মেজবাহুল হিমেল রংপুর প্রতিনিধি: দেশ পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্রাচার্য্য বলেছেন, সমাজে এখনও একটি চক্র প্রতিক্রিয়াশীল। তারা মানুষকে উস্কে দিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করে সমাজে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চায়। যারা জনগনের সম্পদ ও জীবনের নিরাপত্বার ক্ষেত্রে বাঁধা, যারাই আইনশৃঙ্খলার বিঘ্ন ঘটাবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতর ব্যবস্থা নেয়া হবে। কাউকেই ছাড় দেয়া বাংলা হবে না। তিনি বলেন মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। সমাজে একজন মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবি রাখতে চাই না আমরা। এজন্য যা যা করা প্রয়োজন পুলিশ তা করবে।

বুধবার দুপুরে রংপুর পুলিশ লাইন অডিটোরিয়ামে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এই নির্দেশনার কথা জানান। এসময় তার সাথে ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল মজিদ, রংপুর পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সার্বিক আবু মারুফ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) ফজলে এলাহী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(এ সার্কেল) সাইফুর রহমান সাইফ প্রমুখ।

ডিআইজি বলেন, মানুষের বিচার প্রার্থনার প্রথম জায়গাই হলো থানা বা পুলিশ স্টেশন। এজন্য থানা এবংপুলিশ স্টেশনে কোন ভূক্তভোগি এবং বিচারপ্রার্থী যখন যাবে, তার সাথে যথাযথ এবং ন্যয়সঙ্গত আচরণ করবে পুলিশ। তার সমস্যা শুনে, মামলা নেয়ার প্রয়োজন হলে সাথে সাথেই তা নিতে বাধ্য পুলিশ। যদি কোন পুলিশ সদস্য কিংবা কোন থানা সেটা না করেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, এমন অনেক ঘটনা আছে, যেগুলো মামলা না করেও নিস্পত্বি করা যায়, পুলিশ ভূক্তভোগিদের সাথে এসব বিষয়ে কথা বলে তা নিস্পত্তির উদ্যোগ নিবে। তিনি বলেন, এমন অনেক ঘটনা আছে পুলিশ আগে থেকে তা জানতে পারলে এ্যকশনে যেতে পারলে সেখানে কোন অপরাধ সংঘটিত হবে না। আমার রংপুর রেঞ্জের পুলিশ আগে থেকে টের পাওয়া সেসব ঘটনায় তড়িৎ এ্যকশনে গিয়ে সেই সব অপরাধ নিরাবণ করবে।

ডিআইজি বলেন, নারী, শিশু, সংখ্যালঘু এবং সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠির ব্যাপারে বিশেষ মানবিক আচরণ করবে আমার রংপুর রেঞ্জের পুলিশ। যাতে তাদের অধিকার, নিরাপত্বা নিশ্চিত হয়।

তিনি সাংবাদিকদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, জনমনে আতংক তৈরি হয়, সমাজের স্থিতিশীলতা তৈরি হয় এ ধরনের সংবাদ পরিবেশনে সজাগ থাকতে হবে সাংবাদিকদের। পুলিশের পক্ষ থেকে তথ্য পেতে যাতে কোন ধরনের জটিলতা না হয় সেজন্য প্রতিটি জেলায় একজন করে এএসপি পদবির কর্মকর্তা থাকবে। যারা মিডিয়া ফোকাল্ট পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে। তার মাধ্যমে যে কোন ঘটনার তথ্য সাংবাদিকরা জানতে পারবেন। তিনি বলেন, পুলিশের কাজ অপরাধের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করা। আর সাংবাদিকদের কাজ অপরাধের খোঁজখবর নিয়ে তার প্রকাশ করে দেয়া। সাংবাদিক-পুলিশ পারস্পারিক সেতুবন্ধনের মাধ্যমে কাজ করলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে থাকবে। ডিআইজি তার বক্তব্যে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়ে বলেন, রিপোর্ট না করেও তথ্য দিলেও আমাদের জন্য অপরাধ নিবারণ করা সহজ হয়।

তিস্তা নিউজের নিউজ রুম থেকে সমস্ত বিভাগসহ বাংলাদেশের সর্বশেষ সংবাদ প্রকাশ করা হয়। আপনি যদি তিস্তানিউজ ২৪.কম এ প্রকাশের জন্য আমাদের ট্রেন্ডিং নিউজ প্রেরণ করতে চান তবে আসুন এখনই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আপনার নিউজটি আমাদের নিউজ রুম থেকে নিউজ ডেস্ক হিসাবে প্রকাশিত হবে। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদান্তে- আব্দুল লতিফ খান, প্রকাশক ও সম্পাদক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here