15 Dec 2017 - 04:27:55 am

কানাডার নির্বাচনে ভোটারদের জবাব -লেখক ড. মাহবুব হাসান

Published on শুক্রবার, নভেম্বর ২০, ২০১৫ at ৮:২৪ পূর্বাহ্ণ
Print Friendly, PDF & Email

ড. মাহবুব হাসান, আমেরিকা থেকে :  কানাডার বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হারপার নির্বাচনী প্রচারণায় বলেছিলেন, তার দল আবারো ক্ষমতায় গেলে তিনি ‘নেকাব পরার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন’। এর আগে একজন পাকিস্তানি-কানাডিয়ান তার নাগরিকতের¡ শপথ নেবার সময় নেকাব পরিহার অনুরোধ পান এবং সেই অনুরোধের তিনি বিরোধিতা করেন। তিনি এ-নিয়ে উচ্চ আদতালতের শরণাপন্ন হন। উচ্চ আদালত নেকাব পরার পক্ষে রায় দেয়। কানাডার প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে তিনি কি পরবেন। উচ্চ আদালতের ওই রায়ের পরই স্টিফেন হারপার এই মন্তব্য করেন। ভোটার জনগণ তাকে কি জবাব দিয়েছে সেটা এখন সবারই জানা। তারপরও উল্লেখ করা জরুরি মনে করি আমি। কারণ আমরা ক্ষমতার মোহে, ক্ষমতার জোরে নানানরকম কু কাজ করি। রাজনীতিকরা এটা করেন সবচেয়ে বেশি। কারণ তারা ক্ষমতায় আছেন এবং ক্ষমতায় যাওয়ার ফন্দি হিসেবে জনগণের ধর্মীয় বিশ্বাসকে নানা কায়দায় ব্যবহার করতে চান, করে থাকেন। স্টিফেন হারপার সেটাই করেছিলেন। কানাডার সংসদে ৩৩৮টি আসন। সেখানে লিবারেল ডেমোক্যাটিক পার্টির সাংসদ ছিলো মাত্র ৩৪টি। যিনি ওই পার্টির নেতা জাস্টিন ট্রুডো মন-মানসিকতায় উদার তার দলের নামের মতোই। তিনি সংবিধানের প্রতি কেবল শ্রদ্ধাশীলই নন, তিনি সকল ধর্মের মানুষের চিন্তা-ভাবনাকেও মানবিক  দৃষ্টি দিয়ে দেখে থাকেন। তিনি হারপারের ওই অনৈতিক বক্তব্যকে খন্ডন করে ভোটার জনগণকে বলেন তার দল ক্ষমতায় গেলে তিনি নেকাব পরার অধিকারকে সমুন্নত রাখবেন। কারণ তিনি বিশ্বাস করেন যে প্রত্যেক কানাডিয়ানের রয়েছে সেই অধিকার। ভোটার জনগণ তাকে বিশ্বাস করেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো নেকাব তো সাধারণত পরে থাকেন মুসলিম মহিলারা। কানাডিয়ান মুসলিমদের সংখ্যা কি এতোই যে তারা ভোট দিয়ে জাস্টিন ট্রুডোর লিবারেল  দলকে বিজয়ী করে দিয়েছে? না, এতো মুসলিম ভোটার নেই সে দেশে। অন্যান্য ধর্মের ভোটাররাও তাকে বিশ্বাস করেছে। নেকাব যে কেবল মুসলিম মহিলারা পরেন তা তো নয়। নেকাবের ব্যবহার প্রায় সব ধর্মের মহিলাদের মধ্যেই আছে। কিন্তু সব দোষ নন্দ ঘোষ হিসেবে মুসলিম মহিলাদের ওপরই ফেলা হচ্ছে। এটা করছে কতিপয় বজ্জাত রাজনীতিক ও কিছু ধর্মান্ধ। এদেরকেই প্রত্যাখ্যান করেছে কানাডার ভোটার জনগণ। তারা লিবারেল পার্টিকে ১৮৪টি আসনে বিজয়ী করে দিয়েছে। তিনি এখন নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এর মধ্যেই শপথ নিয়েছেন।
নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরদিন দেখলাম ট্রুডো একটি সাবওয়েতে জনগণের সাথে হাত মেলাচ্ছেন, গভীর আন্তরিকতার সাথে কিছু মানুষ তার সাথে কোলাকুলি করছেন। তিনি একজন ডিসঅ্যাবল লোককে নিচে নামতে সাহায্য করছেন। এটা কিন্তু নির্বাচনের আগের ঘটনা নয়, পরের। নির্বাচনের আগের হলে ধরে নেয়া যেতো তিনি ভোট পাওয়ার আশায় এমনটা করছেন। যেমনটা আমরা দেখেছি ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের আগে প্রার্থীরা রাস্তা ঝাড়– দিচ্ছেন। নির্বাচনের পর কাউকেই কিন্তু রাস্তায় দেখা যায়নি ঝাড়– হাতে। যে দুজন নির্বাচনে [কারচুপি করে/ প্রকাশ্যে ভোট ডাকাতি যাকে বলে] বিজয়ী হয়েছেন, নোংরা মহানগরীকে সাফ-সুরত করতে নিজেরা রাস্তায় আর নামেননি। তারা অর্ডার দিয়েই খালাস। ঢাকা যেমন ছিলো তেমনটাই আছে। শুধু মেয়রদের মলিন মুখগুলো এখন তেল চকচকে হয়েছে। আসলে আগেও তাদের মুখ তেল-চকচকেই ছিলো। কারণ তারা দুজনেই রাজনৈতিক লুটেরা সমিতির সদস্য।
স্টিফেন হারপার আর জাস্টিন ট্রুডোর কথা শেষ করার আগে আরেকটা তথ্য জানাই। এবার কানাডায় কমপক্ষে ৮ জন মুসলমান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এবং তারা এশিয়ান / আফ্রিকান  নারী/পুরুষ মুসলিম। তার মানে এটা নয় যে মুসলমানদের বিজয় হচ্ছে। আমি বলতে চাইছি, এখন এই একুশ শতকে
মানুষকে আর ধর্মের দোহাই দিয়ে বিচার করা যাবে না। ইসলামে তো হযরত ঈসা [আ:] আর হযরত মূসা [আ:]-এর ধর্মের বিষয়টিকে একই ট্রাডিশনের অংশ বলে বিবেচনা করা হয়। আসমানি কিতাবের অধিকারী মানেই হচ্ছে তারা মহান রাব্বুল আলামিনের রাসূল। এ-জন্য তাদের মধ্যে পারস্পরিক বিরোধের কোনো যুক্তি নেই। কিন্তু সত্য ও বাস্তব হচ্ছে  ঘোরতর বিরোধ হচ্ছে। আমার ধারণা, নিজ নিজ ধর্মকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করার জন্য কিছু ধর্মান্ধ এটা করেন। আর কিছু রাজনীতিকের লোভের শিকার হচ্ছে ধর্ম এবং বিভিন্ন ধর্মের মানুষ। মানুষকে কেবল মানুষ হিসেবে বিবেচনা করাই শ্রেষ্ঠ উপায় বলে আমি বিবেচনা করি।

২.
২০১৬-তে আমেরিকায় নির্বাচন। সে-জন্য অনেক আগে থেকেই ক্ষমতাসীন ডেমোক্রাট এবং  সিনেটে ও  হাউজে সংখ্যাগরিষ্ঠ রিপাবলিকানদের প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া চলছে। যারা চাইছেন আগামী নির্বাচনে তিনি দলের মনোনয়ন পাবেন, তারা  প্রচারণায় নেমেছেন। দলীয় ফোরামে যারা বেশি সংখ্যক ভোট পেয়ে যাবেন তিনিই আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলের প্রার্থী হতে পারবেন। এমনই একজন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প  বেশ কিছুদিন ধরেই বেশ গরম গরম কথা বলছেন। তার একটি হলো- সরকারের উচিৎ ইমিগ্রান্টদের বের করে দেয়া। তো, তার এই কথার উত্তরে এক আমেরিকান ফেসবুকে একজন রেড ইন্ডিয়ানের ছবি দিয়ে লিখেছে,- ওহ তাই! তা তুমি কবে যাচ্ছো?
তার মানে তুমিও তো ইমিগ্র্যান্ট বা দখলদার। তোমারও তো এদেশে থাকার অধিকার নেই। মানুষ এমনটাই সচেতন। রাজনীতিকরা সব সময় ভাবেন তিনি বা তারা যা বোঝেন জনগণ তার চেয়ে কম বোঝে। তা বটে, জনগণ কম বোঝে বলে রাজনীতিকরা তাদের ভোট পায় বা সমর্থন পায়। তাই বলে সব মানুষই তো আর আম-জনতা নয়। তাদের কিছু মানুষ তো অবশ্যই রাজনীতিকদের চেয়ে বেশি জানেন, বেশি বোঝেন এবং তারা অনেক দূরদৃষ্টিসম্পন্ন । এটা মি. ট্রাম্প ভুলে গেছেন। তিনি ভেবেছেন ডেমোক্র্যাটরা ইমিগ্র্যান্টদের পক্ষে, আর তার দল বিপক্ষে, এর জন্য তিনি  এই ইস্যুতে খাঁড়া হাতে নেমেছেন। এতে কিছু লোক খুশি হবে। হ্যা, তা হতেই পারে কেউ কেউ। তা বলে সবাই হবে, তার দলের সবাই কি খুশি হবে? আমার বিশ্বাস হয় না। এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। কারণ আমেরিকা হচ্ছে ইমিগ্র্যান্টদের দেশ। আর শাদা-কালো-পীত-হলুদ ইত্যাদি নিয়ে এখন আর তেমন বিরোধিতা নেই। সাধারণ মানুষও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপারে সন্দিগ্ধ নয়, যা রাজনীতিকদের পুঁজি এখন।
কিছু মানুষ তো অবশ্যই ভিন্নমতাবলম্বী থাকবে, সেটা তার রাজনৈতিক ও সাং¯কৃতিক স¦াধীনতা। ট্রাম্প এটা বোঝেননি। তিনি হালে আরো একটা কথা বলেছেন। ফেসবুকে দেখলাম তার বানী একজন তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি নির্বাচিত হলে সব মসজিদ বন্ধ করে দেবেন। তাকে যে আরো বড়ো ধরনের রোগে পেয়েছে, সেটা বোঝা যায় তার এই ‘বানী’ থেকেই। স্টিফেন হারপারের রোগটা কিছু ছোটই ছিলো বলতে হবে। তিনি কেবল নেকাব বন্ধ করতে চেয়েছিলেন। আর ট্রাম্প চাইছেন মসজিদ বন্ধ করে দিতে। এতে করে খ্রিস্টানরা খুশি হবেন, জুয়িশরা আত্মায় বল পাবে বলে আমার মনে হয় না। কয়েক বছর আগে, ২০১০ সালের শেষ দিকে  বোধহয়, নিউ ইয়র্ক সিটির প্রধান চার্চের প্রধান বলেছিলেন, ম্যানহাটানে যদি আমাদের গির্জা থাকতে পারে তাহলে মুসলমানদের একটি মসজিদ বানানোর অধিকার আছে।
কেন তিনি এমনটা বলেছিলেন? কারণ এটা প্রত্যেক মানুষের ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় বা সাংবিধানিক স্বাধীনতা ভোগের অধিকারকে সমুন্নত রাখতে তিনি এটা বলেন বলে আমার বিশ্বাস।  এখন রাজনীতি তার শৈল্পিক কেন্দ্র থেকে অনেকটাই সরে এসেছে বলে আমার মনে হয়। রাজনীতিতে এখন রাজনৈতিক বিরোধিতা ঘৃণার আবর্তে পড়েছে। না হলে ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন নগ্নভাবে মুসলমানদের বিরুদ্ধে বলতে পারতেন না। আমেরিকার রাজনীতিতে এই নিকৃষ্ট ঘৃণার উদগারের বীজ উপ্ত করেছেন এক পলিটিক্যাল দার্শনিক অধ্যাপক হান্টিংটন। তিনি আমেরিকানদের উদ্দেশ্যে একটি বই লিখেছেন। নাম ‘দ্য ক্যাশ অব টু সিভিলাইজেশন’। সেখানে তিনি মুসলমানদের টার্গেট করেছেন। আমেরিকা এবং খ্রিস্টান দুনিয়ার প্রধান রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক শত্রু হচ্ছে ইসলাম এবং তাদের উন্নতি। সে ঘটনা কুড়ি শতকের শেষ দশকের। তারপর থেকেই আমরা দেখতে পাচ্ছি যে কোনো উপলক্ষ্যেই আমেরিকা ও তাদের রাজনৈতিক লাইনআপ ইউরোপ ইসলাম ও মুসলমানদের টার্গেট করে কথা বলে। রিপাবলিকান ট্রাম্প ভেবেছেন মুসলমানদের ঘায়েল করা গেলে তিনি বা তার দল নির্বাচনে বিজয়ী হবে। কিন্তু গণমানুষ, কম জ্ঞানী হতে পারে, কিন্তু তারা মানবতাকেই নিজেদের শক্তির উৎস বলে মনে করেন। সেখানে হিন্দু মুসলমান, খ্রিস্টান বা জুয়িশ--- কাউকেই হেয় করে দেখেন না, ভাবেন না তারা। মানুষ সবাই,---এটাই তাদের কাছে প্রধান।
আমি তো মানস চক্ষে দেখতে পাচ্ছি বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিরোধিতার একাংশ যেনো এ-দেশের রাজনৈতিক মঞ্চে জায়গা করে নিয়েছে। তবে সেটা দলীয় বিরোধিতা নয়, সম্প্রদায়গত।
আমার মনে হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের কানে ঢোকেনি বা তিনি সময় পাননি কানাডার নির্বাচনী রাজনীতির ঘটনাবলীর উত্থান-পতনের ঘটনাগুলো পরখ করার। কি কি কারণে স্টিফেন হারপার দল কনজারবেটিভ দল হেরে গেলো এবং কি কি কারণে জাস্টিন ট্রুডো জিতে গেলেন, সেটা পরখ করে দেখা উচিৎ তার। রিপাবলিক্যানদের রাজনৈতিক চিন্তাধারা যদি মুসলিম বিদ্বেষী থাকে, তাহলে কেবল মুসলমানরাই নয়, অনেক প্রকৃত মানুষ, ভোটার রিপাবলিক্যানদের ভোট দেবে না। আমার ধারণা ২০১৬ সালের নির্বাচনে রিপাবলিক্যানরা হেরে যাবে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে যদি হিলারী রডহ্যাম কিনটন মনোনয়ন পান, তাহলে বারাক হোসেইন ওবামা পরবর্তী প্রেসিডেন্ট তিনিই হবেন। এবং সেটা হলে, আমেরিকার ইতিহাসে প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি হবেন হিলারী কিন্টন। হোয়াইট হাউসে তিনি ৮ বছর কাটিয়েছেন ফার্স্টলেডি হিসেবে। তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে রাজনৈতিক ক্ষমতায় কাটিয়েছেন ৪ বছর। তার রয়েছে রাষ্ট্র পরিচালনা করার মতো রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দক্ষতা। তার স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি বিল কিনটন তাকে অনেকটাই সাহায্য করতে পারবেন। তবে সেটা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পুত্র জয়-এর মতো করে নয়।
জিওপি বা গভর্নমেন্ট অপোজিশন পার্টি মানে এখন রিপাবলিকান পার্টি, তাদের প্রার্থী বাছাই প্রতিযোগীদের তুমুল প্রতিযোগিতা চলছে। দেশের মানুষ তাদের প্রতিযোগীদের ডিবেট দেখছে টিভিতে। পত্রিকায় পড়লাম [লস এঞ্জেলেস টাইমস] সর্বশেষ তাদের ডিবেট শুনেছে ২৫ মিলিয়ন মানুষ। আর গত সপ্তাহে হিলারী ও অন্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের ডিবেট শুনেছে ১৫ মিলিয়ন মানুষ। তথ্যগুলো কতোটা সত্য আমি বলতে পারবো না। এদেশের টিভি চ্যানেল ও পত্রিকাগুলোও সরবে-নীরবে পার্টির সমর্থক। এমন কি ডিবেটের অ্যাঙ্করকেও দোষারোপ করতে ছাড়ছে না রিপাবলিকানরা। আর ধনবানরা তো প্রকাশ্যেই পার্টিকে চাঁদা দিচ্ছে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার। আর কোন দল কতো বেশি চাঁদা তুলতে পারলো, সেটাও একটি বাহবা পাওয়ার মতো খবর। সেই টাকা দিয়ে তারা টিভিতে রাজনৈতিক দলের বিজ্ঞাপন দেবেন। দলের অন্য সব কাজে ব্যয় করবেন। চাঁদাদাতারা [ মূলত তারা লগ্নীকারক] দলের জেতার জন্য রাত জেগে অপেক্ষা করে। কারণ দল জিতলেই তার বিনিয়োগ শত সহস্রগুণে বেড়ে তার পকেটে আসবে। রাজনীতি যে একটা বড় ব্যবসা সেটা ভুলে গেলে চলবে না। তবে আমাদের দেশে যেমনটা হয়, এখানে তেমনটা হয় না। এখানে উপরমহলেই সব দুর্নীতি ঘটে। ওয়ালস্ট্রিটে যেমনটা ঘটেছিলো,সেই রকম, লুটপাট তো বাংলাদেশে ফি-বছরই হয়ে চলেছে। এখন, রাজনীতিকে লগ্নীকারকদের হাত থেকে বাঁচাতে না পারলে প্রকৃত প্রস্তাবে গণমানুষের কল্যাণ কোনোদিনই সম্ভবপর হবে না।
লেখক- ড. মাহবুব হাসান: কবি, সাংবাদিক, আমেরিকা প্রবাসী।

Print Friendly, PDF & Email