মিজানুর রহমান মিলন,সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর সৈয়দপুরে রাজধানী ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগির এসি কেবিন থেকে এক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত রবিবার (১২ জানুয়ারী) দিবাগত গভীর রাতে মাহবুব রশীদ মিল্টনের (৫২) লাশ উদ্ধার করে রেলওয়ে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় সৈয়দপুর রেলওয়ে থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।
জিআরপি থানা পুলিশ সূত্র জানায়, রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার ৬ নম্বর রাধানগর ইউনিয়নের মৃত. মাহফুজ আহমেদের ছেলে মাহবুব রশীদ মিল্টন। তিনি ঢাকায় ব্যবসায় জড়িত এবং ঢাকার এ/১১, পুরাতন পল্টন লাইনের ৭২ নম্বর বাড়িতে খাকতেন। তিনি গত রবিবার ( ১২ জানুয়ারী) ঢাকা – নীলফামারীর চিলাাহটিগামী আন্তঃনগর নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠেন। ওই ট্রেনের ‘খ’ বগির কেবিনের এসি বার্থ ৪৪ নম্বর সিটে যাত্রী ছিলেন তিনি। ট্রেনটি ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে জয়পুরহাটে পৌঁছলে ট্রেনের অ্যাটেনডেন্ট মো. ওবায়দুর রহমান ওই কেবিনে গিয়ে দরজা ভেতর থেকে আটকানো অবস্থায় দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে তিনি (অ্যাটেনডেন্ট) বিষয়টি ট্রেনের ডিউটিরত সান্তাহার রেলওয়ের থানার সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. শাহিনকে অবহিত করেন। পরে জিআরপি পুলিশ গিয়ে কেবিনের দরজা খুলে ট্রেন যাত্রী মাহবুব রশীদ মিল্টনের মরদেহ সিটের ওপর পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর আন্তঃনগর নীলসাগর ট্রেনটি রাত আনুমানিক পৌণে দুইটায় সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছে। পরে সেখানে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ট্রেনের বগি থেকে লাশটি উদ্ধার করে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানায় নেওয়া হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা ৬৭ হাজার টাকা, একটি ল্যাপটপ, আইফোনসহ দুইটি মুঠোফোন পাওয়া যায়। পরবর্তীতে মৃত. ব্যক্তির কাছে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হয় পুলিশ।
সৈয়দপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন জানান, ট্রেন যাত্রী ওই ব্যক্তি বগির মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে জিআরপি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

তিস্তা নিউজের নিউজ রুম থেকে সমস্ত বিভাগসহ বাংলাদেশের সর্বশেষ সংবাদ প্রকাশ করা হয়। আপনি যদি তিস্তানিউজ ২৪.কম এ প্রকাশের জন্য আমাদের ট্রেন্ডিং নিউজ প্রেরণ করতে চান তবে আসুন এখনই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আপনার নিউজটি আমাদের নিউজ রুম থেকে নিউজ ডেস্ক হিসাবে প্রকাশিত হবে। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদান্তে- আব্দুল লতিফ খান, সম্পাদক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here