহনের জন্য ব্যবহৃত সুজকি ১১০ সিসির ১টি মোটর সাইকেল এবং ২ টি হিসাব খাতা জব্দ করা হয়।

যৌথ বাহিনী জানায়, জলঢাকা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মাহমুদ এর নেতৃত্বে,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় আটককৃতদের হেফাজত থেকে হিরোইন,ইয়াবা ট্যাবলেট ছাড়াও নগদ অর্থ ও মোবাইল ফোন, মোটরসাইকেল এবং লেনদেনের হিসাব খাতা উদ্ধার করা হয়, যা মাদক বেচাকেনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, জলঢাকা  ও আশপাশের এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে নিয়মিত অভিযান চলমান রয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর এই অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে এমন কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকলে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে।

Saturday, January 24, 2026

জামায়াতের নির্বাচনি সভায় ডা. তাহেরের জন্য দোয়া চাইলেন আ.লীগ নেতা

জামায়াতের নির্বাচনি সভায় ডা. তাহেরের জন্য দোয়া চাইলেন আ.লীগ নেতা

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের নির্বাচনি সমাবেশে বক্তৃতা দিয়েছেন হত্যা মামলার আসামি আওয়ামী লীগ নেতা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ১ মিনিট ৬ সেকেন্ডর ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় ওঠে নেট দুনিয়ায়।

গত বৃহস্পতিবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন জামায়াতের প্রার্থী সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের । প্রচারণার প্রথম দিনে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের ছুফুয়া বাজারে প্রচারণা করেন আওয়ামী লীগের নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ মজুমদার। তিনি কালিকাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কালিকাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ছুফুয়া বাজারে নির্বাচনি সমাবেশে চৌদ্দগ্রাম সরকারি কলেজের সাবেক জিএস খলিলুর রহমান মজুমদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। এ সময় সেখানে উপস্থিত হন আওয়ামী লীগ নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ। তখন আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ঘোষণা করেন, সালাউদ্দিন সাহেব এখানে এসেছেন, আমি তাকে স্বাগত জানাই। তিনি উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলেন, সালাউদ্দিন এখন আপনাদের সালাম দেবেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের ঘোষণার পর মঞ্চে এসে বক্তৃতা করেন আওয়ামী লীগ নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ।

আওয়ামী লীগ সালাউদ্দিন বলেন, সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আপনারা কেন্দ্রে আসবেন, ভোট দেবেন। এখন শিক্ষিতের হার বেশি, আপনারা সবই বোঝেন। আপনারা বুঝে-শুনে নিজেদের রায় দেবেন। ভালো জায়গায় দেবেন, যেখানে দিলে কাজে লাগবে, সেখানে দেবেন। আমি এর বেশি কিছু বলব না। চৌদ্দগ্রামের সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির তাহের ভাইকে আপনারা এখন টিভিতে খবরে দেখেন। তিনি বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেন, বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাই ভোটে আপনারা বুঝে-শুনে রায় দেবেন। তাহের ভাই কিছুটা অসুস্থ। আমি আপনাদের কাছে তাহের ভাইয়ের জন্য দোয়া চাই এবং তার দীর্ঘায়ু কামনা করি।


সূত্রঃ দৈনিক আমার দেশ।

বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ, বিকল্প দল নিল আইসিসি

বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ, বিকল্প দল নিল আইসিসি


স্পোর্টস ডেস্ক ঃ আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরিয়ে তাদের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভূক্ত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।  শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এমনটা জানিয়েছে ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ।

আইসিসির প্রধান নির্বাহী (সিইও) সাঞ্জোগ গুপ্তা আইসিসি বোর্ডের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বোর্ডের সব সদস্যের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দাবি এবং অবস্থান আইসিসির নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। যেহেতু বিসিবি আইসিসি বোর্ডের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি, তাই এই মেগা ইভেন্টে বাংলাদেশের পরিবর্তে অন্য একটি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই আইসিসির হাতে।

গত বুধবার আইসিসির সভা শেষে বাংলাদেশকে ভারতে বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে ২৪ ঘণ্টা সময় বেধে দেয়। এরপর বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠক করে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বৈঠক শেষে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকার কথা জানান তিনি।

বাংলাদেশের বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ড ‘সি’ গ্রুপে জায়গা পাবে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে স্কটিশরা। এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির বিপক্ষে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি একই ভেন্যুতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে। এরপর  ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে নেপালের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ খেলবে তারা।

ক্রিকবাজ ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের সিইও ট্রুডি লিন্ডব্লেডের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে। কিন্তু তার কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ওয়েবসাইট জানতে পেরেছে, দুবাই ও এডিনবার্গের মধ্যে যোগাযোগ হয়েছে। 

কবরে গিয়ে অন্তত আল্লাহকে বলতে পারবেন ‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়েছি’: শাহরিয়ার কবির

কবরে গিয়ে অন্তত আল্লাহকে বলতে পারবেন ‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়েছি’: শাহরিয়ার কবির

ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ এবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির বলেছেন, দাঁড়িপাল্লাকে জয়লাভ করানো সবার ঈমানি দায়িত্ব। এই জয়লাভের মাধ্যমে আমরা আল্লাহকে খুশি করব। তিনি বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লায় যদি ভোট না দেন কী উত্তর দিবেন? শেখ মুজিব কি কাউকে জান্নাতে নিয়ে যেতে পারবে? পারবে না। জান্নাতে নিয়ে যেতে পারবে আল্লাহ তায়ালা। তাই কবরে গিয়ে অন্তত আল্লাহকে বলতে পারবেন—তোমার দিন কায়েমের জন্য দাড়িঁপাল্লায় ভোট দিয়েছি।’

গতকাল শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে নওগাঁ পৌরসভার আরজি-নওগাঁ বিদ্যালয় মাঠে জামায়াত ইসলামীর নির্বাচনী সভায় তিনি এসব কথা বলেন। শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘ভোট হচ্ছে আমানত। যে ভোট নিয়ে দেশের জন্য কাজ করবে না সে আমানত খেয়ানতকারী। দাঁড়িপাল্লা ইনসাফের প্রতীক। আমরা সবসময় ন্যায় ও সৎ ব্যক্তির পক্ষে। বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মনোনীত যেসব প্রার্থী রয়েছে তারা দেশের সেবক হবে। তারা গদিতে বসার জন্য দাঁড়িপাল্লায় প্রতীকে দাঁড়ায়নি।

জামায়াতের ইসলামীর আমির বলেছেন, ভোটের পরে জামায়াত ইসলামীর কেউ আমানত খেয়ানত করলে তার কলিজা টেনে ছিঁড়ে ফেলে দেওয়া হবে। এরকম কথা কোনো দলের নেতা বলেনি।’ শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘নওগাঁতে যত প্রার্থী আছে, কেউ যদি দ্বীন কায়েমের কথা বলে তাকে ভোট দেবেন। কিন্তু যে দিন কায়েম করতে জানে না, তাকে যদি ভোট দেন তাহলে আপনি আমানতের খেয়ানত করলেন।’

তিনি বলেন, ‘আগের সময়ে জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার বিএনপি ছিল। এখন যারা বিএনপি করছে এই বিএনপি সেই বিএনপি না। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে কোনো চোরাকারবারি, চাঁদাবাজ ও অসৎ লোকের হাতে ক্ষমতা দেব না। কেউ ভোট চুরি করতে আসলে প্রতিহত করতে হবে। নিজে চুরি করব না, কাউকে চুরি করতে দেব না। চাঁদাবাজদের বাংলাদেশ ঠাঁই হবে না।’