• Home »
  • সারাদেশ »
  • চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ইউনিয়ন নির্বাচনের পরবর্তী সহিংসতায় আহত-২
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ইউনিয়ন নির্বাচনের পরবর্তী সহিংসতায় আহত-২
২ এপ্রি '১৮
0 Shares

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ইউনিয়ন নির্বাচনের পরবর্তী সহিংসতায় আহত-২

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ইউনিয়ন নির্বাচনের পরবর্তী সহিংসতায় আহত-২সালেকিন মিয়া সাগর,চুয়াডাঙ্গা:  জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ ইউনিয়নের পুরন্দপুর এলাকায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান রবি বিশ্বাসের (নৌকা প্রতীকের) দুই কর্মীকে নিজ বাড়িতে গিয়ে কুপিয়েছেন আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সোহরাব বিশ্বাসের কর্মীরা। এ সময় স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি করেন।
রবিবার (১লা এপ্রিল) সকাল ৯ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন জীবননগর উপজেলার পুরন্দপুর গ্রামের রিফুজি পাড়ার মুনসুর আলীর ছেলে ফুলমিয়া (৪৮) ও ফুলমিয়ার ছেলে নাজমুল হোসেন (২৮) এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে , গত (২৯ মার্চ) জীবননগর উপজেলার ৩ টি ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বাঁকা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে রবি বিশ্বাস (নৌকা) মার্কা ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে সোহবার হোসেন বিশ্বাস (চশমা) প্রতিকে নির্বাচন করে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর (নৌকা) প্রতিকের কাছে বিদ্রোহী প্রার্থী সোহরাব হোসেন বিশ্বাস পরাজিত হয়।
নির্বাচনে পরাজিত হয়ে সোহরাব হোসেনের কর্মী পুরন্দপুর গ্রামের রিফুজিপাড়া রমু কামারের ছেলে আকুব্বার (৪৫), আকুব্বারের ছেলে সোহান (১৯) ও বিশারতের ছেলে আক্তার (৩৪) আজ রবিবার সকালে নৌকা মার্কার কর্মী একই গ্রামের ফুল মিয়া ও তার ছেলেকে নিজ বাড়িতে ঢুকে দেশী অস্ত্র হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে জখম করে।
বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান রবি বিশ্বাস বলেন, পুরন্দপুর রিফুজিপাড়ায় নিজ বাড়িতে আমার নৌকা প্রতিকের কর্মী ফুল মিয়া ও তার ছেলে নাজমুল সাংসারিক কাজ কর্ম করতে ছিলো। এ সময় আমার সাথে নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সোহরাব হোসেনর কর্মীরা বেশ কয়েকজন বাড়িতে ঢুকে আমার কর্মী ও তার ছেলেকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। পরে স্থানীয় লোকজন এসে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সোহরাব হোসেন বিশ্বাসের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান,আমার শারীরিক ও মানসিক অবস্থা তেমন ভালোনা। আকুব্বার, সোহান ও আক্তার আমার নির্বাচনে কর্মী ছিলেন। তবে আজকের ঘটনার সম্পর্কে আমি তেমন কিছুই জানিনা। তবে ঘটনা যদি সত্য হয় তাহলে তারা অবশ্যই কাজটি খারাপ করছে। আমি আমার সমস্ত কর্মীদের সাথে বসে বলেছি নির্বাচনে জয় পরাজয় আছে। জনগণের রায়কে মেনে নিতে হবে। কারো সাথে কোন রকম ঝামেলায় জড়ানো যাবেনা।
এব্যাপারে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান জানান, আমার কাছে এব্যাপারে কোনো লিখিত অভিযোগ কেউ এখনো পর্যন্ত করেনি ।লিখিত অভিযোগ পেলে যথাযথ পদক্ষেপের ব্যবস্তা নিব।

 

Print Friendly, PDF & Email

About dimlanews

Related Posts

Leave a Reply

*

সম্পাদকের বক্তব্যঃ

তিস্তা নিউজ ২৪ ডটকম ভিজিট করুন এবং বিজ্ঞাপন দিন।