সর্বশেষ

Sunday, May 3, 2026

নুসরাত - মনিরা সংরক্ষিত আসন, আদালতের অপেক্ষায় ইসি

নুসরাত - মনিরা সংরক্ষিত আসন, আদালতের অপেক্ষায় ইসি

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচনে প্রার্থিতা বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদন জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী মনিরা শারমিন। তিনি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা রিট পিটিশনের শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই আসনের গেজেট প্রকাশ না করার জন্য রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অনুরোধ জানিয়েছেন।

রবিবার (০৩ মে) মনিরা শারমিন রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এই আবেদন জমা দেন।

আবেদনে জানানো হয়, মনিরা শারমিন এনসিপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও গত ২০ এপ্রিল তার মনোনয়নপত্রটি বাতিল ঘোষণা করা হয়।

ওই আদেশের বিরুদ্ধে তিনি আপিল বিভাগেও আবেদন করেছিলেন, যা গত ২৮ এপ্রিল খারিজ হয়ে যায়। 

রিটকারী মনিরা শারমিনের দাবি, তার মনোনয়নপত্র বাতিল এবং আপিল আবেদন খারিজের সিদ্ধান্তগুলো ছিল বেআইনি। এই প্রেক্ষাপটে তিনি হাইকোর্ট বিভাগে একটি রিট পিটিশন (নং-৫৪৬১/২৬) দায়ের করেন, যার শুনানি ৪ মে একটি ডিভিশন বেঞ্চে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

রিট পিটিশনের শুনানি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নাগরিক পার্টির অন্য প্রার্থী নুসরাত তাবাসসুমের প্রার্থিতার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিতে এবং সংরক্ষিত আসনের গেজেট প্রকাশ স্থগিত রাখতে আবেদনে বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে।

 

মনিরা শারমিন তার আবেদনে জানান, যেহেতু দলটি প্রথমে তাকেই মনোনয়ন দিয়েছিল, তাই আদালতের আদেশ আসার আগে নির্বাচন কমিশনের তাড়াহুড়া করা ঠিক হবে না। আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার আগেই যদি গেজেট প্রকাশ করা হয়, তবে তিনি ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হবেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। এই আইনি প্রক্রিয়ার সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত গেজেট প্রকাশ সংক্রান্ত পরবর্তী কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি বিনীত আহ্বান জানান।

রাকসুর ভিপি-জিএসের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

রাকসুর ভিপি-জিএসের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) সদস্যদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের একাধিক অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভিপি ও কয়েকজন সম্পাদকের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে ক্যাম্পাসে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

শনিবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ নামক গ্রুপে জিএস সালাউদ্দিন আম্মার ও ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজের টাইমলাইনে ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ পোস্ট করলে দ্বন্দ্বের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।


জিএস সালাউদ্দিন আম্মার অভিযোগ করেন, পরিষদের অধিকাংশ সদস্য শিবির প্যানেল থেকে নির্বাচিত হওয়ায় ভিন্ন প্যানেলের প্রতিনিধিদের মতামত যথাযথ গুরুত্ব পায় না।


তিনি বলেন, আমিসহ তিনজন ভিন্ন প্যানেলের হওয়ায় আমাদের মতামত স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণযোগ্য হয় না। অনেক সময় সম্পাদকরা ভিপির সংশ্লিষ্টতায় প্রোগ্রাম আয়োজন ও অতিথি নির্বাচন করে থাকেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি সেমিনারে তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে উপস্থিত হননি বলেও জানান। স্বচ্ছতা বজায় রাখার প্রশ্নে এসব কার্যক্রমে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন না বলে উল্লেখ করেন তিনি।


এর আগে গত ৬ এপ্রিল রাকসু আয়োজিত ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নে: সংকট পথে দেশ’ শীর্ষক সেমিনারে অতিথি হিসেবে আইনজীবী শিশির মনির ও ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ অংশ নেন। ওই অনুষ্ঠানের ব্যানারে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের জন্য জিএস সালাউদ্দিন আম্মার এবং শিবির-সমর্থিত প্যানেলের পরাজিত জিএস (বর্তমানে সিনেট সদস্য) ফাহিম রেজার নাম ছিল। এতে আপত্তি থাকায় আম্মার ওই প্রোগ্রামে অংশ নেননি বলে জানা যায়।

তিনি আরো বলেন, আমি ভিপির কনসার্নে নাকি প্রোগ্রাম আয়োজন ও অতিথি নির্বাচন করে থাকে। এটাও ভিত্তিহীন ও খাপছাড়া কথা বলল। ভিপি-জিএস-এর উপস্থিতিতে রাকসু সভাপতির অনুমতিতে সম্পাদকগণ তাদের অ্যাজেন্ডা পাস করিয়ে নেয়। পরবর্তীকালে, সম্পাদকগণ নিজের ইচ্ছেমতো প্রোগ্রাম অ্যারেঞ্জ করে থাকে, যেখানে আমাকে ও আম্মারকে অতিথি বা আলোচক হিশেবে আমন্ত্রণ করে থাকে। এভাবেই রাকসু ফাংশন করছে। এটাই এখনকার রাকসুর প্রতিষ্ঠিত নিয়ম। অথচ, আম্মার বলল ভিপির কনসার্নে প্রোগ্রাম ও অতিথি নির্বাচন হয়। এটা বাজারি কথা ছাড়া আর কিছুই না।


রাকসুর জিএসের এসব অভিযোগ নাকচ করেছেন রাকসুর সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক জাহিদ হোসেন জোহাও। তিনি বলেন, নিজেকে ভুক্তভোগী হিসেবে উপস্থাপন করতে গিয়ে জিএস অন্যদের দোষারোপ করছেন। তার স্বেচ্ছাচারিতার বিরোধিতা করলেই সেটাকে তিনি নিজের বিরুদ্ধে অবস্থান হিসেবে দেখান।


তিনি আরো বলেন, জিএস এখন জাতীয় রাজনীতি নিয়ে মুখিয়ে আছে। তাই ক্যাম্পাসের ব্যাপার তাকে গুটিয়ে ফেলতে হবে। আর সেটার প্রথম চাল এটাই যে নিজেকে মাইনাস প্লেয়ার হিসেবে উপস্থাপন করবে। এছাড়া সে নিজেও অনেকদিন আলোচনার বাইরে আছে। আলোচনায় আসাটাও খুব জরুরি। তা নাহলে প্রায় একমাস আগের একটা আয়োজনের ইস্যু টেনে মিডিয়ায় এমন বক্তব্য দেওয়ার কোনো কারণই দেখি না।

সূত্রঃ দৈনিক আমার দেশ।

জলঢাকায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত

জলঢাকায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত


হাকিম বদিউজ্জামান : নীলফামারীর জলঢাকায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’ পালিত হয়েছে। আজ রবিবার (৩ মে) সকালে উপজেলার বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের সম্মিলিত আয়োজনে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে সকালে জলঢাকা প্রেসক্লাব চত্বরে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা নিজ নিজ ব্যানার নিয়ে একত্রিত হন। পরে সেখান থেকে একটি সম্মিলিত র‍্যালী বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালীতে অংশ নেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সাথে সংহতি প্রকাশ করেন এবং বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। এর আগে সাংবাদিক সংগঠনগুলো পৃথক পৃথক র‍্যালী নিয়ে স্থানীয় জিরোপয়েন্ট মোড়ে এক বিশাল সমাবেশে মিলিত হয়। জলঢাকা প্রেসক্লাব সভাপতি আলহাজ্ব কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সমাবেশে পেশাগত নিরাপত্তা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান কবির লেলিন, সিনিয়র সহ সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আবেদ আলী, সহ সম্পাদক মাইদুল হাসান, মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি উপজেলা সভাপতি আল আমিন ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান, জলঢাকা রিপোর্টার্স ক্লাব সভাপতি নজরুল ইসলাম মানিক, সাধারণ সম্পাদক তহমিদার রহমান মিলন, জলঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের বিজেইউজে সভাপতি মাহমুদ আল হাছান ও প্রেসক্লাব সদস্য শরিফুল ইসলাম প্রিন্স প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং সাংবাদিকদের সুরক্ষা প্রদানে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন। সমাবেশে জলঢাকায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Saturday, May 2, 2026

নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

নুসরাত তাবাসসুম 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করছেন।

শনিবার (২ মে) এনসিপির দপ্তর সম্পাদক সালেহ উদ্দিন সিফাত এ তথ্য জানিয়েছেন।

ফেসবুক পোস্টে সালেহ উদ্দিন সিফাত জানান, সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপি থেকে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা। দাপ্তরিক কার্যক্রম শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা করা হয়।


এনসিপি পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের মিডিয়া সেন্টারে কিছুক্ষণের মধ্যে ব্রিফ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।


আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে অংশ নিতে ২২ এপ্রিল ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল বিকেল ৪টা পর্যন্ত। কিন্তু এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম তার মনোনয়নপত্র জমা দেন ৪টা ১৯ মিনিটে। নির্ধারিত সময়ের পর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় তার মনোনয়নপত্রটি বাতিল করে কমিশন।


পরে সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দেন।

মেয়ের বিয়ের পাত্র নিয়ে পালালেন মা

মেয়ের বিয়ের পাত্র নিয়ে পালালেন মা

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নিজের বড় মেয়ের জন্য পছন্দ করা হবু জামাইয়ের হাত ধরে পালিয়ে গেছেন তিন সন্তানের জননী। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) শৈলকুপা উপজেলার চর-ত্রিবেণী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই নারীর নাম রিমি খাতুন (৩৫)। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

জানা গেছে, নিজ মায়ের ও হবু জামাইয়ের সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পেরে ওই মেয়ে আত্মহননের পথ বেছে নিলেও থেমে থাকেনি তাদের অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক। অবশেষে দুই নাবালক সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে পালিয়ে গেছেন ওই নারী।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৭ বছর আগে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার রিমি খাতুনের সঙ্গে শৈলকুপার চর-ত্রিবেণী গ্রামের গাড়িচালক রাশেদ আলীর (৩৮) বিয়ে হয়। তাদের দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে তিন সন্তান জন্ম নেয় । জীবিকার তাগিদে রাশেদ প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকতেন।

 

অভিযোগ উঠেছে, প্রায় এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটকের মাধ্যমে পার্বতীপুর গ্রামের মামুন হোসেন (২৪) নামে এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয় রিমির। মামুন নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। সেই পরিচয় থেকে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।

 

সেই পরিচয় থেকে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে রিমি (মা) তার নিজের মেয়ের বিয়ের জন্য মামুনকে পছন্দ করেন। তবে মা ও হবু জামাইয়ের মধ্যকার অতিরিক্ত মেলামেশা ও ঘনিষ্ঠতা দেখে মেয়ে এই বিয়েতে আপত্তি জানায়। এক পর্যায়ে এই বিষয় নিয়ে পরিবারে অশান্তি ও মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে বড় মেয়ে আত্মহননের পথ বেছে নেয়। বড় মেয়ের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর পরেও থেমে থাকিনি রিমি ও মামুনের পরকীয়ার সম্পর্ক।

 

স্বামী রাশেদ বিষয়টি জানতে পেরে স্ত্রীকে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। অবশেষে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে ছোট দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে মেয়ের সাথে বিয়ে ঠিক করা পাত্র মামুনের হাত ধরে ঘর ছাড়েন রিমি।

 

ভুক্তভোগী স্বামী রাশেদ আলী এ ঘটনায় শৈলকুপা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শৈলকুপা থানার ওসি মো. হুমায়ন কবির মোল্লা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পালিয়ে যাওয়া গৃহবধূর কাছ থেকে শিশু সন্তানদের উদ্ধারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Friday, May 1, 2026

১১ মাস পর কারামুক্ত হলেন অভিনেতা সিদ্দিক

১১ মাস পর কারামুক্ত হলেন অভিনেতা সিদ্দিক

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ প্রায় ১১ মাস কারাভোগের পর মুক্তি পেয়েছেন ছোটপর্দার পরিচিত মুখ সিদ্দিকুর রহমান। এক সময় নিয়মিত অভিনয়ে সক্রিয় থাকলেও পরবর্তীতে রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি। টাঙ্গাইল ও ঢাকা থেকে একাধিকবার নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করলেও তা পাননি।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ২০২৪ সালের আগস্টে একটি মামলায় জড়িয়ে পড়েন এই অভিনেতা। পরে ২০২৫ সালের ২৯ এপ্রিল গ্রেপ্তার হন তিনি। প্রায় ১০ মাস ২২ দিন কারাগারে থাকার পর চলতি বছরের ১৮ মার্চ মুক্তি পান বলে জানিয়েছেন সিদ্দিক নিজেই।

উল্লেখ্য, রাজধানীর গুলশান এলাকায় একটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে আন্দোলন চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক ব্যক্তি নিহত হন। সেই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সিদ্দিকুর রহমানকে আসামি করা হয়।

প্রাথমিকের শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে বড় সুখবর

প্রাথমিকের শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে বড় সুখবর

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি এবং শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন এবং নানা বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক শিক্ষকদের বর্তমান বেতন কাঠামো বৃদ্ধি করা হবে।

যাতে তারা মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারেন। আগামী জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হবে। ভবিষ্যতে জাতীয় বাজেটের অন্তত ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। এর পাশাপাশি জিডিপির একটি বড় অংশ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করার ওপর জোর দেন তিনি।

আগামী জুলাই মাস থেকে পর্যায়ক্রমে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সরকারি উদ্যোগে স্কুলব্যাগ, ইউনিফর্ম ও জুতা প্রদানের আশ্বাস দিয়ে তারেক রহমান বলেন, অতীতে আমরা দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি করেছিলাম। এবার সরকার স্নাতক (অনার্স) পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তির ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হবে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম জোরদারের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরো জানান, চলমান জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। বিরোধী দলের প্রস্তাব গ্রহণ করে একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা দ্রুত সমাধান নিয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।