25 Nov 2017 - 12:34:05 am

চিরিরবন্দরের বধ্যভূমিতে নির্মিত স্মৃতি স্তম্ভটি পড়ে আছে অযত্ন অবহেলায়

Published on রবিবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৬ at ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
Print Friendly, PDF & Email

চিরিরবন্দরের বধ্যভূমিতে নির্মিত স্মৃতি স্তম্ভটি পড়ে আছে অযত্ন অবহেলায় মোহাম্মাদ মানিক হোসেন চিরিরবন্দর (দিনাজপুর)প্রতিনিধি: দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার রাণীরবন্দরের বধ্যভূমিতে নির্মিত স্মৃতি স্তম্ভটি অযত্নে অবহেলায় পড়ে রয়েছে। প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ আর য়ত্নের অভাবে এর উভয় পার্শ্বের পাটাতন চুরি হয়ে যাচ্ছে। ফলে ধবসে গেছে কিছু অংশ এবং পুরো স্মৃতি স্তম্ভ নোংরা হয়ে পড়ে রয়েছে।

“৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাক-হানাদার বাহিনীর গণহত্যার জন্য ব্যবহৃত ৩৫টি বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণ”শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ৮ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা ব্যয়ে রানীরবন্দরের আলোকডিহি জেবি উচ্চ বিদ্যালয় চত্ত্বরে নির্মিত হয়েছে দৃষ্টি নন্দন স্মতি স্তম্ভ। রানীরবন্দর থেকে প্রায় দেড় কিলমিটার সৈয়দপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক সংলগ্ন ইছামতি নদীর তীরে দৃষ্টি নন্দন এই স্মারক স্থাপত্য শুরু থেকেই মানুষের দৃষ্টিকারে।

উল্লেখ্য,৭১’ এর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে একদল অবাঙ্গালী সহ পাকিস্তানী হানাদারদের দোসররা বৃহত্তর রানীরবন্দরের শতাধিক লোককে ওই ফাঁকা জায়গায় নিয়ে এসে ধারালো অস্ত্র এবং গুলি করে নৃশংসভাবে হত্যা করে সেখানেই লাশগুলো একটি মাত্র গর্ত করে পুতে রাখে। আশি অনূর্ধ আব্দুর রহিম জানান,বধ্যভূমিটি ছিল একটি সমতল জায়গা। জেবি স্কুল কর্তৃপক্ষ নাম মাত্র একটি স্মৃতি স্তম্ভ তৈরি করে রেখেছিল।

এদিকে স্মৃতি স্তম্ভটি নির্মাণ করার পর রক্ষণাবেক্ষনের অভাবে পুরো চত্বর নোংরা এবং কিছু ভেঙ্গ পড়ে রয়েছে। এদিকে সচেতন মহল মত প্রকাশ করেন, শুধু সংরক্ষণ নয় স্মৃতি স্তম্ভের পুরো জায়গায় সীমানা প্রাচীরসহ বাগান করা হলে দৃষ্টি নন্দন স্মৃতি স্তম্ভটির গুরুত্ব আরও বহুগুণে বেড়ে যাবে।

Print Friendly, PDF & Email