মিজানুর রহমান মিলন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) থেকে: নীলফামারীর সৈয়দপুরে রিক্সা ও অটোরিক্সা থেকে এলইডি বাল্ব (লাইট) ধ্বংস (ভেঙ্গে ফেলা) কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সপ্তাহব্যাপী শুরু হওয়া ওই কর্মসুচিতে গত দুই দিনে শতাধিক যানবাহনে লাগানো ওই সব এলইডি বাল্ব ধ্বংস করা হয়।
নীলফামারী ট্রাফিক পুলিশ বিভাগের শহর ও যানবাহন পরিদর্শক আবু নাহিদ পারভেজ চৌধুরীর নেতৃত্বে অভিযান ওই অভিযান শুরু হয় গত শনিবার। গত রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন সড়কে চলাচলকারী ব্যাটারি চালিত ও ব্যাটারি বিহীন রিকসা- রিকসাভ্যানসহ অটোরিকসায় অতিরিক্ত লাগানো এলইডি বাল্ব লাঠি দিয়ে ভেঙ্গে ফেলা হয়। শহরের শহীদ মৃধা ক্যাপ্টেন শামসুল হুদা ( বিমানবন্দর সড়ক), পাঁচমাথা মোড়, শহীদ তুলশীরাম সড়ক মোড় (মদিনা মোড়), পোস্ট অফিস সংলগ্ন থানা মোড় এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ বিভাগ ওই অভিযান পরিচালনা করে।
এ অভিযানে শহর এবং যানবাহন উপ- পরিদর্শকসহ (ট্রাফিক সার্জেন্ট) ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন ।
এদিকে, ওই কর্মসুচি শুরু হওয়ায় এসব যানবাহন মালিকদের অনেকেই এলইডি বাল্ব খুলে নিয়েছে। এ ব্যাপারে ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মো. আশরাফ কোরায়শী বলেন ওইসব যানবাহনে এলইডি বাল্ব লাগানোর ফলে অতিরিক্ত আলো চোখে লাগে। ফলে ওই বাল্বের কারণে সামনে কিছু দেখা যায়না। এ সময় ঘটে যায় ছোট বড় দূর্ঘটনা। ক্ষতি হয় জানমালের। এ সব থেকে রক্ষা পেতে এলইডি বাল্ব অপসারণসহ ধ্বংস অভিযান শুরু হয়েছে।
নীলফামারী ট্রাফিক পুলিশ বিভাগের শহর ও যানবাহন পরিদর্শক আবু নাহিদ পারভেজ চৌধুরী বলেন এলইডি বাল্বের আলো সরাসরি চোখে লাগে, এ সময় সামনে থাকা কোন কিছুই ভালভাবে দেখা যায়না। ফলে দূর্ঘটনা ঘটে বেশি। অনেক সময় এ দূর্ঘটনায় যানমালেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। এ বিষয়টিকে সামনে রেখে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এ অভিযান শুরু হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে এ কর্মসুচি। ট্রাফিক পুলিশের এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে সৈয়দপুরের সচেতনমহল।

তিস্তা নিউজের নিউজ রুম থেকে সমস্ত বিভাগসহ বাংলাদেশের সর্বশেষ সংবাদ প্রকাশ করা হয়। আপনি যদি তিস্তানিউজ ২৪.কম এ প্রকাশের জন্য আমাদের ট্রেন্ডিং নিউজ প্রেরণ করতে চান তবে আসুন এখনই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আপনার নিউজটি আমাদের নিউজ রুম থেকে নিউজ ডেস্ক হিসাবে প্রকাশিত হবে। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদান্তে- আব্দুল লতিফ খান, প্রকাশক ও সম্পাদক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here