সর্বশেষ

Monday, January 19, 2026

সীতাকুণ্ডে সন্ত্রাসীদের হামলায় র‍্যাব সদস্য নিহত

সীতাকুণ্ডে সন্ত্রাসীদের হামলায় র‍্যাব সদস্য নিহত


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের হামলায় র‍্যাব-৭–এর অধীনে অভিযানে থাকা বিজিবির নায়েব সুবেদার আব্দুল মোতালেব নিহত হয়েছেন। সোমবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

এতে র‍্যাবের আরও একজন সদস্য গুরুতর আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

রাত ৮টার দিকে র‍্যাব ৭ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম ) এআরএম মোজাফফর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

তিনি জানান, অভিযানের সময় দুর্বৃত্তরা র‍্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার একপর্যায়ে তিন সদস্যকে আটকে রাখার খবর পাওয়া গেছে। তাদের উদ্ধারে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, “হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। এলাকার পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ।”

বিজিবির নায়েব সুবেদার পদমর্যাদাটি মূলত প্লাটুন কমান্ডারের দায়িত্ব পালনের পদ, যেখানে মাঠপর্যায়ের অপারেশনে নেতৃত্ব দেওয়ার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিহত আব্দুল মোতালেব র‌্যাব-৭ এর অভিযানে সহায়ক বাহিনী হিসেবে যুক্ত ছিলেন।

দীর্ঘদিনের দখল-সন্ত্রাসের গোপন ঘাঁটি

জানা গেছে, সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় প্রায় চার দশক ধরে সরকারি পাহাড় ও খাস জমি দখল করে গড়ে উঠেছে হাজার হাজার অবৈধ বসতি। দুর্গম পাহাড়ি পরিবেশ কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়খেকো, ভূমিদস্যু ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এখানে শক্ত ঘাঁটি গড়ে তুলেছে।


এলাকাটি এখনো সশস্ত্র পাহারায় নিয়ন্ত্রিত নয়। বহিরাগতদের প্রবেশ সেখানে কার্যত নিষিদ্ধ।


জেলা প্রশাসন সূত্র বলছে, প্রায় ৩ হাজার ১০০ একর আয়তনের জঙ্গল সলিমপুরে লিংক রোড সংলগ্ন প্রতি শতক জমির বাজারমূল্য ৯ থেকে ১০ লাখ টাকা। সে হিসেবে সরকারি খাসজমি দখলের বাজারমূল্য প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা। এই বিশাল অর্থনৈতিক স্বার্থকে কেন্দ্র করে এলাকায় সংঘাত, খুনোখুনি ও সন্ত্রাসী তৎপরতা প্রায় নিয়মিত।


গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জঙ্গল সলিমপুরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ আরও তীব্র হয়। এরপর একাধিক হত্যাকাণ্ড ঘটে—সবই পাহাড় দখলকে কেন্দ্র করে। কিছুদিন আগে দুই পক্ষের গোলাগুলিতে একজন নিহত হন। পরদিন সংবাদ সংগ্রহে গেলে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হন দুই সাংবাদিক।


এর আগেও এ এলাকায় অভিযান চালাতে গিয়ে প্রশাসন হামলার মুখে পড়ে। ২০২৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর উচ্ছেদ অভিযান শেষে ফেরার পথে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ওসি ও পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। ২০২২ সালেও র‍্যাব, পুলিশ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ওপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে।

নীলফামারীতে তিস্তা সেচ খালের বাঁধ ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি প্লাবিত

নীলফামারীতে তিস্তা সেচ খালের বাঁধ ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি প্লাবিত


মাহমুদ আল হাছান তিস্তা নিউজ : নীলফামারীতে তিস্তা সেচ ক্যানেলের দিনাজপুর খালের বাঁধ ভেঙে শতাধিক একর ফসলী জমি প্লাবিত হয়ে তলিয়ে গেছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারী) বেলা ১২টার দিকে নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়া নামক স্থানে দিনাজপুর ক্যানেলের ডানপাড়ের তীর বাঁধে এ ভাঙনের সৃষ্টি হয়। এতে ওই ক্যানেলের অন্তত ২০ ফিট ভেঙে যায়। ফাটলের ফলে ক্যানেলের পাশ্ববর্তী অন্তত শতাধিক একর জমির সরিষা, বোরো বীজতলা, ভুট্টা, আলু ও রবি শস্য পানিতে তলিয়ে প্লাবিত হয়েছে।

ওই ক্যানেলে সংলগ্ন বাড়ি কৃষক আব্দুর রহমান বলেন, চলতি বোরো মৌসুমের (খরিপ-১) তিস্তা সেচ প্রকল্প থেকে ১৫ জানুয়ারী হতে পানি দেয়া শুরু হয়। ওই সেচের পানি পেয়ে তিস্তার কমান্ড এলাকার দিনাজপুর ক্যানেলের দুই ধারে কৃষকরা বোরো আবাদের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে চারা রেপন করছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন ফসলে সেচ দিচ্ছেন। এ অবস্থায় আজ সোমবার বেলা ১২টার দিকে ক্যানেলের ডান তীর বাঁধ ভেঙে আমার জমিসহ আসে পাশের অন্তত শতাধিক একর জমিতে পানির স্রোত বয়ে যাচ্ছে।

একই গ্রামের কৃষক রজব আলী জানান, ঘটনার পর পরই নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের ফোন করা হয়। তিনি বলেন কর্তৃপক্ষ প্রতি বছর নামমাত্র সংস্কার করে ক্যানেল। এতে ক্যানেলের পাড় ভাঙনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনিসহ ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা।

ওই এলাকার কৃষক শরিফ ইসলাম, শফিকুল ইসলাম সহ আরও অনেকে জানান, এর আগে ২০১৫ ও ২০২৪ সালেও ক্যানেলের বাধ বিধ্বস্থ হয়েছিল। এতে আমাদের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা ওই এলাকার নীলফামারী - পঞ্চপুকুর সড়কটি অবরোধ করে ক্ষতিপূরনের দাবি তুলেছে। সেখানে নীলফামারীর পানি উন্নয়ন বোডের উপ-সহকারি প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান গেলে তাকে কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়।

নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান জানান, যতদুর ধারনা ওই স্থানে ঈঁদুরের গর্তের সৃস্টি ছিল। সেচের জন্য ক্যানেলে পানি ছাড়ায় ঈঁদুরের গর্তের কারনে ক্যানেলে তীর বা পাড় ২০ ফিট বিধ্বস্থ হয়েছে।

তিনি বলেন, যেহেতু সেচ নির্ভর বোরো আবাদ শুরু হয়েছে। আমরা দ্রুত বিধ্বস্থ স্থানটি মেরামত করে সেচ কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে পারবো। তবে দিনাজপুর ক্যানেলে বাধ ক্ষতিগ্রস্থ হলেও সেচ প্রকল্পের রংপুর ও বগুড়া ক্যানেলে সেচ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।  

বক্তব্য প্রদানকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন জেলা জামায়াত আমির

বক্তব্য প্রদানকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন জেলা জামায়াত আমির


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ মুফতি আমীর হামজাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদকালে অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির অধ্যাপক আবুল হাশেম। আজ (১৯ জানুয়ারি) এক নির্বাচনী সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বক্তব্যের এক পর্যায়ে আবুল হাশেম হঠাৎ মাথা ঘুরে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

আবুল হাশেম দীর্ঘদিন ধরে জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক ইকবাল হোসেন।  তিনি বলেন, ‘কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেম স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেছেন। বক্তব্য দিতে দিতে তিনি স্ট্রোক করেন।’

জলঢাকায় দৈনিক জনবাণী পত্রিকার ৩৫ বছর পূর্তি উদযাপন

জলঢাকায় দৈনিক জনবাণী পত্রিকার ৩৫ বছর পূর্তি উদযাপন

জনবানী পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত 

হাকিম বদিউজ্জামান জলঢাকা : সত্য, বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার অঙ্গীকার নিয়ে দৈনিক জনবাণী পত্রিকার প্রকাশনার ৩৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জলঢাকা প্রেস ক্লাবে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিক ও সুধীজনরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কামারুজ্জামান, সভাপতি, প্রেস ক্লাব জলঢাকা, নীলফামারী। তিনি বলেন, জনবাণী দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজের সত্য তুলে ধরছে, যা প্রশংসনীয়।

আমন্অত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মোঃ নাজমুল আলম, অফিসার ইনচার্জ, জলঢাকা থানা। তিনি বলেন, গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সচেতন সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি জলঢাকায় আইন শৃংখলা রক্ষায়, সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন ফয়সাল মুরাদ, জলঢাকা উপজেলা প্রতিনিধি ‘আমার দেশ’ ও সম্পাদক, তিস্তা নিউজ এবং মাহবুবুর রহমান মনি, সাবেক সভাপতি, প্রেস ক্লাব জলঢাকা। তারা জনবাণীর সাংবাদিকতাগত ভূমিকা ও ধারাবাহিক সাফল্যের প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাহিদুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক, প্রেস ক্লাব জলঢাকা। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাহিদ হাসান লাল, উপজেলা প্রতিনিধি, দৈনিক জনবাণী।

বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আগামীতেও জনবাণী সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করবে।

Sunday, January 18, 2026

জামায়াতের মুনতাকিমকে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ঘোষণা

জামায়াতের মুনতাকিমকে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ঘোষণা


মাহমুদ আল হাছান তিস্তা নিউজ ঃ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর–কিশোরগঞ্জ) আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মুনতাকিমকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।

১৮ জানুয়ারি (রোববার) রাতে সৈয়দপুরে জামায়াতের নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত সমাবেশে কেন্দ্রীয় জামায়াতের পক্ষে নীলফামারী জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার এই ঘোষণা দেন।

প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার পর হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম বলেন,

“নীলফামারী-৪ আসনের সাধারণ মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আমি সর্বাত্মকভাবে কাজ করতে চাই। দল-মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা নিয়ে একটি কল্যাণমূলক সমাজ গঠনে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

জেলা আমির মাওলানা আব্দুস সাত্তার বলেন, “নীলফামারী-৪ আসনে ইসলামী মূল্যবোধ, সৎ নেতৃত্ব ও জনকল্যাণমূলক রাজনীতিকে প্রতিষ্ঠা করতেই হাফেজ আব্দুল মুনতাকিমকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।”

সমাবেশে সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার প্রায় ৫০০ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।


অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নীলফামারী জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার, নীলফামারী-৪ আসনের প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম, উপজেলা সেক্রেটারি মাযহারুল ইসলাম, সৈয়দপুর শহর জামায়াতের আমির শরফুদ্দিন খান, সেক্রেটারি ওয়াজেদ আলী, কিশোরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুর রশিদ শাহ এবং সেক্রেটারি ফেরদৌস রহমান।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির শফিকুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল মোমেন, সাবেক আমির মাওলানা লুৎফর রহমান, সাবেক আমির গোলাম মোস্তফা, কিশোরগঞ্জ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মনজুরুল ইসলাম রতনসহ সৈয়দপুর শহর, উপজেলা ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার কর্মপরিষদ সদস্য, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের সভাপতি ও সেক্রেটারি এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রচার প্রচারণার নির্দেশিকা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রচার প্রচারণার নির্দেশিকা


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রচার প্রচারণার নির্দেশিকা।

নির্দেশনায় বলা হয়, আসছে ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা পুরোদমে শুরু হতে যাচ্ছে। নির্বাচনি প্রচারণাকালে ব্যানার, বিলবোর্ড, ফেস্টুন, হ্যান্ডবিল ও লিফলেট, ছবি (পোর্ট্রেট) ও ভোটার স্লিপসংক্রান্ত সব বিধি-বিধান যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

 নির্দেশনা সমূহ ঃ

এক. ব্যানারের সর্বোচ্চ পরিমাপ হবে ১০ ফুট বাই ৪ ফুট, বিলবোর্ড ১৬ ফুট বাই ৯ ফুট, ফেস্টুন ১৮ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি, হ্যান্ডবিল বা লিফলেট ৮.২৭ ইঞ্চি বাই ১১.৬৯ ইঞ্চি, ছবি (পোর্ট্রেট) ৬০ সেন্টিমিটার বাই ৪৫ সেন্টিমিটার, ভোটার স্লিপ ১২ সেন্টিমিটার বাই ৮ সেন্টিমিটার।

দুই. নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না।

তিন. নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত ব্যানার, ফেস্টুন, হ্যান্ডবিল ও লিফলেট, ছবি (পোর্ট্রেট) ও ভোটার স্লিপ সাদা-কালো রঙের হতে হবে। শুধু বিলবোর্ড ও সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখা ও ছবি রঙিন করা যাবে।

চার. ব্যানার, হ্যান্ডবিল ও লিফলেট এবং ফেস্টুনে প্রার্থীর প্রতীক ও নিজের ছবির সাথে কেবল তার বর্তমান দলীয় প্রধানের পোর্ট্রেট ছবি ছাপাতে পারবেন।

পাঁচ. মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা ও মুদ্রণের তারিখবিহীন কোনো ব্যানার, হ্যান্ডবিল, লিফলেট ও ফেস্টুন ব্যবহার করা যাবে না।

ছয়. কোনো প্রার্থী কোনো নির্বাচনী এলাকায় ২০টির অধিক বিলবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন না।


সাত. নির্বাচনী প্রচারণা ও ভোটগ্রহণের সময় কোনো প্রকার ড্রোন, কোয়াডকপ্টার বা এরূপ যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।

নির্বাচনে যাবে কি না চিন্তা-ভাবনা করছে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ

নির্বাচনে যাবে কি না চিন্তা-ভাবনা করছে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ

এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের অভিযোগ এনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, এই নির্বাচনে আমরা অংশ নেব কি না, এখন সেটি বিবেচনা করার সময় এসেছে।

আজ রবিবার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য রাজনৈতিক দল বা জনগণের যে কনফিডেন্স অর্জনের কথা ছিল নির্বাচন কমিশনের, তা হারিয়েছে তারা। যদি এভাবে নির্বাচনের কার্যক্রম সামনের দিকে যেতে থাকে, তাহলে আমরা শঙ্কা প্রকাশ করছি যে, বাংলাদেশে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন বাস্তবায়ন করতে পারবে না ইসি।

ইসির বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, আজ নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানী শেষে একটি দলের সঙ্গে দেড় ঘণ্টা বৈঠক করে তারপর রায় ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। যা গণতন্ত্র ও নির্বাচনের অশনি সংকেতইসির সামনে মব সৃষ্টির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, একটি সংগঠন পরিকল্পিতভাবে ইসির সামনে মব সৃষ্টি করেছে। তাদের লক্ষ্য ছিল ঋণ খেলাপি ও বিদেশি নাগরিকদের মনোনয়ন বাতিল না করতে ইসির ওপর চাপ সৃষ্টি করা।