সর্বশেষ

Thursday, February 19, 2026

ঈদের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ মিলবে নগদ টাকা, পাবেন যারা

ঈদের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ মিলবে নগদ টাকা, পাবেন যারা


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ পাঁচ কোটি পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। 

বৈঠক শেষে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে কাউকে চাকরিচ্যুত করতে হলে বিধি অনুযায়ী করতে হবে। মব করে কাউকে চাকরিচ্যুত করা যাবে না। বাসসে যেটা হয়েছে সেটা শুনেছি। এই ঘটনা দুঃখজনক।

এসময় কৃষিমিন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড হিসেবে নগদ টাকা দেওয়া হবে। ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে হতদরিদ্র এবং নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

পরিবেশ মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড চালু হবে। ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। হতদরিদ্র পরিবার সবার আগে ফ্যামিলি কার্ড পাবে।

এরপর দরিদ্র পরিবার পাবে।

এখন থেকে শনিবারও অফিস করবেন প্রধানমন্ত্রী

এখন থেকে শনিবারও অফিস করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এখন থেকে শনিবারও অফিস করবেন। প্রশাসনে গতি আনার লক্ষ্যে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। 

ওদিকে দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি ও প্লট না নেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। যা বেশ প্রশংসিত হয়েছে। মন্ত্রীদেরকে বাহুল্য খরচ না করার জন্যও নির্দেশনা দিয়েছেন।

এদিন ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে যোগ দেবেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন তিনি।

এদিকে, দ্বিতীয় দিনের মতো আজ সচিবালয়ে গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   


পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কি ইউনূস? ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে বিস্ফোরক প্রতিবেদন

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কি ইউনূস? ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে বিস্ফোরক প্রতিবেদন

ফাইল ফটো 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে ভারতীয় একাধিক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন। ভারতের উত্তরবঙ্গ সংবাদ, এইসময় অনলাইন সহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে—বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূস-এর নাম গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, বর্তমান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন-এর মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত থাকলেও তিনি পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করতে পারেন—এমন গুঞ্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটেই বঙ্গভবনের পরবর্তী বাসিন্দা হিসেবে ইউনূসের নাম সামনে আসছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো উল্লেখ করেছে।

ভারতীয় বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, সদ্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফেরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এখন নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সরকার গঠনের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির পদ নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইউনূসের গ্রহণযোগ্যতা এবং পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক নতুন সরকারের জন্য কূটনৈতিকভাবে বড় সম্পদ হতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে ইউনূসের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে ‘জুলাই চার্টার’ অনুমোদনের ফলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে—এই বাস্তবতায় ইউনূস রাষ্ট্রপতি হলে সেটি কেবল আলঙ্কারিক নয়, বরং নীতিগত ও কৌশলগত গুরুত্ব বহন করবে বলেও মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, এতে করে সরকারপ্রধানের পাশাপাশি আরেকটি শক্তিশালী ক্ষমতাকেন্দ্র তৈরি হবে কি না।


তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি পদের জন্য কেবল ইউনূসই নন, বিএনপির ভেতরে একাধিক বর্ষীয়ান নেতার নামও আলোচনায় রয়েছে। খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং নজরুল ইসলাম খানের নাম সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় ঘুরে ফিরে আসছে। দলীয়ভাবে অনুগত কাউকে রাষ্ট্রপতি করলে সরকারের নীতিনির্ধারণে নিয়ন্ত্রণ আরও দৃঢ় থাকবে—এমন মতও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।


অন্যদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম NDTV-কে দেওয়া বক্তব্যে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টারা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে কোনও সাংবিধানিক পদে বসানো নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হয়নি। তারেক রহমান অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থায় বিশ্বাসী এবং দেশের স্বার্থে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের পরামর্শ নিতে আগ্রহী—এমন বার্তাই দেওয়া হয়েছে।


এই জল্পনার মধ্যেই ব্রিটিশ সাংবাদিক ও বিশ্লেষক ডেভিড বার্গম্যান সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করে বলেন, বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে—অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মনোযোগী একজন প্রধানমন্ত্রী এবং আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত একজন রাষ্ট্রপতির সমন্বয়। তাঁর এই মন্তব্য ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।


তবে সব জল্পনার বিপরীতে ইউনূস শিবির থেকে এই সম্ভাবনা সরাসরি নাকচ করা হয়েছে। তাঁর প্রেস সচিব জানিয়েছেন, ইউনূস রাজনীতি বা কোনও সাংবিধানিক পদে আগ্রহী নন। বরং তিনি তাঁর ‘থ্রি জিরো’—শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য কার্বন নিঃসরণ—এই বৈশ্বিক দর্শন নিয়েই কাজ করতে চান।


সব মিলিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর বিশ্লেষণে স্পষ্ট, মুহাম্মদ ইউনূস রাষ্ট্রপতি হবেন কি না—তা এখনো অনিশ্চিত। তবে ক্ষমতার পালাবদল, সাংবিধানিক পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির বাস্তবতায় তাঁর নাম যে বঙ্গভবনকে ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।


৩ সিটি দিয়ে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

৩ সিটি দিয়ে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন কার্যক্রম শুরু করতে চাইছে ইসি। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এই তিন সিটি নির্বাচন শেষে পর্যায়ক্রমে বাকি ৯ সিটি করপোরেশন এবং পাশাপাশি জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করা হবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর মেয়র, চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলরদের পদত্যাগের প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকার ১২টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০ পৌরসভা, ৪৯৭ উপজেলা পরিষদ এবং ৬৪টি জেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করে।

বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ ছাড়া এসব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। তবে আদালতের আদেশে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শাহাদাত হোসেন।
ইসি সূত্র জানায়, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন নিয়ে আলোচনা উঠেছিল। সেসময় তিন বড় সিটি করপোরেশন ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে চিঠি দেওয়া হয় ইসিকে।

পরে অবশ্য বিএনপিসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের আপত্তির কারণে সংসদের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে সম্মতি দেয়নি সরকার।

আইন অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২০ সালের ২ জুন। সেই হিসাবে গত বছরের ১ জুন এই সিটির পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে।


ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা হয়েছিল ২০২০ সালের ৩ জুন। এই সিটির পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের ২ জুন।


এ ছাড়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। আইন অনুযায়ী, এই সিটির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি। এই তিন সিটিতে নির্বাচনের প্রস্তুতি সবচেয়ে জরুরি হয়ে পড়েছে বলে মনে করছে ইসি। এ কারণে প্রথম দফায় সিটিগুলোতেই নির্বাচন আয়োজন করতে চাইছে তারা। 


ইসি সূত্র জানায়, চিঠি পাওয়ার পর কমিশন দ্রুত ভোটার তালিকা হালনাগাদ, নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ, প্রার্থী যাচাই-বাছাই এবং নির্বাচনী কর্মকর্তা নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করবে। চট্টগ্রাম সিটির জন্য সময় খুবই সীমিত থাকায় সেখানে আলাদা জরুরি পরিকল্পনা নেওয়া হতে পারে।

ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, তাদের মূল দায়িত্বই হচ্ছে নির্বাচন আয়োজন। সবসময়ই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হয় তাদের। সরকারের নির্দেশনা পাওয়া মাত্রই সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো আয়োজনের পথে এগোবেন তারা।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ঈদের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন করা হবে।

Wednesday, February 18, 2026

 জলঢাকায় ফ্রি কুরআন শিক্ষা কার্যক্রম শুরু

জলঢাকায় ফ্রি কুরআন শিক্ষা কার্যক্রম শুরু

 

হাকিম বদিউজ্জামান জলঢাকা ঃ  পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সমাজসেবামূলক সংগঠন হিলফুল ফুজুল মানবতা ট্রাস্ট–এর উদ্যোগে জলঢাকায় মাসব্যাপী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে কুরআন শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। সকল বয়সের নারী-পুরুষ ও ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত এ আয়োজন ১লা রমজান থেকে শুরু হয়ে পুরো মাসজুড়ে চলবে।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, অংশগ্রহণকারীদের নূরানি কায়দা সহীহভাবে শিক্ষা, তাজবীদসহ শুদ্ধ তিলাওয়াত এবং নামাজের প্রয়োজনীয় সূরা ও দোয়া শেখানো হবে। প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অভিজ্ঞ হাফেজ ও ক্বারী সাহেবগণ।

ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে জলঢাকা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রতিদিন দুপুর ৩:০০টা থেকে ৪:০০টা পর্যন্ত। কোর্সটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হওয়ায় আগ্রহীদের নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাফেজ ইয়ামিন আল ইসালাত জানান, রমজানের পবিত্র সময়ে মানুষের মাঝে সহীহ কুরআন শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়াই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, “সমাজে শুদ্ধ কুরআন শিক্ষার প্রসার ঘটাতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”

উদ্যোগটি সফল করতে এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছে আয়োজক সংগঠন।

বিএনপির কোনো এমপি প্লট নেবেন না, এটি মহানবীর ‘ন্যায়পরায়ণতার’ আদর্শ: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির কোনো এমপি প্লট নেবেন না, এটি মহানবীর ‘ন্যায়পরায়ণতার’ আদর্শ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী                 তারেক রহমান 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, বিএনপি থেকে নির্বাচিত কোনো সংসদ সদস্য সরকারি সুবিধা নিয়ে ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি আমদানি করবেন না এবং প্লট-সুবিধাও নেবেন না।

আজ বুধবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তারেক রহমান জানান, জনগণের প্রতি কৃচ্ছ্রসাধনের আহ্বান জানানোর আগে সরকার ও দলের পক্ষ থেকে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চেয়েছেন। সে লক্ষ্যেই বিএনপির সংসদীয় দলের প্রথম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ মানুষের প্রতি কৃচ্ছ্রসাধনের আহ্বান জানানোর আগে আমি সরকারের মন্ত্রী এবং বিএনপির এমপিদের দিয়েই একটি উদাহরণ তৈরি করতে চেয়েছি। বিএনপি থেকে নির্বাচিত কোনো এমপি সরকারি সুবিধা নিয়ে ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি আমদানি করবেন না এবং প্লট-সুবিধা নেবেন না।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আমি আপনাদের সামনে বলেছিলাম, রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে বিএনপি সরকার মহানবীর ‘‘ন্যায়পরায়ণতার’’ আদর্শ অনুসরণ করবে। আমি মনে করি, বিএনপির সংসদীয় দলের এই সিদ্ধান্ত সেই ‘‘ন্যায়পরায়ণতার’’ আদর্শেরই প্রতিফলন।’

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি ছিল তাঁর প্রথম জাতির উদ্দেশে ভাষণ। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার তিনি দেশের একাদশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

কলেজ-মাদরাসায় ৩৯ দিনের ছুটি শুরু আজ, স্কুলের কবে থেকে

কলেজ-মাদরাসায় ৩৯ দিনের ছুটি শুরু আজ, স্কুলের কবে থেকে


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের সরকারি-বেসরকারি কলেজ ও মাদরাসায় বুধবার(১৮ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে টানা ৩৯ দিনের ছুটি। ছুটির তালিকা অনুযায়ী আগামী ২৮ মার্চ পর্যন্ত এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। নিয়মিত ক্লাস শুরু হবে ২৯ মার্চ থেকে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের ছুটির বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, কলেজগুলোতে রমজান, ঈদুল ফিতর ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি মিলিয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত টানা ২৬ দিন বন্ধ থাকবে। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে এক দিনের সরকারি ছুটি রয়েছে। এরপর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ২৯ মার্চ, রোববার থেকে কলেজগুলোতে ক্লাস কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।

অন্যদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল, ভোকেশনাল স্কুল-কলেজ, ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট, বিএমটি কলেজ ও ভোকেশনাল কলেজগুলোর ছুটি শুরু হবে ৮ মার্চ থেকে। এসব প্রতিষ্ঠানে ২৯ মার্চ থেকে পুনরায় ক্লাস শুরু হবে।

এ ছাড়া ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৪ মে থেকে ৫ জুন পর্যন্ত মোট ১০ দিন ছুটি থাকবে কলেজগুলোতে। দুর্গাপূজা, বিজয়া দশমী, প্রবারণা পূর্ণিমা ও লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে ১৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ১০ দিনের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। শীতকালীন অবকাশ হিসেবে ১৭ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১১ দিন কলেজ বন্ধ থাকবে।

প্রতিবছরের মতো এবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের জন্য সংরক্ষিত তিন দিন ছুটি রাখা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানপ্রধান এসব ছুটি প্রদান করতে পারবেন।