সর্বশেষ

Wednesday, February 25, 2026

চলতি বছরের ফিতরা নির্ধারণ

চলতি বছরের ফিতরা নির্ধারণ


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ১৪৪৭ হিজরি সনের সাদাকাতুল ফিতর-এর হার জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা এবং সর্বনিম্ন ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 


সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের খতীব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। 

এতে ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট আলেমরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সাংবাদিকদের ফিতরার হার জানান।


উল্লেখ্য, গত বছরও (১৪৪৬ হিজরি/২০২৫) সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ফিতরার হার একই ছিল। 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগ ৬, বিএনপি ৫ ও জামায়াত ২ পদে জয়ী

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগ ৬, বিএনপি ৫ ও জামায়াত ২ পদে জয়ী


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে ৬ পদে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ৫ পদে ও জামায়াতে ইসলামী ২ পদে বিজয়ী হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত আইনজীবী সমিতি ভবনে সরাসরি ব্যালটে বিরতিহীন ভোটগ্রহণ চলে। পরে গণনার পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট মোহা. শামসুদ্দীন প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করেন। 

নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমমনা সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের (নজরুল-হাসিব পরিষদ) প্রার্থীরা সাধারণ সম্পাদকসহ ৬ পদে, বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেলের (ওদুদ-কনক পরিষদ) প্রার্থীরা সভাপতিসহ ৫ পদে এবং জামায়াত সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (মতিউর-তসিবুর পরিষদ) প্রার্থীরা ২ পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

জানা যায়, ৮২ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্যানেলের প্রার্থী এবং পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আব্দুল ওদুদ। ৭৯ ভোট পেয়ে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী প্যানেলের আলহাজ নজরুল ইসলাম (২)। অপরদিকে ৯৫ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী প্যানেলের মোহা. আবু হাসিব। ৭৯ ভোট পেয়ে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির মোহা. মাহমুদুল ইসলাম (কনক)।


নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ২২৭ জন। যার মধ্যে ২০৯ জন ভোট প্রদান করেন। কার্যনির্বাহী কমিটির ১৩ পদের জন্য তিনটি প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৩৬ জন প্রার্থী। এর মধ্যে শুধু বিএনপি সমর্থিতরা ১৩ প্রার্থীর পূর্ণ প্যানেল নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।


আওয়ামী সমর্থিতরা ১২ এবং জামায়াত সমর্থিতরা ১১ প্রার্থীর প্যানেল নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী আওয়ামী প্যানেলের প্রার্থীরা সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও সিনিয়র সহ-সভাপতি, সহ- সাধারণ সম্পাদক (দ্বিতীয়), অর্থ সম্পাদক এবং কার্যনির্বাহী সদস্যের দুটি পদে বিজয়ী ( প্রথম ও তৃতীয়) হয়েছেন। অপরদিকে বিএনপি প্যানেলের প্রার্থীরা সভাপতি ছাড়াও সহসভাপতি, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং কার্যনির্বাহী সদস্যের দুটি পদে বিজয়ী (দ্বিতীয় ও চতুর্থ) হয়েছেন। এ ছাড়া জামায়াত মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন সহ-সাধারণ সম্পাদক (প্রথম) এবং গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে।

লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি ৬, আ.লীগ ৮, জামায়াত ০

লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি ৬, আ.লীগ ৮, জামায়াত ০


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ লক্ষ্মীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৬টি পদে বিএনপি জয়ী হয়েছে। আর এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার ঘোষণা দিয়েও বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ ৮ টি পদে বিজয়ী হয়েছে। তবে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে তাদের কোন প্রার্থী ছিল না। নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত একজনও বিজয়ী হতে পারেনি। এনিয়ে টানা দ্বিতীয়বার তাদের কেউই নির্বাচিত হননি।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট একেএম হুমায়ুন কবির ফলাফল ঘোষণা করেন।

জানা গেছে, টানা দ্বিতীয়বারের মতো ২৩২ ভোট পেয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মনিরুল ইসলাম হাওলাদার সভাপতি ও ২১৬ ভোট পেয়ে রফিক উল্যাহ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। মনিরুল ইসলামের প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির নজির আহমেদ ১৩৪ ভোট ও রফিকের প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্যানেলের নুর উদ্দিন বাবুল ১৪৬ ভোট পেয়েছেন।

নির্বাচিত অন্যরা হলেন সহ-সভাপতি আবদুল মজিদ (বিএনপি), আবুল খায়ের ভূঁইয়া (আওয়ামী লীগ), সহ-সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম জুয়েল (বিএনপি), চাঁদ মনি মোহন (আওয়ামী লীগ), পাঠাগার সম্পাদক মুহাম্মদ মোশারফ হোসাইন (বিএনপি), সাংস্কৃতিক সম্পাদক জামাল উদ্দিন (আওয়ামী লীগ), অডিটর রাকিবুল হাসান অপু (আওয়ামী লীগ), সদস্য আজহার উদ্দিন রকি (আওয়ামী লীগ), নুরুল হুদা মুরাদ (স্বতন্ত্র), ইউসুফ মানিক (আওয়ামী লীগ), আবদুল্লাহ আল নোমান (আওয়ামী লীগ), আবদুর রহিম মানিক (আওয়ামী লীগ) ও জাফর আহমদ (বিএনপি)।

এদিকে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটির সদস্য সচিব নুরুল হুদা পাটওয়ারী গত ২৬ জানুয়ারি একটি নোটিশে জানিয়েছেন, তাদের আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০২৬-২৭ সালের লক্ষ্মীপুর আইনজীবি সমিতির নির্বাচনে কোন পদে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত হয়। যদিও এরপরেও সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বিভিন্ন পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বদ্বিতা করেন।

এ বিষয়ে নুরুল হুদা পাটওয়ারীর বক্তব্য জানা যায়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগ সমর্থিত লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির সাবেক এক সভাপতি জানিয়েছেন, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় মূলত তারা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বদ্বিতা করেননি। নির্বাচন না করার জন্য বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদের সিদ্ধান্ত ছিল। তারপরও অন্যপদগুলো নির্বাচন করে আওয়ামী লীগের আটজন নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, ভোট গণনা শেষে বিজয়ী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। তারাবির নামাজের বিরতির কারণে ফলাফল ঘোষণায় বিলম্ব হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত লক্ষ্মীপুর জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে ২০২৬-২০২৭ শেসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৩৮২জন ভোটারের মধ্যে ৩৭০জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

Tuesday, February 24, 2026

হঠাৎ অসুস্থ জামায়াতের আমির - ডাঃ শফিকুর রহমান

হঠাৎ অসুস্থ জামায়াতের আমির - ডাঃ শফিকুর রহমান

ডাঃ শফিকুর রহমান 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। রাজধানী শেওড়াপাড়া এলাকায় কাফরুল পশ্চিম থানার উদ্যোগে আলোচনাসভা ও ইফতার মাহফিলে যাওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মুসা বলেন, আজকের ইফতার মাহফিলে জামায়াত আমিরের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তিনি যাত্রাও করেছিলেন।

হঠাৎ যাত্রাপথে তিনি বমি করেন এবং শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে যান। যার কারণে তিনি প্রোগ্রামস্থলে আসতে পারেননি। সবাই তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন।


ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির সেলিম উদ্দিন বলেন, আমরা জামায়াত আমিরের জন্য দোয়া করি—আল্লাহ যেন ওনাকে দ্রুত সুস্থ করে দেন।


উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  এমপি ওবায়দুল্লাহ সালাফি-কে সংবর্ধনা

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এমপি ওবায়দুল্লাহ সালাফি-কে সংবর্ধনা


মাহমুদ আল হাছান তিস্তা নিউজ ঃ  নীলফামারীর জলঢাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে নীলফামারী-৩ আসনের নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফি-কে সংবর্ধনা প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


​মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হলরুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত থেকে নবনির্বাচিত এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।


​সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জামাতের প্রসাদ সম্পাদক ​প্রভাষক ছাদের হোসেন, উপজেলা জামায়াতে আমির মোখলেছুর রহমান মাস্টার, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ও প্রেসক্লাব সভাপতি ​আলহাজ্ব কামারুজ্জামান, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ​মোয়াম্মার আল-হাসান, সহ সেক্রেটার প্রভাষক এ.এ.এম. মুজাহিদ মাসুম, 


উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. চন্দ্রাসন গুপ্ত, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ​ডা. মেসবাউর রহমান প্রধান (মেজবা)। এছাড়াও হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফি চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, হাসপাতাল হচ্ছে অসুস্থ মানুষের শেষ ভরসাস্থল। এখানে আগত রোগীরা যেন মানবিক আচরণ, উন্নত চিকিৎসাসেবা ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ পায়, সেদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। রোগীদের জন্য সরকারি ওষুধের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা। চিকিৎসকদের নিয়মিত ও সঠিক সময়ে কর্মস্থলে উপস্থিতি নিশ্চিত করা। জরুরি বিভাগে দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসাসেবা প্রদান। শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং সেবার মানসিকতা ও রোগীদের সাথে সদাচরণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করা। তিনি হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের কড়া নির্দেশনা দেন।



পুলিশের নতুন প্রধান হলেন মোঃ আলী হোসেন ফকির

পুলিশের নতুন প্রধান হলেন মোঃ আলী হোসেন ফকির

নতুন আইজিপি মোঃ আলী হোসেন ফকির 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) প্রধান মো. আলী হোসেন ফকিরকে নতুন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। মো. আলী হোসেন ফকির বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের সদস্য।

আলী হোসেন ফকির ১৯৬৮ সালের ৫ এপ্রিল বাগেরহাটের সদর উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যানেজমেন্টে বিকম অনার্স, এমকম এবং এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএসের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার পদে যোগদান করেন।


কর্ম জীবনে তিনি সুনামের সঙ্গে ডিআইজি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও ডিআইজি এসপিবিএন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি বাংলাদেশ পুলিশের হয়ে দক্ষতার সঙ্গে কসোভো ও আইভরি কোস্ট জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি প্রশিক্ষণ এবং সরকারি কাজে যুক্তরাষ্ট্র, চীনসহ বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, ১৫তম বিসিএস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক, ১৫তম বিসিএস পুলিশ ফোরামের আহ্বায়ক, খুলনা ক্লাব এবং ঢাকা অফিসার্স ক্লাবের সদস্য। এছাড়াও ঢাকার এপিবিএন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি, বাংলাদেশ পুলিশ হ্যান্ডবল ক্লাবের সভাপতি এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত আছেন।



প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ৯টার মধ্যেই অফিসে সচিবরাও

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ৯টার মধ্যেই অফিসে সচিবরাও

তারেক রহমান 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ দেশ পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়মিত সময় ধরে অফিস করছেন। বিশেষ কোনো কাজ না থাকলে তিনি সকাল ৯টার মধ্যে সচিবালয়ের অফিসে ঢুকে পড়ছেন। এমনকি শনিবারও তিনি অফিস করছেন তার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অফিসে হাজির হচ্ছেন শীর্ষ কর্মকর্তারাও। অতীতের অভ্যাস পরিবর্তনে একটু সময় লাগলেও সচিবরা চেষ্টা করছেন সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে ঢুকতে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে এখনো তা হয়ে উঠেনি। অবশ্য সে কারণে প্রধানমন্ত্রী তাদের কিছু বলেছেন, তাও নয়। বরং প্রধানমন্ত্রী কৌশলে তাদের পুরোনো অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য নিজেই নীরবে সবার আগে অফিসে উপস্থিত হয়ে উদাহরণ সৃষ্টি করছেন।

সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় সচিবালয়ে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সচিব সকাল সাড়ে ৮টা থেকে অফিসে ঢুকতে শুরু করেছেন। অনেকের ঢুকতে সাড়ে ৯টাও বেজে গেছে। আবার সকাল সাড়ে ৯টার পরও অনেকে অফিসে ঢুকতে পারেননি। সমালোচকরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি দেখে অনেকে অভ্যাস পরিবর্তন করে ফেলেছেন। তারা নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে হাজির হচ্ছেন। আর যারা অভ্যাস পরিবর্তন করছেন না, তারা অনেকটা ‘ড্যাম কেয়ার’। তাদের কারও চাকরি শেষ পর্যায়ে, আবার কেউ আছেন চুক্তিভিক্তিক চাকরিতে। সুতরাং যে কোনো সময় চুক্তি বাতিল হতে পারে। সে কারণে তারা অনেকটা আগের নিয়মে অফিস করছেন। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় নিজ দপ্তরে প্রবেশ করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব আবু তাহের মো. জাবের। এর কয়েক মিনিট পর অফিসে প্রবেশ করেন মাধ্যমিক ও শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন। এর দুই মিনিট পর অফিসে আসেন বস্ত্র ও পাট সচিব বিলকিস জাহান রিমি। এর এক মিনিট পর অফিসে হাজির হন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। এর দুই মিনিট পর অফিসে প্রবেশ করেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরিন জাহান। প্রায় একই সময়ে অফিসে প্রবেশ করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান এবং সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ।

সকাল ৯টায় অফিসে আসেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ। একই সময়ে অফিসে ঢোকেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. একেএম শাহাবুদ্দিন।


অপরদিকে সকাল ৯টার পর সচিবালয়ে আসেন খাদ্যসচিব মো. ফিরোজ সরকার। তিনি ৯টা ২২ মিনিটে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন। এর কয়েক মিনিট পর সচিবালয়ে প্রবেশ করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণসচিব মো. সাইদুর রহমান খান এবং কৃষিসচিব ইমদাদ উল্লাহ মিয়ান। তবে সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যেও অফিসে আসেননি গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান।


সমালোচকরা বলছেন, শীর্ষ কর্মকর্তারা সময়মতো অফিসে উপস্থিত হন না। যে কারণে অধস্তন কর্মকর্তারাও সময়মতো অফিসে হাজির হওয়াটাকে জরুরি জ্ঞান করেন না। এটা যে একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ, তারা বিষয়টি বেমালুম ভুলে গেছেন। ফলে সরকারি অফিসে আসার ক্ষেত্রে সময় মানেন না অধিকাংশ কর্মচারী। আবার ফেরার সময় দেখা যায়, নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৩০ মিনিট আগেই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেরিয়ে পড়েন। তখন আর সময় দেখা হয় না। এখানেই শেষ নয়। সচিবালয়ের দপ্তরগুলো সকাল সাড়ে ৮টার আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রাখার কথা থাকলেও সকাল সাড়ে ৯টার পরও অনেক ক্লিনারকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রুম ধোয়া-মোছা করতে দেখা গেছে। ফলে ধুলাবালুর মধ্যে অফিস করতে হয় কর্মকর্তাদের।

জানতে চাইলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব আবু তাহের মো. জাবের  বলেন, আমি চাকরিজীবনের প্রথম দিন থেকে সকাল সাড়ে ৮টায় অফিসে আসি। যানজটে পড়লে দু-চার মিনিট দেরি হতে পারে। এর ব্যতিক্রম হয় না। অন্য কর্মকর্তারা প্রায় অভিন্ন ভাষায় বলেন, অনেক সময় রাস্তায় যানজটের কারণে বিলস্ব হয়। মন থেকে কেউ দেরি করে অফিসে আসেন বলে মনে হয় না।


সূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর 

Logo
দেশ পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়মিত সময় ধরে অফিস করছেন। বিশেষ কোনো কাজ না থাকলে তিনি সকাল ৯টার মধ্যে সচিবালয়ের অফিসে ঢুকে পড়ছেন। এমনকি শনিবারও তিনি অফিস করছেন তার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অফিসে হাজির হচ্ছেন শীর্ষ কর্মকর্তারাও। অতীতের অভ্যাস পরিবর্তনে একটু সময় লাগলেও সচিবরা চেষ্টা করছেন সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে ঢুকতে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে এখনো তা হয়ে উঠেনি। অবশ্য সে কারণে প্রধানমন্ত্রী তাদের কিছু বলেছেন, তাও নয়। বরং প্রধানমন্ত্রী কৌশলে তাদের পুরোনো অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য নিজেই নীরবে সবার আগে অফিসে উপস্থিত হয়ে উদাহরণ সৃষ্টি করছেনসোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় সচিবালয়ে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সচিব সকাল সাড়ে ৮টা থেকে অফিসে ঢুকতে শুরু করেছেন। অনেকের ঢুকতে সাড়ে ৯টাও বেজে গেছে। আবার সকাল সাড়ে ৯টার পরও অনেকে অফিসে ঢুকতে পারেননি। সমালোচকরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি দেখে অনেকে অভ্যাস পরিবর্তন করে ফেলেছেন। তারা নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে হাজির হচ্ছেন। আর যারা অভ্যাস পরিবর্তন করছেন না, তারা অনেকটা ‘ড্যাম কেয়ার’। তাদের কারও চাকরি শেষ পর্যায়ে, আবার কেউ আছেন চুক্তিভিক্তিক চাকরিতে। সুতরাং যে কোনো সময় চুক্তি বাতিল হতে পারে। সে কারণে তারা অনেকটা আগের নিয়মে অফিস করছেন। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় নিজ দপ্তরে প্রবেশ করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব আবু তাহের মো. জাবের। এর কয়েক মিনিট পর অফিসে প্রবেশ করেন মাধ্যমিক ও শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন। এর দুই মিনিট পর অফিসে আসেন বস্ত্র ও পাট সচিব বিলকিস জাহান রিমি। এর এক মিনিট পর অফিসে হাজির হন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। এর দুই মিনিট পর অফিসে প্রবেশ করেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরিন জাহান। প্রায় একই সময়ে অফিসে প্রবেশ করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান এবং সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ।