25 Nov 2017 - 12:39:37 am

“সত্য আজ বড় প্রয়োজন “- নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ড.মাহবুব হাসান

Published on রবিবার, মার্চ ১৯, ২০১৭ at ৪:২৫ অপরাহ্ণ
Print Friendly, PDF & Email

ড.মাহবুব হাসান, “সত্য আজ বড় প্রয়োজন” কবি আসাদ চৌধুরী তার একটি কবিতায় লিখেছিলেন, কোথায় সত্য? সত্য কোথাও নেই। মানে তাকে কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না, সে খোঁয়া গেছে। এটাই সেই কবিতার মর্মমূল।
সত্য যে কঠিন সেটা বিশ্বের গরিব মানুষেরা সবচেয়ে বেশি জানে ,বোঝে। কারণ প্রতিদিন তারা সেই সব সত্যের কামড় খেতে“সত্য আজ বড় প্রয়োজন “- নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ড.মাহবুব হাসান খেতে আশায় বুক বাঁধে আর স্বপ্নের সন্ধানে ব্যয় করে জীবন-যৌবন। তারপর একদিন টুক করে ঝরে পড়ে স্বপ্নময় এই পৃথিবী থেকে আরেক অনন্ত জীবনের সীমায়।
ব্যক্তি থেকে শুরু করে, গোষ্ঠী ও সামাজিক মানুষেরা ওই সত্যের সন্ধানে ঘোরে প্রতিদিন। রাষ্ট্র ও তার পরিচালকরাও ঘোরে প্রকৃত সত্য কোথায় লুকিয়ে আছে তা দেখতে ও তার পরশ পেতে। কিন্তু এমন তো নয় যে তার কোনো আকার আছে, না তার কোনো স্থানিক অবস্থান আছে। সে সর্বত্র বিরাজমান। আবার তার স্বরূপ আমরা উপলব্ধি করি, কিন্তু তাকে ধরতে পারি না। কিন্তু কোনো না কোনোভাবে সত্য কিন্তু প্রকাশ পায়। যিনি প্রকাশ করেন তিনি হয়তো কল্পনাও করেননি যে
এ-থেকে কঠিন এক সত্য-রূপ প্রকাশ পাবে, যা তার এবং তার দেশের চেহারার ‘স্বরূপ’ বেরিয়ে আসবে।
দিন কয়েক আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসের যৌথকক্ষের [সিনেট ও হাউজ] সভায় তার প্রথম ভাষণে এমনই এক সত্য প্রকাশ করে দিয়েছেন। পৃথিবীর এক নম্বর দেশ আমেরিকায় গরিবি কেমন তার একটি সুরত বেরিয়ে এসেছে সেই সত্য থেকে। ভাষণে ট্রাম্প বলেছেন, দেশের ৪ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি নাগরিক ‘ফুড স্টাম্প’-এর সাহায্যে বেঁচে আছে। অর্থাৎ ওই লোকেরা অর্থনৈতিকভাবে দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করে। মার্কিনি সেন্সাস ব্যুরোর ২০১৫ সালের পরিসংখ্যানেও রয়েছে এর সত্যতা। বলা হয়েছে ৪ কোটি ৩১ লাখ মানুষ দারিদ্র্যমীমার নিচে বাস করছে। সেন্সাস ব্যুরোর মতে, যে পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৪ জন এবং ১৮ বছরের নিচের কোনো শিশু নেই, সেই পরিবারের বার্ষিক আয় যদি ২২ হাজার ৫৪১ ডলারের কম হয়, তাহলে তারা দরিদ্র্য।
ভাষণে ট্রাম্প বলেছেন দেশে বর্তমানে ৯ কোটি ৪০ লাখ কোনো চাকরি পাচ্ছে না। বাস্তব হচ্ছে আমেরিকানরা চাকরি করতে তেমন উৎসাহী নয়। সে জায়গাগুলো দখলে নিয়েছে ইমিগ্য্রান্টরা। আর বেকারের সংখ্যা সম্পর্কে ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিকটিক্সের তথ্য হচ্ছে গত জানুয়ারিতে বেকারের সংখ্যা ছিলো ৭৬ লাখ। অর্থাৎ ট্রাম্প সঠিক তথ্য দেননি।
সত্য আর মিথ্যার ভেজাল মেশানো ওই ভাষণের বিষয়গুলো নিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস সোচ্চার। নিউ ইয়র্ক টাইমসের ‘ফ্যাক্টস চেক’-এ ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষণের সত্য আর বানোয়াট নিয়ে লিখেছেন পত্রিকার সাংবাদিক ডানা গোল্ডস্টেইন। সেখানে দেখানো হয়েছে যে ট্রাম্প সত্য গোপন করেছেন বা বানোয়াট তথ্য দিয়েছেন। বিশেষ করে ৯ কোটি ৪০ লাখ বেকার নিয়ে তথ্যটি সঠিক নয়। সঠিক নয় ট্রাম্পের এই কথাটি যে, ‘আমরা অন্য দেশের সীমান্তের সুরক্ষা দিচ্ছি, কিন্তু নিজেদের সীমান্ত উন্মুক্ত’। এ-বিষয়ে ডানা লিখেছেন, এটা সত্য যুক্তরাস্ট্রের অনেক সীমান্ত উন্মুক্ত, তার মানে এ নয় যে সেই সীমান্ত সুরক্ষিত নয়। ২১ হাজার সীমান্ত রক্ষী পালাক্রমে পাহারা দিচ্ছে, প্রায় সমসংখ্যক কাস্টমস ও সীমান্ত কর্মকর্তা সেখানে নিয়োজিত। ৩২৫টি সীমান্ত ফাঁড়ি রয়েছে। [সাপ্তাহিক আজকাল, নিউইয়র্ক, ৩ মার্চ, ২০১৭]
তারা কি সীমান্ত সুরক্ষা দিচ্ছে না, এই প্রশ্ন আমাদের মনে জাগছে। যেমন খুন-খারাবি বেড়ে যাওয়র  কথা বলেছেন ট্রাম্প। গত ৫০ বছরের মধ্যে নাকি ২০১৫ সালে সব চেয়ে বেশি মানুষ খুনের শিকার হয়েছে। তথ্যটা নির্ভুল নয়। এফবিআইয়ের পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৫ সালে খুনের ঘটনা ঘটেছে ১৫ হাজার ৬৯৬টি। সেটা ২০১৪ সালের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি। তবে ১৯৯১ সালে হত্যাকান্ডের সংখ্যা ছিলো  ২৪ হাজার ৭০৩টি। তাহলে সত্য কোনটা? ট্রাম্প যেটা বলেছেন সেটা নাকি যেটা এফবিআইয়ের অপরাধ পরিসংখ্যানে যা রেকর্ড আছে, সেটা?
এ-ভাবে সত্য আর মিথ্যায় সাজানো ভাষণ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে দেশের সর্বত্র। বিশেষ করে আনডক্যুমেনটেড ইমিগ্র্যান্টরাই বেশি আতঙ্কিত। ডক্যুমেন্ট আছে বা গ্রীনকার্ড ধারীরাও ভীত-সন্ত্রস্ত। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জ্যামাইকা থেকে আমেরিকান পাসপোর্টধারী দেশে ফেরার পথে ফ্লোরিডার বিমান বন্দরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের শিকার হয় মুষ্ঠিযোদ্ধা মোহম্মদ আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী জুনিয়র। সঙ্গে তার মাও ছিলেন। প্রথম স্ত্রীর সাথে মোহম্মদ আলীর একটি ছবি থাকায় তিনি হেনস্থার শিকার হননি। কিন্তু ছেলেকে তার নাম ও ধর্ম নিয়ে দুই ঘন্টা জেরা করে হেনস্তা করেছে। বাই বর্ণ আমেরিকার নাগরিককে তার সীমান্তরক্ষী হোমল্যান্ড সিকিউরিটির লোকেরা শুধু মুসলমান হওয়ায় হেনস্তা করবে কেন? কি তার আইনি ভিত্তি আছে?  হোমল্যান্ড সিকিউরিটির শাদা আমেরিকানরা যে মুসলমানদের বিরুদ্ধে কাজ করছে, এটা তার এক প্রমাণ। ডোনাল্ড ট্রাম্প যতোই আশ্বস্ত করুন না কেন, তিনি যে বর্ণবাদিতার বীজ উপ্ত করেছেন, তা পরিবাহিত হচ্ছে কর্মরত শাদাদের কাজে-কর্মে। মনের ভেতর সংগুপ্ত থাকা বর্ণবাদিতা সুযোগ বুঝেই গোখড়োর মতো ফণা তুলছে। সত্য কখনোই লুকিয়ে রাখা যায় না।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারির পত্রিকায় নিউ ইয়র্ক টাইমস পুরো পাতায় এই কথাগুলো লিখেছে;

Truth.

It’s more important now than ever. এ-কথা ১৫ পৃষ্ঠায়,  আর ১৭ পৃষ্ঠায় নিচের কথাগুলো। The truth is hard. The truth is hidden. The truth must be pursued.  The  truth hard to hear. The  truth rarely simple. The truth isn’t so obvious. The truth is necessary. The truth can’t be glossed over. The truth has no agenda.  The truth can’t be manufactured.  The truth doesn’t take sides. The truth isn’t   red or blue. The truth is hard to accept.  The truth pulls no punches. The truth is powerful. The truth is under attack. The truth is worth defending.. The truth requires taking a stand. The truth is more important now than ever.  The New York Times

দুটি পৃষ্ঠা খরচ করে নিউ ইয়র্ক টাইমস নিজেদের যে সব কথা তুলে ধরেছে তার পাঠকের কাছে, তা যে সত্যকেই মেলে ধরা, তা কি কেউ অস্বীকার করতে পারবে? কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, সব ধরনের স্বাধীনতা  থাকা সত্তেও আজ নিউ ইয়র্ক টাইমসকে কেন এই বিজ্ঞাপন আকারে নিজেদের মত প্রকাশ করতে হলো? পত্রিকাটি তো সম্পাদকীয় লিখে এই কথাগুলো বলতে পারতো। কিন্তু সেটা করলে বেশি লোকের চোখে পড়তো না। দুই পাতায় এই রকম সত্য কথার প্রতি ঘোষণা দিয়ে সে বলতে চাইছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প সত্যের শক্তি সম্পর্কে কিছুই জানেন না। হোয়াইট হাউজের ব্রিফিংয়ে বেশ কয়েকটি পত্রিকা ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার প্রতিনিধি রিপোর্টারকে ‘নিষিদ্ধ’ করেছে। ফলে ওই সব মিডিয়া তাদের সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ট্রাম্প বলেছেন, সাংবাদিকরা করাপটেড এবং তারা ফেক নিউজ করে। মূলত নিউ ইয়র্ক টাইমসের এই বিজ্ঞাপন  ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিথ্যাচারের  বিরুদ্ধে এক অব্যর্থ অস্ত্র। সত্য সম্পর্কে যে সব কথা বলা হয়েছে, তা র‌্যাশনাল পৃথিবীর কেউ [কেবল সরকারের লোকেরা বাদে] অস্বীকার করতে পারবেন না। সত্যের রূপ বিভিন্ন প্রেক্ষিত থেকে দেখলে ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু তা মিথ্যা হতে পারে না। একটা উদাহরণ দেয়া যাক।
নিউ ইয়র্কে বাংলা কমিউনিটির একজন মহিলা ভাষা আন্দোলনের নেতাদের সম্পর্কে কথা বলছিলেন। সেই নেতারা কারা? বললেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মওলানা তর্কবাগিশ, মওলানা ভাসানী...। তথ্য হিসেবে তিনি ঠিক নামগুলোই বলেছেন। সত্য এখানে আছে, কিন্তু বিকৃতি ঘটেছে সেখানেই কে সবার আগে হবে? শেখ মুজিবের নেতৃত্বে কি ভাষা আন্দোলন হয়েছে? মওলানা তর্কবাগিশের নেতৃত্বে কি হয়েছে? নাকি মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে হয়েছে? আওয়ামী [মুসলিম] লীগের প্রতিষ্ঠাতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর রাজনৈতিক অনুসারী ও দলীয় নেতা-কর্মী ছিলেন তর্কবাগিশ ও মুজিব। ভাসানী ছিলেন ভাষা আান্দোলনের সর্বদলীয় জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক। বাকিরা ছিলেন তার সাথে, কমিটিতে। আওয়ামী লীগের একজন সহকারী সম্পাদকের পক্ষে কি তার সভাপতির ওপরে যাওয়া সম্ভব? তাও আবার তারই হাতে নির্মিত দলে থেকে? না সম্ভব নয়। কিন্তু আজকে এ-প্রজন্মের লোকেরা ইতিহাস কিভাবে বিকৃত করছে, দেখুন। তারা তাকে জাতির স্থপতি বিবেচনা করে মুজিবকে সামনে নিয়ে এসেছে। আর মওলানা ভাসানী যেহেতু কোনো জাতির স্থপতি নন [তাদের বিবেচনায়] তাই তাকে তারা লাইন মত [ভাসানীকে] তিন নম্বরে উল্লেখ করলেন। এখনকার ছেলে-মেয়েরা শিখবে ভাষা আন্দোলন শেখ মুজিবের নেতুত্বে হয়েছে। নেতা-প্রেমে অন্ধরাই এই বিকৃত ইতিহাসের জন্মদাতা। সত্য কিভাবে বিকৃত-সত্যের হাতে নিগৃহীত হয়, এ তারই প্রমাণ।
নিউ ইয়র্ক টাইমস সেই কথাটিই বলার চেষ্টা করেছে। কোনো কোনো মিডিয়ায় হয়তো মাঝে-মধ্যে বিকৃত সত্যের ওপর ভিত্তি করে রিপোর্ট করেছে। সে দায় তো সেই পত্রিকার ওপর বর্তাবে। তাকে কেন্দ্র করে গোটা সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিকদের ‘করাপটেড’ বলা কতোটা ন্যায়-মন্তব্য বলে বিবেচিত হবে? আসলে ট্রাম্প নিজের বিকৃত চিন্তার সুতো ধরে যে এমনটা করেছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তিনি যে ১৮ বছর কর ফাঁকি দিয়েছেন, সেটার তো প্রতিবাদ করেননি বা বলতে পারেননি যে তিনি ফাঁকি দেননি। তিনি যে জুয়ার বা ক্যাসিনোর ব্যবসায়ী সেটা তো অস্বীকার করেননি। কারণ সেগুলো ডক্যুমেন্টেড। সেগুলো অস্বীকার করে কথা বললে তিনি আরো খাদে পড়বেন। তাই মিডিয়ার ওপর কালি ছিটিয়ে দিয়েছেন, যা রাজনৈতিক চরিত্রের মধ্যে পড়ে না। মিডিয়া হচ্ছে রাজনীতিকদের প্রচার-প্রসারের হাতিয়ার। সেই অস্ত্র ভোতা করা হলে বা সেই অস্ত্রকে নিরপেক্ষ নয় বললে তো তারা সত্যের সন্ধান করবেই। সত্য কি সেটা নিউ ইয়র্ক টাইমস তুলে ধরেছে। এখন পাঠক বুঝবে, কেন তারা এই সত্য-সন্ধান করলো। আর আমরাই বা কেন সত্যের কঠিন রূপের কথা বলি। ‘সামাজিক শিক্ষক’ বলে আমি সাংবাদিকদের যে তকমা দিয়েছি, তারা তো সেই সত্যেরই সন্ধানদাতা, যা সব মানুষের অধিকার-অন্তর্গত। সত্য বিকৃত করেও বেশি দিন তাকে সত্য বলে চালানো যায় না। বহু বছর ধরে প্রচার করা হয়েছে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিব। কিন্তু সেটা সত্য নয়। শেখ হাসিনা বুঝেছেন প্রকৃত সত্য তুলে না ধরলে তার পিতা শেখ মুজিব মিথ্যার সাগরে ডুবে যাবেন। তাই গত কাউন্সিল অধিবেশনে দলের ব্যানারে মওলানা ভাসানীর ছবি ব্যবহার করে বলতে চেয়েছেন সত্য এখানে বাস করে।
ডোনাল্ড জে  ট্রাম্পও মিথ্যা বা বানোয়াট তথ্য দিয়ে বিকৃত মানসিকতার পরিচয় দিচ্ছেন। পত্রিকাগুলো যে মিথ্য বা ফেক রিপোর্ট করেনি, ট্রাম্পের গায়ে লেগেছে সে কারণেই। সিএনএন বা নিউ ইয়র্ক টাইমস ফেক নিউজ করেনি। তাই সত্যের প্রকাশ আজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই সত্য প্রকাশ হচ্ছে ধীরে ধীরে। ট্রাম্প যে দুই নম্বরি পথে, মানে রাশিয়ান হ্যাকারদের সহযোগিতায় হিলারিকে হারিয়েছেন, সেটাই বেরিয়ে আসছে। প্রতিনিধি পরিষদের গোয়েন্দা বিষয়ক কমিটি এর মধ্যেই তদন্তে নেমেছে নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রচারণা দলের সাথে রাশিয়ার কোন ধরনের সংশ্লিষ্টতা ছিলো তা খতিয়ে দেখতে। ওই কমিটিতে থাকা শীর্ষ ডেমোক্র্যাট নেতা অ্যাডাম স্কিফ এ-কথা বলেছেন। কমিটির চেয়ারম্যান ও রিপাবলিক্যান নেতা ডেভিন নুনেসও তদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তার আগে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে এ-বিষয়ে একটি চুক্তি হয়েছে।
এ-বিষয়ে সত্যতা আছে বলেই বারাক হুসেইন ওবামার শেষ সময়ে ৩৫ জন বাশিয়ান কূনীতিককে বহিস্কার করা হয়। কিন্তু রাশিয়া তার প্রতিশোধে কোনো বহিস্কারের পথে যায়নি।  তদন্তে সংশ্লিষ্টতা বেরিয়ে এলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবেন বলে মনে হয় না। #

লেখক, মাহবুব হাসান : কবি, সাংবাদিক, আমেরিকা প্রবাসী
০৫/০৩/১৭
নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র

 

Print Friendly, PDF & Email