• Home »
  • জাতীয় »
  • শিক্ষা খাতকে ধ্বংস করছে জিপিএ-৫ কেন্দ্রিক ব্যবস্থা : এ কি বললেন আরেফিন সিদ্দিক
শিক্ষা খাতকে ধ্বংস করছে জিপিএ-৫ কেন্দ্রিক ব্যবস্থা : এ কি বললেন আরেফিন সিদ্দিক
১১ মার্চ '১৮

dimlanews

তিস্তা নিউজ ২৪ ডটকম এর প্রকাশিত সংবাদ গুলো পড়ুন এবং মন্তব্য করুন।

0 Shares

শিক্ষা খাতকে ধ্বংস করছে জিপিএ-৫ কেন্দ্রিক ব্যবস্থা : এ কি বললেন আরেফিন সিদ্দিক

অনলাইন ডেস্ক:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে জিপিএ-৫ কেন্দ্রিক ব্যবস্থা। এখন জিপিএ ৫-কেই মনে করা হচ্ছে সবচেয়ে বড় অর্জন। এ ধ্যান-ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।শিক্ষা খাতকে ধ্বংস করছে জিপিএ-৫ কেন্দ্রিক ব্যবস্থা : এ কি বললেন আরেফিন সিদ্দিক

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন আয়োজিত ‘নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস ও সর্বশেষ অগ্রগতি’ শীর্ষক আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

উন্নত দেশগুলোতে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা অনেক উন্নত উল্লেখ করে ঢাবির সাবেক ভিসি বলেন, উন্নত সব দেশে প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষকদের ব্যাপক মূল্যায়ন করা হয়। কেননা, শিক্ষার মূল কাজটি তারাই সম্পাদন করেন। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় কিছুটা পরিবর্তনের প্রয়োজন উল্লেখ করে ঢাবির সদ্য সাবেক এ ভিসি বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের মানবিক গুণাবলি অর্জন করা প্রয়োজন, কিন্তু তা সঠিকভাবে হচ্ছে না। আমরা কোন ধরনের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তৈরি করছি তা নিয়ে আমাদের অনুতপ্ত হওয়া উচিত। তারা অবলীলায় দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে আমাদের পরিত্রাণ পেতে হবে।

শিক্ষকদের হতাশ না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে অধ্যাপক আরেফিন সিদ্দিক বলেন- নানা সমস্যা সমাজে থাকবে, এর মধ্যে দিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে আশা জাগিয়ে রাখা শিক্ষকদের কাজ। তবে শিক্ষকদেরও মর্যাদা দিতে হবে। নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসকে ইতিবাচক ও আশার সঞ্চার করেছে উল্লেখ করে অধ্যাপক আরেফিন সিদ্দিক বলেন, এ আশ্বাস তিনি অবশ্যই দ্রুত বাস্তবায়ন করবেন। তিনি বলেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে অনেক সময় সমস্যায় পড়তে হয়, ফলে সেদিকে সচেতন থাকতে হবে।’

নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক নানা ধরনের বিষয় অন্তর্ভুক্তি ও নানা ধরনের শর্তযুক্ত করার প্রেক্ষিতে আয়োজক সংগঠনের শিক্ষক নেতারা এমপিওভুক্তির আলোচনায় শিক্ষক প্রতিনিধিদের রাখার দাবি জানান। এছাড়া দ্রুত এমপিওভুক্ত করার দাবি জানিয়ে বলেন, স্বীকৃতিই এমপিও প্রাপ্তির একমাত্র মানদণ্ড বিবেচনা করা উচিত। স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রেডিং নতুনভাবে করতে গেলে দুর্নীতি ও অনিয়মের আশঙ্কা থাকবে। শিক্ষক প্রতিনিধিত্ব থাকলে এমপিও নিয়ে যে ধোঁয়াশার মধ্যে শিক্ষকেরা আছেন তা কেটে যাবে।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির নেতা রঞ্জিত কুমার সাহা বলেন, দাবির ব্যাপারে আশ্বস্ত করার পরও কালো মেঘের ঘনঘটা দেখতে পাচ্ছি। এমপিওভুক্তি তো এতদিনে হয়ে যাওয়ার কথা। তবে ৫ হাজার ২৪২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নীতিমালার বাইরে রাখা যাবে না। এ দেশে আন্দোলনে না নামলে কেউ আলোচনায় বসার আগ্রহ দেখায় না। আন্দোলন ছাড়া দাবি আদায়ও করা যায় না। আমরাও অনেক সময় দাবি নিয়ে আন্দোলন করেছি। কিন্তু এত দুর্ভোগ পোহাতে হয়নি আমাদের।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুন্নবীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সাবেক সংসদ সদস্য নূর আফরোজ, শিক্ষক নেতা রণজিৎ কুমার সাহা, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা রাজেকুজ্জামান রতন প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিনয় ভূষণ রায়।

উল্লেখ্য, সংগঠনটির উদ্যোগে নন-এমপিও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির (বেতন-ভাতা বাবদ মাসে সরকারি অনুদান) দাবিতে ওই সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা গত ২৬ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান ও অনশন কর্মসূচি পালন করেছিলেন। পরে ৫ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১-এর দায়িত্বে থাকা সাজ্জাদুল হাসান (বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব) অনশনস্থলে গিয়ে ঘোষণা দেন, প্রধানমন্ত্রী নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন। এরপর অনশন ভঙ্গ করেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

সূত্র- দৈনিক নয়া দিগন্ত

Print Friendly, PDF & Email

About dimlanews

তিস্তা নিউজ ২৪ ডটকম এর প্রকাশিত সংবাদ গুলো পড়ুন এবং মন্তব্য করুন।

Related Posts

Leave a Reply

*

সম্পাদকের বক্তব্যঃ

তিস্তা নিউজ ২৪ ডটকম ভিজিট করুন এবং বিজ্ঞাপন দিন।