25 Nov 2017 - 12:39:24 am

বাঁশখালীতে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট, ক্রেতাদের  উপচে ভিড়

Published on বুধবার, আগস্ট ৩০, ২০১৭ at ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
Print Friendly, PDF & Email

মোঃ আবদুর জব্বার বাঁশখালী (চট্টগ্রাম): বাঁশখালীতে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট। বাঁশখালীর বিভিন্ন হাট বাজারে শুরু হয়েছে পশু বেচা কেনা। পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন কোরবানির পশুহাট জমে উঠেছে। তবে, এসব হাটে কোরবানির পশুর সরবরাহ কম হলেও ক্রেতা ও দাম অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি।উপজেলার ছোট-বড় প্রায় ৩০টির মত কোরবানীর পশুর হাট বসেছে বাঁশখালী পৌরসভার জলদী মিয়ার বাজার আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে।এ ছাড়াও পৌরসভার ভাদালিয়া হারুন বাজার, মনছুরিয়া বাজার, পুকুরিয়া চাঁনপুর বাজার, পুকুরিয়া চৌমুহনী, মোনায়েম শাহ বাজার, বানীকগ্রাম বাজার, খানখানাবাদ চৌধুরী হাট, বাঁশখালীতে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট, ক্রেতাদের  উপচে পড়া ভিড়বাহারচড়া বশির উল্লাহ মিয়াজির বাজার, রামদাস মন্সির হাট, টাইমবাজার, সরলবাজার, গন্ডামারা বাজার, বড়ঘোনা সকাল বাজার, চাম্বল বাজার, নাপোড়া বাজার, ছনুয়া মনুমিয়াজীর বাজার, সরলিয়া বাজার, পুইছুড়ি বদ্দারহাট বাজার সহ অন্তত ছোট বড় সবে মিলে ৩০টির ও অধিক পশুর হাট বসেছে। কোরবানির পশুহাটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাটে প্রায় ২/৩ হাজার গরু এবং ৩/৫ শত ছাগল উঠেছে। সেই তুলনায় ক্রেতা ও দাম বেশি হওয়ায় বেচা-কেনাও জমে ওঠেনি। তবে এবার বাজারে গরুর মূল্য ৫০হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৫লাখ টাকা এবং ছাগল ৮ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে কেনাবেচা হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন গত বছরের চেয়ে এবার কোরবানরি পশুর দাম অনেক কম। ফলে গরু-ছাগলের ন্যায্য দাম না পেয়ে হতাশ খামারি ও গবাদিপশু পালনকারীরা। ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গরুর প্রচুর পরিমানে রয়েছে কিন্তুু বিক্রেতারা গরু বেশি বিক্রি করার জন্য দাম বেশি বলছে।তাদের অভিযোগ গরুর বিক্রেতারা সেন্ডিকেট করে চলমান ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির কারণে এ দুর্দশা কারনে বন্যার কারণে রাস্তা-ঘাট, বাড়িঘর ডুবে যাওয়ায় বাড়িঘর ছেড়ে বানভাসিরা অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। এতে গবাদি পশুগুলোকে তারা কম দামে উত্তরবঙ্গ থেকে কম দামে ক্রয় করে এখন বেশি দামে বিক্রি করছে সেন্ডিকেট গুলো।ব্যবসায়ী সেন্ডিকেট গুলো গরু বাজারে পর্যাপ্ত পরিমানে তুলছেন না। এদিকে নিয়মিত পশুর হাট ছাড়াও কোরবানের আগে বিভিন্ন জায়গায় বসে পশুর হাট। ঠিক তেমনি পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে বৈলছড়ী নজমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতি বছরের মতো জমে উঠেছে অস্থায়ী পশুর হাট। চলবে কোরবানির আগের দিন পর্যন্ত সরেজমিনে পশুর হাট পরিদর্শন কালে দেখা যায়, গরু বিক্রয় করতে আসা আবচার জানান, বাজারে আসা সবচেয়ে বড় গরুটির মূল্য হাকা হয়েছে দেড় লক্ষ টাকা। তিনি গরুটি গত বছর ক্রয় করেছেন আশি হাজার টাকায়। দীর্ঘ এক বছর লালন-পালনের পর তিনি গরুটি বিক্রি করতে বাজারে এনেছেন। রবিবার উপজেলার রামদাস মন্সির হাট বাজারে গিয়ে দেখা যায় অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার বাইরের গরু কম আর দেশী গরু বেশি।সপ্তাহের রবিবার আর বৃহস্পতিবার বসে এখানে গরু ও ছাগলের বাজার।অনেকে গরুর অতিরিক্ত দামের কারনে এখনো গরু কিনছে না। বাঁশখালী উপজেলা সোনালী ব্যাংক শাখার ম্যানেজার বাবু প্রিয় ব্রত বিশ্বাস জানান, সোনালী ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে বাঁশখালী পৌরসভার ভাদালিয়া হারুন বাজার, জলদী মিয়ার বাজার, বৈলছড়ী শাখার তত্ত্বাবধানে বৈলছড়ি নজমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়, কাথরিয়া বাজার ও রামদাস মন্সির হাটে এবং কৃষি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, স্ট্যান্ডার ব্যাংক, ফাষ্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক শাখা সহ সরকারী বেসরকারী ব্যাংক গুলো কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে বাঁশখালী বিভিন্ন পশুর হাট বাজারে জাল নোট শনাক্তকরন মেশিন বসিয়েছে। আগামী শুক্রবার পযর্ন্ত কোরবানী পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তকরন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।বাঁশখালী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, পবিত্র ঈদ-উল আযহাকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন গরুর বাজারগুলোতে পযার্প্ত নিরাপত্তার ব্যবস্হা করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য প্রত্যেক বাজারে আমাদের গোয়েন্দা সংস্হা সহ পুলিশের পাশাপাশি বিশেষ টিম কাজ করছে।

Print Friendly, PDF & Email