21 Nov 2017 - 03:11:13 am

বাবাকে খুজেঁ পেল ২০ বছর পর, সেই বাবাই ধর্ষন করল মেয়েকে!

Published on মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৬ at ৮:৩২ পূর্বাহ্ণ
Print Friendly, PDF & Email

তিস্তা নিউজ ওয়েব ডেস্ক: বাবার সঙ্গে দেখা করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন মহিলা। ২০ বছর পর বাবা-মেয়ের দেখা হবে বলে কথা! প্রচন্ড উত্তেজনায় ফুটছিলেন তিনি। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে এ শহর সে শহর ঘুরে অবশেষে বাবার খোঁজ পান তিনি। কিন্তু সেই বাবাই যে তাঁকে ধর্ষণ করবে স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি। অস্ট্রেলিয়ার ঘটনা। মহিলা তাঁর বাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন।বাবাকে খুজেঁ পেল ২০ বছর পর, সেই বাবাই ধর্ষন করল মেয়েকে!

আসল ঘটনাটি কী?

মহিলা জানিয়েছেন ছোটবেলা থেকে তিনি কখনও বাবাকে দেখেননি। তাই খুব দেখতে ইচ্ছে করত তাঁকে। যত বড় হয়েছেন বাবাকে দেখার এবং কাছে পাওয়ার আগ্রহও বেড়েছে। তখন থেকেই বাবার খোঁজ শুরু। অস্ট্রেলিয়ার এ প্রান্ত থেকে সে প্রান্ত ছুটে বেড়িয়েছেন বাবার খোঁজে। অবশেষে দীর্ঘ ২০ বছরের অক্লান্তিক প্রচেষ্টায় তাঁর বাবার খোঁজ পান কুইন্সল্যান্ডে। এত বছর পর বাবাকে খুঁজে পাওয়ার আনন্দ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান। মহিলা আরও জানান, বাবা কেমন মানুষ ছিলেন সে সম্পর্কে তিনি আগে শুনেছিলেন পরিবারের সদস্যদের থেকে। মানুষ হিসাবে তাঁর বাবা খুব একটা সুবিধার ছিলেন না। কিন্তু সেই সব ভুলে বাবাকে কাছে পাওয়ার জন্য ব্যাকুল ছিলেন তিনি। তাই বাবাকে নিজের বাড়িতে ডাকেন। মহিলা সে দিন বাড়িতে একাই ছিলেন। তাঁর স্বামী কাজের জন্য সে সময় বাড়ির বাইরে ছিলেন। মহিলা আদালতে বলেন, “আমাকে দেখেই বাবা খুব খুশি হন। তাঁকে আলিঙ্গন করতে বলেন। আমার ঘাড়ে চুম্বন করেন। তার পর জোরে চেপে ধরেন।” মহিলা  আরও বলেন, বাবাকে ছিটকে ফেলে দিই। কিন্তু তিনি আমাকে জোর করে ধর্ষণ করেন। আর বলতে থাকেন সারাজীবনের জন্য তোমাকে ভালবাসব।” তাঁর আরও অভিযোগ, বাবার পূর্বের কর্মকাণ্ডের কথা মাথায় রেখেই বাধা দিতে সাহস পাননি। কারণ তিনি ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন বাবা যদি তাঁর কোনও ক্ষতি করে দেন!

বিষয়টি পরে স্বামীকে জানান ওই মহিলা। তার পরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়। গ্রেফতার করা হয় মহিলার বাবাকে। এ রকম কেন করলেন এই প্রশ্ন করাতে মহিলার বাবা বলেন, “মেয়েই আমার সঙ্গে সঙ্গম করতে চেয়েছিল। ভয় পেয়েছিলাম মেয়েকে আবার হারিয়ে ফেলব না তো? তাই আমি ওর প্রস্তাবে রাজি হয়ে গিয়েছিলাম।”  -আনন্দ বাজার

Print Friendly, PDF & Email