সর্বশেষ

Tuesday, January 27, 2026

জলঢাকায় বিএনপি ও জাতীয় পার্টির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

জলঢাকায় বিএনপি ও জাতীয় পার্টির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান


মাহমুদ আল হাছান তিস্তা নিউজ ঃ নীলফামারীর জলঢাকায় বিএনপি ও জাতীয় পার্টির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত অর্ধ শতাধিক নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার ( ২৭ জানুয়ারি) বিকালে জলঢাকা উপজেলার শিমুলবাড়ি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মন্ডপপাড়ায়  জামায়াত আয়োজিত সনাতনী ভাইদের সমাবেশে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাবেক ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুস সোবহান চিনু ও জাতীয় পার্টির হাড়োয়া শিমুলবাড়ি শাখার সভাপতি শুকুর আলীসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী জামায়াত প্রার্থী ওবায়দুল্লাহ সালাফিকে দাড়িপাল্লা মার্কার একটা চাদর উপহার দিয়ে,জামায়াতে ইসলামীর প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করেন। সমাবেশে জামায়াত নেতারা ফুল দিয়ে তাঁদেরকে বরণ করে নেন।

যোগদান উপলক্ষে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আব্দুস সোবহান চিনু বলেন, 'দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। তবে জামায়াতে ইসলামীর আদর্শ, চিন্তাধারা ও সামাজিক কর্মকাণ্ড আমার কাছে খুবই গ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে। তাই আজ আমিসহ কয়েকজন জামায়াতে যোগদান করেছি। যতদিন বেঁচে থাকব, জামায়াতের সঙ্গে থেকেই ইসলামের খেদমতে কাজ করে যাব।'

জাতীয় পার্টির নেতা শুকুর আলী বলেন, আমি এই ওয়ার্ডের জাতীয় পার্টির সভাপতি ছিলাম বিশ বছর, বর্তমানে জামায়াতের কর্মকাণ্ডে মুগ্ধ হয়ে যোগদান করলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ওবায়দুল্লাহ সালাফি, উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির কামারুজ্জামান, জামায়াত নেতা ফয়সাল মুরাদ,শহিদুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন ও অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।


জলঢাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও হেরোইনসহ গ্রেফতার ১

জলঢাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও হেরোইনসহ গ্রেফতার ১


হাকিম বদিউজ্জামান জলঢাকা ঃ  নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে যৌথ বাহিনীর একটি চৌকস দল ইয়াবা ও হেরোইনসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি ২০২৬) রাত আনুমানিক ১১টা ০০ মিনিটে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মেজর মাহমুদ।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা জলঢাকা উপজেলার ৮ নম্বর খুটামারা ইউনিয়নের কিসামত বটতলা-কুটিপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় ওই এলাকার বাসিন্দা মোঃ ফিরোজুল নামের এক ব্যক্তিকে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়।
আটকের পর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তার হেফাজত থেকে ৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ১০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ঘটনাস্থলেই জব্দ করা হয়।
যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, আটক মোঃ ফিরোজুল দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়।

বিড়ি চাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর

বিড়ি চাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ এবার ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জুয়েল তালুকদার নামে একজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কাঁঠালিয়া উপজেলার ১নং চেঁচরীরাপুর ইউনিয়নের বানাই বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বানাই বাজারের একটি দোকানে বিএনপির এক নেতার বিড়ি চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তা বিএনপির স্থানীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় রূপ নেয়।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, বিএনপি কার্যালয়ের আসবাবপত্র লন্ডভন্ড অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এছাড়া দলটির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর করা হয়েছে। এদিকে পুলিশ জানায়, ঘটনাটি তারা তদন্ত করে দেখছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এ ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে। বানাই বাজারের এক ইলেকট্রনিক্স দোকানদার দাবি করেন, ভাণ্ডারিয়া থেকে বহিরাগত লোক এনে একটি ‘আওয়ামী চক্র’ পরিকল্পিতভাবে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে।

এদিকে হামলায় আহত জুয়েল তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, ‘ফয়সাল তালুকদার এই হামলার পেছনে ইন্ধন দিয়েছেন।’ তবে অভিযুক্ত ফয়সাল তালুকদারের বাবা ফারুক তালুকদার পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ‘জুয়েল তালুকদার আগে আওয়ামী লীগ করতো। এখন বিএনপি সেজে মূল ধারার বিএনপিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে। আমার ভাই বাদশা তালুকদার আজীবন বিএনপি করে আসছে। আমরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই।’

এ বিষয়ে বাদশা তালুকদার মুঠোফোনে জানান, ঘটনার দিন তিনি রংপুরে ছিলেন এবং বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। তিনি বলেন, ‘আমি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বের করলে আমার জন্যই ভালো হবে।’

এদিকে উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন নিজাম মীরবহার বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। দলীয় কার্যালয় ও চেয়ারম্যানের ছবি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’ কাঁঠালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু নাছের রায়হান বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Monday, January 26, 2026

ডাকসু থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত সর্বমিত্র চাকমার

ডাকসু থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত সর্বমিত্র চাকমার

সর্বমিত্র চাকমা 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সর্বমিত্র চাকমা। আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী-২ নামে ঢাবি শিক্ষার্থীদের ফেসবুক গ্রুপে দেওয়া পোস্টে এমন তথ্য জানিয়েছেন সর্বমিত্র নিজেই। এসময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও জিমনেসিয়ামে শিক্ষার্থীদের কান ধরে ওঠবস করানোর জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন।

পোস্টে সর্বমিত্র লেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের মাঠটি শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য। দীর্ঘদিন ধরে বহিরাগতদের অবাধ অনুপ্রবেশ একটি গুরুতর নিরাপত্তা সংকটে রূপ নিয়েছে। বহিরাগত ব্যক্তিদের দ্বারা প্রায় নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার ঘটনা ঘটে , মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও সাইকেল চুরির মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনা শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলছে না, বরং একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও নিরাপদ পরিবেশকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

তিনি বলেন, উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই পরিস্থিতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা বারবার প্রশাসনকে অবগত করলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়নি, নিরাপত্তা জোরদার করা হয়নি, এমনকি বহিরাগতদের প্রবেশ রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়নি। প্রশাসনের এই দীর্ঘস্থায়ী নীরবতা ও অসহযোগিতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

তার অভিযোগ, বহিরাগতরা নিয়মিতভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বিপরীত পাশের দেয়াল টপকে প্রবেশ করে। তাদের একাধিকবার নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা তা অগ্রাহ্য করেছে। নিষেধ করতে গেলে তারা উল্টো স্টাফদের লক্ষ্য করে ঢিল ছুঁড়ে পালিয়ে যায়—যা একটি চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির ইঙ্গিত বহন করে। এমন বাস্তবতায় শিক্ষার্থীরা বারবার অভিযোগ জানালেও কার্যকর সমাধান না আসায় ক্ষোভ ও আতঙ্ক ক্রমেই বাড়তে থাকে।

প্রশাসনিক ব্যর্থতা উল্লেখ করে সর্বমিত্র বলেন, এই প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আমি বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকানোর উদ্দেশ্যে তাদের কান ধরে উঠবস করাতে বাধ্য হই। এটি কোনোভাবেই আমার প্রত্যাশিত বা কাম্য আচরণ ছিল না। আমি স্বীকার করছি—এভাবে কাউকে শাস্তি দেওয়া আমার উচিত হয়নি এবং এই ঘটনার জন্য আমি নিঃশর্তভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

সর্বশেষ পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একই সাথে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য পদ হতে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ সিদ্ধান্ত আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত , কারো প্রতি ক্ষুব্ধ বা অভিমানবশত নয়। আমি মনে করি, শিক্ষার্থীরা যে প্রত্যাশা নিয়ে আমাকে প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নিয়েছেন , আমি সে প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হইনি। প্রশাসনের অসহযোগিতা এবং ব্যর্থতার দায় মাথায় নিয়ে, আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

Sunday, January 25, 2026

লালমনিরহাটে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০

লালমনিরহাটে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০


গোলাম আজম(হাতিবান্ধা)প্রতিনিধি ঃ  
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় নির্বাচনি প্রচার ও গণসংযোগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুই দলই একে অপরকে দায়ী করেছে।

রোববার বিকেলে হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেডিকেল মোড় সংলগ্ন কসাইটারী এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোয়ারুল ইসলাম রাজু।


অপরদিকে একই আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান রাজীব প্রধান।


রোববার বিকেলে ওই এলাকায় দুই প্রার্থীর সমর্থকদের পৃথক গণসংযোগ চলাকালে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।


ঘটনার বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু বলেন, “এখন পর্যন্ত কী বিষয় নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে তা আমি নিশ্চিত নই। আহতের সংখ্যাও বলতে পারছি না। ঘটনাস্থল থেকে তথ্য সংগ্রহ করলে বিস্তারিত জানা যাবে।”


এদিকে সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে বিএনপি প্রার্থী হাসান রাজীব প্রধানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, “নির্বাচনি প্রচারের সময় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিষয়টি যেহেতু নির্বাচন আচরণবিধির আওতাভুক্ত, তাই আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে বিএনপি প্রার্থী হাসান রাজীব প্রধানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, “নির্বাচনি প্রচারের সময় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিষয়টি যেহেতু নির্বাচন আচরণবিধির আওতাভুক্ত, তাই আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভারত থেকে ৮ ট্রাকে দেশে এলো ১২৫ টন বিস্ফোরক, জানা গেল কারণ

ভারত থেকে ৮ ট্রাকে দেশে এলো ১২৫ টন বিস্ফোরক, জানা গেল কারণ


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ এবার ভারত থেকে আটটি ট্রাক বোঝাই করে ১২৫ মেট্রিক টন বিস্ফোরক দ্রব্য ঢুকেছে দেশে। গতকাল শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর হয়ে ৮টি ট্রাকে করে এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক বেনাপোল স্থলবন্দরে প্রবেশ করে।

জানা গেছে, দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের খনি থেকে পাথর উত্তোলন ও খনন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিস্ফোরক দ্রব্যের এই বিশাল চালানটি আমদানি করেছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড। চালানটি সরবরাহ করেছে ভারতের ‘সুপার সিভা শক্তি কেমিক্যাল প্রাইভেট লিমিটেড’। বিস্ফোরক আমদানির বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় বন্দর এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এদিকে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, বিস্ফোরক দ্রব্যের চালানটি সরকারি নিয়ম ও অনুমোদনের আওতায় আনা হয়েছে। বন্দর এলাকায় সার্বক্ষণিক পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি রয়েছে। নিরাপত্তার কোনও ঘাটতি নেই এবং সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।

এদিকে বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) শামিম হোসেন রেজা জানান, বিস্ফোরক বোঝাই ভারতীয় ট্রাকগুলো বর্তমানে বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে পুলিশি পাহারায় রাখা হয়েছে। কাস্টমস হাউসে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করার পর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। প্রক্রিয়া শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কঠোর নিরাপত্তায় এই চালানটি দিনাজপুরের মধ্যপাড়া খনি প্রকল্পে পাঠানো হবে।

জলঢাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে, হিরোইন ,ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক।

জলঢাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে, হিরোইন ,ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক।

যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক মাদক কারবারি 
হাকিম বদিউজ্জামান জলঢাকা: নীলফামারীর জলঢাকায়  যৌথ বাহিনীর অভিযানে হিরোইন,ইয়াবাসহ রবিউল (৩৪) ও কিবু (৪২) দুই জন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। ২৪ জানুয়ারি (শনিবার) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে পরিচালিত অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৪৮ পুরিয়া হেরোইন, ১২ পিস ইয়াবা, নগদ  ১০ হাজার ১শত ৪০ টাকা, ৩টি মোবাইল ফোন এবং মাদক বহনের জন্য ব্যবহৃত সুজকি ১১০ সিসির ১টি মোটর সাইকেল এবং ২ টি হিসাব খাতা জব্দ করা হয়।

যৌথ বাহিনী জানায়, জলঢাকা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মাহমুদ এর নেতৃত্বে,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় আটককৃতদের হেফাজত থেকে হিরোইন,ইয়াবা ট্যাবলেট ছাড়াও নগদ অর্থ ও মোবাইল ফোন, মোটরসাইকেল এবং লেনদেনের হিসাব খাতা উদ্ধার করা হয়, যা মাদক বেচাকেনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, জলঢাকা  ও আশপাশের এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে নিয়মিত অভিযান চলমান রয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর এই অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে এমন কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকলে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে।